ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

জামালপুরে জ্যান্ত শালিক পাখি খাওয়ার অভিযোগে 'বাজিখোর' গ্রেপ্তার


জামালপুরে জ্যান্ত শালিক পাখি খাওয়ার অভিযোগে

জামালপুরের মাদারগঞ্জে ৫০০ টাকা বাজিতে জীবিত শালিক পাখি খাওয়ার অভিযোগে সাদুল্লাহ (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাদুল্লাহ কোয়ালীকান্দী মধ্যপাড়া এলাকার হাফিজলের ছেলে। জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৪ টার দিকে সাদুল্লাহ মাদারগঞ্জ উপজেলার কোয়ালীকান্দী বাজারে একটি জীবিত শালিক পাখি কাঁচা খাবে বলে স্থানীয় কয়েক জনের সাথে ৫শত টাকা বাজি ধরেন। একপর্যায়ে সে একটি জীবিত শালিক পাখি কাঁচা খেয়েও ফেলেন।

বুধবার সকালে তার এই জীবিত পাখি খাওয়ার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে মাদারগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ তাকে জীবিত পাখি খাওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ডেঙ্গু রোগী ৩৯, মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৬৮০

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, সাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয় এবং শেরপুর বন বিভাগের কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়। তারা আমাদের এখানে আসেন। তারা এলে আসামীকে তাদের কাছে দিয়ে দেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে সাদুল্লাহ যাদের সাথে বাজি ধরেছিলো তাদের কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন সাবেক রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


মার্কিন সাবেক রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন

মোহাম্মদপুর থানায় সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সা বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৯ আসামির বিরুদ্ধে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালতে পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামানের সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ মামলায় মোট ২৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।

আসামিপক্ষের আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, "আজ এ মামলার সাক্ষী পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামীপক্ষ তাকে জেরা করে। জেরা শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষীর জন্য আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে এ মামলার বাদী ড. বদিউল আলম মজুমদারকে পুনরায় জেরা করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।"

মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন—ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানার সভাপতি নাইমুল হাসান, মোহাম্মদ ইশতিয়াক মাহমুদ, ফিরোজ মাহমুদ, মীর আমজাদ হোসেন, সাজু ইসলাম, রাজীবুল ইসলাম, শহিদুল আলম খান, সিয়াম ও অলি আহমেদ।

২০১৮ সালের ১০ আগস্ট রাতে মার্সা বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ড. বদিউল আলম মজুমদার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আব্দুর রউফ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়। ২০২২ সালের ২৮ মার্চ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় এবং গত বছরের ৪ ডিসেম্বর ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ড. বদিউল আলম মজুমদার, খুশি বেগম ও মাহবুবুল আলম মজুমদার তাদের জবানবন্দিতে জনৈক ইশতিয়াক মাহমুদের নাম উল্লেখ করেন। ২৭ ডিসেম্বর আদালত এ মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায় থেকে উত্তোলন করে অধিকতর তদন্তের জন্য ঢাকার সিএমএম বরাবর প্রেরণ করেন।

২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালত এ মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। তদন্ত শেষে ১৯ সেপ্টেম্বর ড. বদিউল আলম মজুমদারের শ্যালক মোহাম্মদ ইশতিয়াক মাহমুদসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার রাজন সাহা। পরে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরী অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। সম্পূরক অভিযোগপত্রে ২৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক ডিএমপি কমিশনার ফারুক ও স্ত্রীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


সাবেক ডিএমপি কমিশনার ফারুক ও স্ত্রীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক এবং তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার পাশাপাশি অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী এই আদেশ প্রদান করেন।

আদালত গোলাম ফারুকের ১ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের পাশাপাশি ৫টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ করার নির্দেশ দেন। এছাড়া, খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের যৌথ নামে থাকা ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং ২টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকার ফ্রিজ করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র, বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং আয়কর নথি পর্যালোচনা করা হয়েছে। খন্দকার গোলাম ফারুকের নামে দায়বাদে নিট সম্পদের মূল্য ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকাসহ তার মোট সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা। তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা। ফলে, তার আয়ের তুলনায় অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা বেশি, যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, খন্দকার গোলাম ফারুকের স্ত্রী শারমিন আক্তার খান একজন গৃহিণী। তার নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ৩ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকাসহ তার অর্জিত মোট সম্পদের মূল্য ৩ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে, তার আয়ের তুলনায় অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকা বেশি, যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বলে প্রতীয়মান হয়।

এ অবস্থায়, অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে উক্ত সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর, বিক্রয় বা অন্য কোনোভাবে গোপন বা বিলুপ্ত করার সুযোগ যাতে না থাকে এবং পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে সম্পদ সংরক্ষিত থাকে, সে জন্য অভিযুক্তদের নামীয় স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

রাজধানীর বারিধারায় নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে কর মামলায় গ্রেপ্তার ১৭ বছরের কিশোরের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার শিশু আদালত-৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন (মামুন) জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "শিশু হিসেবে এবং বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস হয়েছে" জানিয়ে জামিন আবেদন করা হয়েছিল। বাদীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুরের আদেশ প্রদান করে।

কিশোরের পক্ষে ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম জামিনের জন্য শুনানি করেন। উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবরও একই আদালত ওই কিশোরের জামিন নামঞ্জুর করেছিল।

গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৪ বছর বয়সি মেহেদী হাসান মিমকে চাপা দেয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম ২৩ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক আকাশ মারককে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম ছিল না।

বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ২৩ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরকে হেফাজতে নেয় গুলশান থানা পুলিশ। ২৪ তারিখে তাকে আদালতে হাজির করে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরেফীন ইসলাম।

ওই দিন আদালত ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের বাসায় চালের ড্রামে ৩৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, মা-ছেলে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


মায়ের বাসায় চালের ড্রামে ৩৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, মা-ছেলে গ্রেফতার

রাজধানীর ভাটারায় একটি আবাসনে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। ইয়াবা সংরক্ষণ ও ব্যবসার অভিযোগে মা মালা বেগম (৬২) এবং ছেলে মামুন চোকদার (৩৬) গ্রেফতার হন। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য এক কোটি দুই লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজার সংলগ্ন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। বুধবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফের নির্দেশনায় এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অধিদপ্তরের সদস্যরা এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের দুই সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যাদের নেতৃত্ব দেন পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খান।

অভিযান চলাকালে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটটি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় পশ্চিম পাশের কক্ষে রাখা চালের ড্রামের ভেতর একটি কফি রঙের কাপড়ের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের মধ্যে কাগজ ও স্কচটেপে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি।

ঘটনাস্থল থেকে মালা বেগম ও তার ছেলে মামুন চোকদারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) নামে আরেক নারীকে আসামি করা হলেও তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেফতার হওয়া দুজনের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার প্রকৃত মালিক সাহিদা বেগম ইতি। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ইয়াবা সরবরাহ করা হতো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেফতার হওয়া দুজন এবং পলাতক আসামির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চালানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%