বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৯ পি.এম
ম্যাথু ব্রিটস্কি দুর্দান্ত ফর্মে ফিরে আবারও সেঞ্চুরি অর্জন করেছেন। তার সঙ্গে মার্কো ইয়েনসেনের ঝড়ো ইনিংস দলের জন্য একটি বড় সংগ্রহ তৈরি করেছে। পরে কেশভ মহারাজের ঘূর্ণি বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে এগিয়ে গেল।
ডারবানে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ৬৭ রানে জয়লাভ করেছে। তারা ২৯৭ রানের পুঁজি গড়ে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে ৪১.২ ওভারে ২৩০ রানে গুঁটিয়ে দেয়।
অস্ট্রেলিয়া ১৬ ওভারে ১ উইকেটে ১২৯ রানের শক্ত অবস্থানে থাকলেও, তারা ১০১ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়।
ম্যাচের নায়ক ব্রিটস্কি ১০৬ বলে ১১২ রানের ইনিংসের পাশাপাশি তিনটি ক্যাচও নেন।
বিস্তারিত আসছে …
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ এশিয়ান গেমসে পুরুষদের ফ্লোর এক্সারসাইজে সোনা জিতেছেন ফিলিপাইনের তারকা জিমন্যাস্ট কার্লোস ইউলো। এটি তার ক্যারিয়ারের প্রথম এশিয়ান গেমস সোনা। ২৪ সেপ্টেম্বর জাপানের নাগায়া সিটি জেনারেল জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১৪.৬৬৬ স্কোর অর্জন করে তিনি সোনা জিতেছেন। এই জয়ের মাধ্যমে ২০১৮ সালের জাকার্তা এশিয়ান গেমসে পদকহীন ব্যর্থতার প্রতিশোধ নিলেন ইউলো।
আরো পড়ুন
এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটারের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিযোগিতার পডিয়ামে শীর্ষ তিন অ্যাথলেটের মধ্যে তীব্র লড়াই হয়, যেখানে মাত্র এক পয়েন্টের দশমাংশের ব্যবধানে পদক নির্ধারিত হয়। কাজাখস্তানের রানার-আপ মিলাদ কারিমি (১৪.৬০০ স্কোর) এবং জাপানের ব্রোঞ্জজয়ী শোমা সুকিয়ামাকে (১৪.৫৬৬ স্কোর) হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন ইউলো।
এশিয়া গেমসে নিজের প্রথম সোনা জয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ২৬ বছর বয়সী এই জিমন্যাস্ট বলেন, ‘এই পদকটি জেতা আমার কাছে অলিম্পিক জেতার মতোই অনুভূতির, কারণ এর পেছনে একটি অতীত গল্প জড়িয়ে আছে। যখন আমার বয়স ১৮ বছর ছিল, ২০১৮ সালের জাকার্তা এশিয়ান গেমসেও ঠিক এমনটাই ঘটেছিল।’
আরো পড়ুন
১৯ বছর পর মুখোমুখি আয়ারল্যান্ড-ইসরায়েল, যে ইস্যুতে ম্যাচকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক।
সেবার আমি আমার পারফরম্যান্স দিয়ে ছিলাম। আমি ফ্লোর এক্সারসাইজ এবং ভল্ট—উভয় ইভেন্টেই ফাইনালিস্ট ছিলাম, কিন্তু আমার পারফরম্যান্স মোটেও ভালো ছিল না বলে যোগ করেন তিনি।
টোকিও অলিম্পিকের ফ্লোর ফাইনালে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হওয়া ইউলো আরো যোগ করেন, ‘ঠিক একইভাবে টোকিও অলিম্পিকেও আমার সাথে এমনটাই ঘটেছিল। সেখানেও সবকিছু পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। এটি সত্যিই একটি দারুণ গল্প, এবং আমার মনে হচ্ছে এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমি আমার সেই ব্যর্থতার একটি মধুর প্রতিশোধ (বা পুনরুদ্ধার) নিতে পেরেছি।’
আরো পড়ুন
রোহিতকে নিয়ে মুখ খুললেন গম্ভীর
কার্লোস ইউলো ফিলিপাইনের একমাত্র ক্রীড়াবিদ, যিনি অলিম্পিকে দুটি সোনা জিতেছেন। এবার তার ঝুলিতে এশিয়ান গেমসের এই বড় খেতাবটিও যুক্ত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘উন্নতি করতে হলে খেলতে হবে’—এন্ড্রিকের বিষয়ে কার্লো আনচেলত্তির এই মন্তব্য বর্তমানে একটি অদ্ভুত বৈপরীত্যের সৃষ্টি করেছে। ব্রাজিলের কোচ হিসেবে তরুণ ফরোয়ার্ডটির নিয়মিত খেলার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন আনচেলত্তি। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদের কোচ থাকাকালীন তাঁর অধীনে এন্ড্রিক খুব বেশি সময় মাঠে থাকার সুযোগ পাননি।
অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, ইউরোপের বড় ক্লাবে অল্প বয়সে যোগ দেওয়ার পর অনেক ব্রাজিলিয়ান প্রতিভা নিয়মিত খেলার সুযোগ হারাচ্ছেন।
এন্ড্রিক এবং এস্তেভাওকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ব্রাজিলিয়ান ছেলেদের সমস্যা হলো, তারা খেলে না বলে উন্নতি করতে পারে না। এন্ড্রিকের ক্ষেত্রেও সেটিই হচ্ছে। তারা ১৮ বা ১৯ বছর বয়সে ইউরোপে যায়, বড় ক্লাবে যোগ দেয়, কিন্তু সেখানে খেলার জায়গা পায় না। খেলতে না পারলে তারা উন্নতি করতে পারে না।”
এই মন্তব্যগুলো এন্ড্রিকের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে যথেষ্ট সঙ্গতিপূর্ণ। ২০২৬-২৭ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪ মিনিট মাঠে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডটি।
এন্ড্রিকের প্রথম মৌসুমে রিয়ালের কোচ ছিলেন আনচেলত্তিই। ২০২৪-২৫ মৌসুমে লা লিগায় মাত্র ৩৫২ মিনিট খেলেছিলেন এন্ড্রিক, শুরুর একাদশে তিন ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে কোপা দেল রেতে ছয় ম্যাচে পাঁচ গোল করে নিজের সম্ভাবনার প্রমাণ দিয়েছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে লিঁওঁতে ধারে গিয়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান এন্ড্রিক। সেখানে ৪১ ম্যাচে সাত গোল করে আবারও আলোচনায় আসেন তিনি। কিন্তু রিয়ালে ফেরার পরও পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়নি। নতুন মৌসুমে তাঁর সামনে সুযোগ আরও সীমিত হয়ে পড়েছে।
এই কারণেই আনচেলত্তির বর্তমান বক্তব্যে ফিরে আসছে তাঁর রিয়াল অধ্যায়ের প্রসঙ্গ। জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তিনি এখন বলছেন, তরুণদের উন্নতির জন্য নিয়মিত মাঠে থাকা জরুরি—যে সুযোগটি রিয়ালে তাঁর অধীনে এন্ড্রিক খুব বেশি পাননি।
তবে এন্ড্রিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী আনচেলত্তি। “এন্ড্রিক ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠবে,” বলেছেন ব্রাজিল কোচ।
জাতীয় দলের হয়ে বর্তমানে এন্ড্রিকের সামনে নতুন সুযোগ রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ২৫ সেপ্টেম্বরের ম্যাচে তাঁকে শুরুর একাদশে রেখেছেন আনচেলত্তি। অর্থাৎ ক্লাবে যেখানে মিনিটের জন্য লড়াই, সেখানে জাতীয় দলের জার্সিতে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন এই তরুণ।
এদিকে এন্ড্রিকের সীমিত ক্লাব-সময়কে ঘিরে জানুয়ারির দলবদলেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এসি মিলান ও রোমা তাঁকে ধারে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী বলে প্রতিবেদন এসেছে। ফলে সামনে আবারও ধারে যাওয়াই কি এন্ড্রিকের জন্য নিয়মিত খেলার দরজা খুলবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাইয়ের শক্তি বিভক্ত হয়ে গেলে ভারত তার আসল কার্ডগুলো খেলবে, এমন মন্তব্য করেছেন যুগান্তর সম্পাদক ও কবি আবদুল হাই শিকদার।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বিএফইউজে’র সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আবদুল হাই শিকদার মন্তব্য করেন, জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হলে, ভারত এই সুযোগে তার আসল কার্ডগুলো খেলবে এবং পেছনের দরজা দিয়ে ফ্যাসিবাদ আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, এই জল্লাদদের প্রতিহত করতে হলে জুলাইয়ের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বর্তমান জাতীয় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশ যখন বহুমুখী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে অনৈক্য কাম্য নয়। শত্রু সম্পূর্ণ পরাস্ত হওয়ার আগেই নিজেদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও অনৈক্য আমাদের দুর্বল করে দিচ্ছে।
উহুদ যুদ্ধের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বিজয় এখনো সম্পূর্ণ আসেনি, চারদিকে এখনো ষড়যন্ত্র ও বিপদ বিদ্যমান। তাই এই মুহূর্তে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।
চাঁদাবাজি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত কিছু মৌসুমী নেতাকর্মী দলের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লুটকারীদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেবল দল থেকে এদের বহিষ্কার করাই যথেষ্ট নয়, এদের কঠোরহস্তে দমন করে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। গুটিকয়েক দুষ্কৃতকারীর অপকর্মের কারণে সরকারের পুরো অর্জন ও ইমেজ ক্ষুণ্ণ হতে পারে না।
ভারতের গণমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে সাক্ষাতকার প্রচারের ঘটনা তুলে ধরে আবদুল হাই শিকদার বলেন, দেশের স্বার্থে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে এবং তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যাসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে হবে।
তিনি রুহুল আমিন গাজীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ট্রেড ইউনিয়নকে দলমতের ঊর্ধ্বে রেখে বিচার-বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা যাদের ছিল, রুহুল আমিন গাজী ছিলেন সেই সমাজের শেষ বীর। মিথ্যা মামলায় ১৭ মাস কারাভোগ ও চিকিৎসাবঞ্চিত হয়ে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা একসঙ্গে মিছিলে অংশ নিয়েছিলাম, আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। এ সময় তিনি রুহুল আমিন গাজীর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
ডিইউজের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
এছাড়া বক্তব্য দেন ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহি নেওয়াজ খান সাজু, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া, বিএফইউজের সহ-সভাপতি একেএম মোহসিন ও খাইরুল বাশার, প্রয়াত রুহুল আমিন গাজীর ছেলে আফ্ফান আবরার আমীন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারে দুই দিনব্যাপী ইছালে ছওয়াব মাহফিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, যা বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। এই মাহফিল আগামী ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্র ও শনিবার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী (ম.জি.আ.) বলেন, "মহান আল্লাহর মেহেরবাণীতে মাহফিলের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।" তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন যাতে মাহফিলটি সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ এম এম সিরাজুল ইসলাম মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন, কারণ মাহফিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বিভিন্ন উপকমিটির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বায়তুশ শরফের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, "বায়তুশ শরফ পীর-মুর্শিদের প্রতিষ্ঠান। এখানে এলম, আমল, আখলাক, সেবা ও তরবিয়াহর শিক্ষা দেওয়া হয়।"
আয়োজক সূত্র জানায়, মাহফিলকে ঘিরে প্রায় এক মাস ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভায়, মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম সার্বিক প্রস্তুতির কথা জানান।
‘ফাতেহা-এ-ইয়াজ দাহুম’ উপলক্ষে আয়োজিত এই মাহফিলে দেশের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও ওলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করবেন। মাহফিলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে থাকবেন শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী (ম.জি.আ.).
২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত খতমে কোরআন, খতমে সূরা আনআম, খতমে খাজেগান, খতমে তাহলিল ও খতমে বুখারী অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে জিকির মাহফিল। এই সময় কোরআন হেফজ সম্পন্নকারী হাফেজদের দস্তারবন্দী এবং বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম ও শ্রদ্ধেয় হুজুর কেবলার (ম.জি.আ.) বয়ান থাকবে।
পরবর্তী দিন ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার ভোর ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ছালাতে তাহাজ্জুদ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত জিকির মাহফিল, তওবা-ইস্তিগফার, বায়াত, মিলাদ ও আখেরি মুনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সম্প্রতি একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাওলানা শফিক আহমদের সভাপতিত্বে, মহাপরিচালক আলহাজ এম এম সিরাজুল ইসলাম মাহফিল বাস্তবায়নের সার্বিক দিকনির্দেশনা দেন।
সভায় মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির বিভিন্ন উপকমিটির দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মাহফিলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা, অতিথি আপ্যায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সেলিমুল্লাহ বাহাদুর, মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ, সাংবাদিক শামসুল হক শারেক, মাওলানা ওমর ফারুক, মাস্টার ফরিদ আহমদ, মুহাম্মদ তৈয়ব, শহীদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ সালাহউদ্দিন, সাঈদুল আলম, মুতাহের হোসেন, ফরিদুল আলম, মাওলানা শফিউল আলম, আনজুমানে নওজোয়ানের সভাপতি মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, আবদুর রহিম, দিদারুল আলম, শামসুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন কাজলসহ মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির বিভিন্ন উপকমিটির দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা সঞ্চালনা করেন মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শিহাব উদ্দিন।
আয়োজকরা এ দ্বীনি, ঈমানী ও রূহানী মাহফিলে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। মাহফিল সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন মাহফিল উদযাপন পরিষদ-২০২৬-এর আহ্বায়ক আলহাজ এম এম সিরাজুল ইসলাম ও কমপ্লেক্সের সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ