০৫:২২ পি.এম
শেরপুর সরকারি কলেজে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং ইংরেজি এই ৩ বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খাজা মো. জিয়াউল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক অভিনন্দন বার্তায় জানানো হয়েছে যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০৮-১৬৩ নম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়/বিভাগ/কোড-৫১০১/১৫৬৪৩ তালিকাভুক্তির সূত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
আরও পড়ুন: কচুয়ায় বুধুন্ডা ইউনিয়ন গঠনের দাবিতে মানববন্ধন
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন বিষয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইলের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, এমন ধারণা অভিজ্ঞ মহলের।
জানা গেছে যে, শেরপুর সরকারি কলেজে ৩ টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালুর উদ্যোগটি জেলার উচ্চশিক্ষার প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দীর্ঘদিন যাবৎ এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য নানা সীমাবদ্ধতা ছিল। স্থানীয় পর্যায়ে স্নাতকোত্তর শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জামালপুরসহ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জেলার শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবেন। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং নতুন শিক্ষার নতুন দিগন্তের সূচনায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
শেরপুর সরকারি কলেজে ইসলামী শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং ইংরেজি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালুর উদ্যোগ এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে, এমন বিশ্বাস শেরপুরবাসীর।
আরও পড়ুন: শেরপুরে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
শেরপুরবাসী মনে করেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিজ এলাকায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। এটাই তাদের কাম্য। এজন্য দল মত নির্বিশেষে লক্ষ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে আশা করেন শেরপুর জেলাবাসী। তাঁরা শেরপুরের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত ও একাডেমিক অগ্রগতিও আন্তরিকভাবে কামনা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন