বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:২৯ পি.এম
পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি বেসরকারি স্কুলের ছাদ ধসে অন্তত ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে। নিহত শিক্ষার্থীদের সকলের বয়স ১৩ বছরের নিচে ছিল।
শহরের দির কলোনি এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ আসিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য ডন।
মুহাম্মদ আসিম একটি বিবৃতিতে জানান, এই দুর্ঘটনায় ১৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফাইজি জানান, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ প্রায় ২০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সময় হাসপাতালের বরাত দিয়ে তিনি চারজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। সংস্থাটি জানায়, ১০ জনের বেশি শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন শিশু আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
পাকিস্তানে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে ছাদ ও ভবনধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
গত জুলাইয়ে উমরকোটের কাছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরের দেয়ালের একাংশ ধসে তিন শিশু নিহত হয়েছিল। তাদের বয়স ছিল ৩ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। একই মাসে লাহোরের বাগবানপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি বেসরকারি স্কুল ভবনের ছাদ ধসে এক শিশু নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছিল।
এর আগে জুনে লাহোরের কাহনা এলাকায় একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু প্রাণ হারায়। ডেরা গাজি খানের একটি বেসরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে চার শিশু নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছিল।
ডেরা গাজি খানের ওই দুর্ঘটনার তদন্তে দেখা যায়, কোচিং সেন্টারের ভবন সম্প্রসারণের কাজ চলার সময় শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে পড়ে।
এছাড়া, গত সপ্তাহে ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় পাকপাত্তানে একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন নিহত হন।
জুনে গুজরাটের লালামুসার খাওয়াসপুর এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের ছাদ ধসে এক শ্রমিক নিহত এবং তিনজন আহত হন। একই মাসে লাহোরের নিশতার এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ ধসে দুজন আহত হন।
গত আগস্টে টানা তিন দিনের ভারি বৃষ্টির পর ইসলামাবাদের শাহজাদ টাউনে একটি বাড়ির ছাদ ধসে এক দম্পতি নিহত হন। এ ঘটনায় তাদের মেয়েরা আহত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায়, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডের সাথে জড়িত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর পুত্র সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে ৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার, ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিবিউটর (পিপি) দেলোয়ার জাহান রুমী জানিয়েছেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে, তাকে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালত অবৈধভাবে অর্জিত সিয়ামের ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সিয়াম পিএসসির প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর পুত্র। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন গত বছরের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মামলার তদন্ত শেষে, একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন। তদন্তে সিয়ামের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এর আগে গত ১৭ জুন, এই মামলায় সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। বিচারকাজ চলাকালে দুদকের পক্ষে মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবকে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। নতুন করে দেওয়া সতর্ক বার্তায় তারা উল্লেখ করেছে যে, সৌদির বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে।
গত মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরামকোর ধাহরান কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনার পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) এই হুমকি দেয় হুথিরা। হামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, স্থাপনাটির কয়েকটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
হুথিদের দাবি, সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলো তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু। তারা জানায়, ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই আক্রমণগুলি চালানো হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে হুথিদের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত হন।
রয়টার্সকে তিনটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হামলার পর আগুন কয়েকটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় সীমিত পরিসরে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।
সূত্রগুলোর মধ্যে দুজনের তথ্য অনুযায়ী, আরামকোর কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে। কর্মীরা বাড়ি থেকে কাজ করছেন। রয়টার্স কোম্পানিটির মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। একই দিন সৌদি রাজধানীতে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। সম্ভাব্য আকাশপথের হুমকি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। তবে শব্দগুলোর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হুথিরা জানিয়েছে, তারা ধাহরানে আরামকোর স্থাপনা, রিয়াদের বিমানবন্দর এবং রাজধানীতে আরামকোর একটি তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। তারা আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন কোম্পানি, বেসামরিক নাগরিক ও কর্মীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে। সৌদি আরবগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করেছে বিমান সংস্থাগুলো। তবে নতুন করে আসা হুথিদের হুঁশিয়ারি ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান জানায়নি সৌদি আরব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডে’ লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে মক্কা অঞ্চলে এই সাজা বাস্তবায়ন করা হয়, যা স্থানীয় বিচারিক আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর কার্যকর করা হয়।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এই দণ্ড কার্যকর হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। সৌদিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আজেল’ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তির নাম হল নজরুল ইসলাম আবদুল বসির এবং সিথি আক্তার।
প্রতিবেদনে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, মক্কার একটি মসজিদে পবিত্রতা ও স্থান-কালের মর্যাদা লঙ্ঘন করে অনৈতিক কাজ করার অভিযোগে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর মামলাটি আদালতে স্থানান্তরিত হয়।
বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আদালত জানায়, পবিত্র উপাসনালয়ের ভেতরে এ ধরনের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর এবং স্থান ও সময়ের পবিত্রতার চরম লঙ্ঘন। অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনা করে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে এবং আইনি এখতিয়ার অনুযায়ী তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করে।
উচ্চতর আদালত পরবর্তীতে এই রায়কে বহাল রাখে। রাজকীয় অনুমোদনের পর বুধবার মক্কা অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভারতীয় শাড়ির আড়ালে পাচার করে আনা ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম ‘কুশ’ (উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একধরনের গাঁজা) উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিজিৎ দাস (৪০) নামে একজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় এসে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলে তাকে আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএনসি ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক রাজিউর রহমান।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ১টার দিকে বিমানবন্দরের আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান নেয় সংস্থাটির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের একটি বিশেষ দল। সহকারী পরিচালক ড. মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে দলটি ব্যাংকক থেকে আসা থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটের যাত্রী অভিজিৎকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে।
পরবর্তীতে নিরপেক্ষ সাক্ষী ও বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে তার ট্রাভেল ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় কাপড়ের নিচে কৌশলে লুকানো অবস্থায় ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশ উদ্ধার করা হয়। ট্রলিতে মাদকের পাশাপাশি তিনটি ভারতীয় শভূষণ ও শাড়িও ছিল।
ডিএনসি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিজিৎ নিজেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ রেলওয়ে স্টেশনের একজন কুলি বলে পরিচয় দিয়েছেন। তার দাবি, একটি আন্তর্জাতিক ও ত্রিদেশীয় মাদক চোরাচালান চক্র ভারতের নিম্ন আয়ের মানুষকে ব্যবহার করে এভাবে মাদক পাচার করে আসছে।
অভিজিৎ জানিয়েছেন, চক্রটি প্রথমে তাদের কলকাতা থেকে ব্যাংককে নিয়ে যায়। এরপর ভারতীয় শাড়িসহ বিভিন্ন মালামালের আড়ালে মাদক ঢুকিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। দেশে কুশের নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা করছে চক্রটি—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যও পেয়েছে ডিএনসি।
ডিএনসির ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দুই-তিন দিন অবস্থান করে মাদকের চালানটি নির্ধারিত ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা ছিল অভিজিতের। পরে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তার। তবে এই চক্রের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অন্য সদস্যদের পরিচয় এবং জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
অভিজিতের কাছ থেকে কুশের পাশাপাশি একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, ২ হাজার ১৬০ রুপি, ৭০ থাই বাথ, একটি স্মার্টফোন ও একটি বোর্ডিং পাস জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকের মূল উৎস, বাংলাদেশে কার কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের বিমানবন্দর সার্কেলের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ