ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রসূতি ছুটি দুইবারে সীমিত রাখার বিধানের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল


প্রসূতি ছুটি দুইবারে সীমিত রাখার বিধানের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

কোনো নারী কর্মীর প্রসূতি ছুটি দুবারের বেশি না থাকা এবং কোনো প্রতিষ্ঠানে ছয় মাস চাকরি না করলে প্রসূতি ছুটি না থাকার বিধি ও আইনগত বিধান নিয়ে করা রিটের প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্ট রুল জারি করেছে।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ৪৬(২) ধারা এবং ৪৬(১) এর প্রভিসো, বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের ১৯৭ নম্বর রুলের মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং মাতৃত্ব সুবিধা সীমিত করে সংবিধানের ৭, ১৫, ১৮, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

এছাড়া, বিষয়টি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, এবং কেন সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের কর্মজীবী নারীর জন্য সমান মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা ও মাতৃত্ব সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, তা জানতে চাইছে সরকারকে। একই সাথে, একটি অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিতে হবে কিনা, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ী হামলা মামলায় আনিসুল হক ও পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

এটি রুল জারি করেছেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মোহাম্মদ আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আইনজীবী ইশরাত হাসান রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন, তাকে সহযোগিতা করেছেন তানজিলা রহমান, মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান এবং ইফাত হাসান শাম্মি।

রিটটি গত ১৫ জুন কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনস্বার্থমূলকভাবে দায়ের করা হয়। রিটে মোট ১২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মন্ত্রীপরিষদ সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয় সচিবও রয়েছেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং সুবিধা কোনো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নয়; এটি মা এবং নবজাতকের মৌলিক স্বাস্থ্য, মর্যাদা, সমতা এবং সাংবিধানিক অধিকারগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তৃতীয় অথবা পরবর্তী সন্তানের প্রসঙ্গে এই অধিকার থেকে একজন কর্মজীবী নারীকে বঞ্চিত করা বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক।

আরও পড়ুন: মেসার্স উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

যেহেতু সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা বিদ্যমান, তাই এটি কর্মজীবী নারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করছে; যা সমতা এবং আইনের সমান সুরক্ষার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান পরে বলেন, সব কর্মজীবী নারীর জন্য বৈষম্যহীন এবং সমান মাতৃত্বকালীন অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই রিট করা হয়েছে। মাতৃত্ব কোনো শাস্তির বিষয় নয়; বরং এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়। এই মামলার চূড়ান্ত রায় বাংলাদেশের মাতৃত্বকালীন অধিকার, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা এবং শ্রম অধিকার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালায় প্রথমবার উদ্ধার দেশীয় প্রজাতির অজগর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


দীঘিনালায় প্রথমবার উদ্ধার দেশীয় প্রজাতির অজগর

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের পূর্ব হাচিনসনপুর এলাকায় প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি দেশীয় অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে এক ব্যক্তি নালায় বসানো রিং জালে মাছ দেখতে গেলে জালের মধ্যে একটি বড় আকৃতির সাপ আটকে থাকতে দেখেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে জাল থেকে বের করেন। পরে বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হলে মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বন বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া সাপটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা এবং এটি একটি দেশীয় প্রজাতির অজগর (Python molurus)। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সাপটিকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে।

মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাফর উল্লাহ বলেন,
প্রাথমিকভাবে এটি দেশীয় প্রজাতির অজগর বলে শনাক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এ ধরনের সাপের উপস্থিতি থাকলেও দীঘিনালায় এ প্রজাতির অজগর উদ্ধারের ঘটনা আমাদের জানা মতে এবারই প্রথম। স্থানীয়দের সচেতনতার কারণেই সাপটিকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,
বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানাই। বন্যপ্রাণী প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাই তাদের সংরক্ষণে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানান, এত বড় অজগর তারা আগে কখনও এলাকায় দেখেননি। বন বিভাগের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে সাপটি নিরাপদে উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যক্তি করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


ব্যক্তি করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

দেশের অধিকাংশ স্বাভাবিক ব্যক্তি (ইনডিভিজুয়াল) করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে প্রবীণ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি, মৃত করদাতার প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের এ বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত বিশেষ আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে আরো বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩২৮-এর উপধারা (৪)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত ব্যতিক্রম ছাড়া সব স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাকে এনবিআরের ই-ট্যাক্স পোর্টাল (www.etaxnbr.gov.bd) ব্যবহার করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

বিশেষ আদেশ অনুযায়ী, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা; শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা (প্রয়োজনীয় সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে); বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা; মৃত করদাতার পক্ষে প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকরা এই বাধ্যবাধকতার বাইরে থাকবেন। তবে এসব শ্রেণির করদাতারা চাইলে স্বেচ্ছায় অনলাইনেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

এনবিআরের আদেশে আরো বলা হয়েছে, ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন বা কারিগরি সমস্যার কারণে যদি কোনো বাধ্যতামূলক করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত কর কমিশনার বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদন সাপেক্ষে ওই করদাতাকে কাগজে (পেপার) রিটার্ন দাখিলের সুযোগ দেওয়া হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, ডিজিটাল করব্যবস্থা আরো কার্যকর, স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে করদাতারা ঘরে বসেই নিরাপদ ও দ্রুত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রমও আরো গতিশীল হবে।

এ বিশেষ আদেশ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়টি অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে জাপানে বিতর্ক, আলোচনায় নারী মেয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে জাপানে বিতর্ক, আলোচনায় নারী মেয়র

মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে জাপানে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন একজন নারী মেয়র। অনলাইন ডেস্কের প্রকাশিত খবরমতে, এটি অন্যান্য দেশে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হলেও, জাপানে একজন মেয়রের মাতৃত্বকালীন ছুটি নেওয়ার সিদ্ধান্তটি জাতীয় বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাপানের মেয়র শোকো কাওয়াতা যখন মাতৃত্বকালীন ছুটি নেওয়ার ঘোষণা দেন, তখন বিষয়টি দেশজুড়ে শিরোনাম হয় এবং জনমত জরিপ শুরু হয়, ফলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা উঠে আসে।

মে মাসে তার এই ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে বিতর্কের যা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার পশ্চিম জাপানের ইয়াওয়াতা শহরের বিধানসভায় কাওয়াতা বলেছেন, তার অনুপস্থিতিতে ডেপিউটি মেয়র প্রশাসনিক কাজগুলো দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারবেন বলেই তিনি আত্মবিশ্বাসী। এ ঘোষণার পর জাপানের সংবাদপত্র মাইনিচি শিম্বুনের একটি সম্পাদকীয়তে তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানানো হয়েছে। সম্পাদকীয়তে জানানো হয়, কর্মীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময় সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

সম্পাদকীয়তে আরও উল্লেখ করা হয়, 'জাপানকে এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে মাতৃত্ব বা পিতৃত্বকালীন ছুটি নিতে পারে।' ভিডিও কলে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাওয়াতা বলেছেন, ‘আমি ভাবিনি বিষয়টি এত বিতর্কিত হয়ে দাঁড়াবে। এখনো একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, কর্মজীবনে সম্পন্ন হতে হলে ব্যক্তিগত জীবনকে ত্যাগ করতে হয়।’

জাপান বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং এটি জনসংখ্যা হ্রাসের গুরুতর সংকটের মুখোমুখি। দেশে কর্মজীবী মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটির আইন থাকলেও, সেই আইন নির্বাচিত নগর মেয়রদের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।

৩৫ বছর বয়সী কাওয়াতা জাপানের প্রথম দায়িত্ব পালনরত মেয়র যিনি মাতৃত্বকালীন ছুটি নিচ্ছেন। নিজের এই পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'আমার মনে হচ্ছে, অনলাইনে অনেক মানুষ এখন ধীরে ধীরে বিষয়টি মেনে নিতে শুরু করেছেন।' এই ঘটনা জাপানে কর্মজীবন, পরিবার এবং নারীর নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে নতুন আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, ‘পুরুষদের ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদান তাদের শরীরে শারীরিকভাবে কোনো প্রভাব ফেলে না, তাই ব্যক্তিগত জীবনকে পেছনে ফেলে কাজ চালিয়ে যাওয়া প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব। কিন্তু নারীদের জন্য শারীরিকভাবে তা একেবারেই সম্ভব নয়।’

সর্বশেষ জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্টে, জাপান ১৪৮টি দেশের মধ্যে ১১৮তম স্থান অধিকার করেছে, যা জি৭ দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন। এর একটি কারণ হলো সেকেলে লিঙ্গভিত্তিক গতানুগতিক ধারণা। এখন পর্যন্ত, জাপানে মাত্র ৩০ শতাংশ কাউন্সিলর নারী এবং তাদের মধ্যে মাত্র ১.২ শতাংশের বয়স ৪০-এর নিচে।

তিনি আরও বলেন, ‘যদিও জাপানে লিঙ্গ সমতার উন্নতি হয়েছে, তবে নারীরা अक्सर নেতৃত্বের পদে পৌঁছাতে সংগ্রাম করেন।’ কাওয়াতা ৩৩ বছর বয়সে শিশুযত্ন ব্যবস্থার উন্নতির এজেন্ডা নিয়ে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে জাপানের সর্বকনিষ্ঠ নারী মেয়র হন। তিনি কোনো রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য নন, তবে তিনি অল্পবয়স থেকেই রাজনীতিতে আগ্রহী ছিলেন।

কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করার পর তিনি কিয়োটো শহরে একজন কেস ওয়ার্কার হিসেবে কাজ শুরু করেন, পরে রাজনৈতিক সহকারী হন এবং ২০২৩ সালে মেয়র নির্বাচিত হন। পরবর্তী তিন বছরে কাওয়াতা তার দক্ষতা ব্যবহার করে জাপানজুড়ে প্রচলিত একটি সমস্যা, জনসংখ্যা হ্রাস মোকাবেলা করার দিকে মনোযোগ দিয়েছেন।

কাওয়াতার নির্বাচনী এলাকাটি প্রিফেকচারের মধ্যে একটি ছোট এলাকা। সেখানে ২০০২ সালে জনসংখ্যা ছিল ৭৪ হাজার ৩২৯ জন। ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তা কমে ৬৭ হাজার ৮৭৬ জনে নেমে এসেছে। কাওয়াতা বলেন, ‘জাপানের জনসংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমি সবসময়ই জানতাম। তবে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সমস্যাটির প্রকৃত গম্ভীরতা ও গভীরতা আমি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি।’

এটি নারীদের জন্য একটি বিশেষ কালীন মাতৃত্বকালীন ছুটি হওয়ায় কাওয়াতাকেই এর পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। তিনি জাতীয় নিয়ম মেনেই ডিসেম্বরের মধ্যে কাজে ফেরার আশা করছে। প্রথম সন্তানের মা হতে যাওয়া অবস্থায় ভবিষ্যতে কী ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন তা তিনি জানেন না। তবে তিনি আশা করেন যে তার এই সিদ্ধান্ত জাপানের আরও বেশি নারীকে রাজনীতিতে আসতে উৎসাহিত করবে।

কাওয়াতা বলেছেন, ‘যদি আরও বেশি নারীরা নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্তরে অংশ নেন, তাহলে কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক আরও ভালো সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিয়ে যন্তর মন্তরে অনশনে বসলেন সোনম ওয়াংচুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিয়ে যন্তর মন্তরে অনশনে বসলেন সোনম ওয়াংচুক

জলবায়ু আন্দোলনের কর্মী সোনম ওয়াংচুক ভারতবাসীদের দিল্লির যন্তর মন্তরে তার সঙ্গে অনশনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার তিনি একটি ভিডিও বার্তায় এই আহ্বান জানান।

শিক্ষা সংস্কার, পরিবেশ রক্ষা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিতে তিনি এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভিডিও বার্তাটি তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। ভিডিওতে ওয়াংচুক বলেন, যারা সরাসরি দিল্লিতে এসে আন্দোলনে যোগ দিতে পারবেন না, তারা নিজেদের শহর, জেলা বা গ্রামে একই দাবিতে এক দিনের অনশন করতে পারেন। তিনি বলেন, 'নমস্কার।

শিক্ষা ও পরিবেশের সমর্থনে, সিজেপি এবং লাদাখের দাবির পক্ষে আজ আমি লবণ ও পানি খেয়ে অনশনের দ্বিতীয় দিনে আছি। এখানে অনেক মানুষ যোগ দিচ্ছেন। চাইলে আপনারাও এক দিনের জন্য এসে আমাদের সঙ্গে অনশনে অংশ নিতে পারেন।'

ওয়াংচুক আরো বলেন, কিছু মানুষ তিন থেকে পাঁচ দিনের জন্যও অনশন করছেন। তার মতে, এটি একটি ইতিবাচক সমর্থন। যারা যন্তর মন্তরে আসতে পারবেন না, তারা নিজেদের এলাকায় বসেও একই দাবিতে এক দিনের অনশন করতে পারেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সরকারের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করা, পরিবেশ রক্ষা এবং বিশুদ্ধ বাতাস ও পানির দাবিতে এই আন্দোলন করা যেতে পারে। এর আগে রবিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। একই স্থানে আগে থেকেই সিজেপির নেতৃত্বে শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছিল।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি ছিল, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।

অনশন শুরুর আগে ওয়াংচুক ও অভিজিৎ দিপকে রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। রবিবার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্যে ওয়াংচুক বলেন, ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। তার মতে, শিক্ষা খাতে জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার প্রথম ধাপ হতে পারে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। তিনি বলেন, 'ভালো শিক্ষা ছাড়া কোনো দেশ উন্নতি করতে পারে না। ভারতও উন্নত দেশ হতে চাইলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখায়, শিক্ষা খাতের স্বার্থ রক্ষায় ঘাটতি রয়েছে। আমাদের আন্দোলন সেই ব্যবস্থাকে ঠিক পথে ফেরানোর জন্য।'

এর আগে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যদি দুটি প্রধান দাবির অন্তত একটিতেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে তিনি অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করবেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং লাদাখের পরিবেশ, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা। এদিকে অভিজিৎ দিপকে অভিযোগ করেছেন, অনশন শুরুর কিছুক্ষণ পরই দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তনের পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, সেখানে এখন পানির সংযোগ নেই এবং পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নেই।

তিনি আরো দাবি করেন, কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ করার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আন্দোলনকারীরা আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে আরো মৌলিক সুবিধাও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%