সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
জমি নিয়ে বিরোধের কারণে প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাজির হয়েছেন একজন স্কুলের সহপাঠী। প্রায় চার দশকের পুরনো জমির সমস্যার সমাধানের জন্য ৮১ বছর বয়সী আসগর আলি বোহরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আবেদন করেছেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, স্কুলের পুরনো সহপাঠী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জমি বিরোধের বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুম্বাইয়ের মিরা রোডের বাসিন্দা বোহরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, গুজরাটের ভাদনগরের বিএন স্কুলে পড়াকালীন আসগর আলি বোহরা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহপাঠী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বোহরা বলেন, “জমি নিয়ে বিরোধের সমস্যা সমাধানের জন্য কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও পুলিশের কাছে ঘুরছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান।”
ভোহরা দাবি করেছেন, ভাইয়ান্ডার ইস্টের নাভঘরে প্রায় ২ হাজার ৮১০ বর্গমিটার জমি নিয়ে এই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, ১৯৮৯ সালে নিবন্ধিত চুক্তির মাধ্যমে তিনি ওই সম্পত্তি কিনেছিলেন।
তবে, ২০১১ সালে বেআইনিভাবে সেই জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বোহরার অভিযোগের মূল লক্ষ্য ‘স্বয়ম বিল্ডার্স’ এবং ‘সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনস’ নামের দুটি সংস্থা। তার দাবি, মূল মালিককে অন্ধকারে রেখে জাল দলিল তৈরি করা হয়েছে। এমনকি, তার জমিটি দুই ভাগে ভাগ করে ওই দুটি নির্মাণ সংস্থার নামে নামজারি করিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই পুরো ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক নরেন্দ্র মেহতার নামও জড়িয়েছে, কারণ আসগরের দাবি অনুযায়ী ‘সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনস’-এর সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে।
২০১৫ সালে এই বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এরপর গত কয়েক বছর ধরে পুলিশ, রাজস্ব বিভাগ এবং পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি ওই বৃদ্ধ। বর্তমানে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন রয়েছে।
তবে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্থানীয় প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে একটি বিশেষ শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে, যেখানে স্বয়ম বিল্ডার্স ও সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের আইনি লড়াইয়ের পর, স্কুলের পুরনো বন্ধু মোদির হস্তক্ষেপে এই জমি জট শেষমেশ কাটবে বলে আশায় বুক বাঁধছেন ৮১ বছরের আসগর আলি বোহরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জয়দেবপুর এলাকা থেকে ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ তিনজনকে আটক করেছে।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল রোববার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, দিনাজপুরের বিরামপুর থানার মৃত মহির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৮) ও তার স্ত্রী শেফালী খাতুন (৩০) এবং নাটোরের সিংড়া থানার চামারী ইউনিয়নের বিল দহর এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জয়দেবপুরে মূল চক্রের সদস্যরা মাদকের চালান হস্তান্তরের জন্য অবস্থান করছে, এমন তথ্য পেয়ে জয়দেবপুরের হান্ডি বিরিয়ানি দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে শেফালী খাতুন নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার ভ্যানিটি ব্যাগে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ পিস, তার স্বামী আব্দুস সালামের শপিং ব্যাগে ৩০০ পিস এবং শহিদুল ইসলামের ট্রাভেল ব্যাগে ৩০০ পিসসহ মোট ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করা হয়।
গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন বাসসকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে এসব কুপিজেসিক ইনজেকশন এনে গাজীপুরের টঙ্গীসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সরবরাহ করতেন।
তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে জেলা এবং মহানগর সহ অধীনস্থ ইউনিটসমূহে ঘোষিত সাত দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি একটি মেডিকেল টিম গঠন করেছে।
আজ সোমবার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশনার ভিত্তিতে এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
মেডিকেল টিমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
টিমের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল এবং ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল।
যুবদলের স্বাস্থ্য সম্পাদক এবং নবগঠিত মেডিকেল টিমের সদস্য ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে জানান, ‘দেশবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সচেতন করতে আমাদের এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই টিম কাজ করা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে যুবদলের কর্মী হিসেবে আমরা সবসময়ই প্রস্তুত।’
ডেঙ্গু সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে এই চিকিৎসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হলো সচেতনতা। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, জমা পানি দূর করতে হবে এবং এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হবে। পাশাপাশি মশারি ব্যবহার করা উচিত এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের পবিত্র কাবা শরিফে ওমরাহ পালনের ইচ্ছে ছিল তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে। তবে, সেই ইচ্ছা পূরণের পূর্বেই না ফেরার দেশে চলে যান তার মেয়ে কারিনা কায়সার। শোকার্ত এই বাবা এবার মেয়ের স্মৃতি ও অপূর্ণ ইচ্ছাকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় গেছেন ওমরাহ পালন করতে।
কারিনা তার পাশে নেই, তবে পাসপোর্টটি তার স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে। সেই পাসপোর্টটি সঙ্গে নিয়েই কায়সার হামিদ পবিত্র কাবা শরিফে পৌঁছেছেন। গত বছর থেকেই তিনি মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েক মাস আগে চেন্নাইয়ের ভেলোর ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কারিনা মারা যান।
মক্কা থেকে কারিনার পাসপোর্ট হাতে একটি আবেগঘন ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন কায়সার হামিদ। সেখানে তিনি মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনার কথা স্মরণ করে জানান, "কারিনা তাদের আগেই আল্লাহর কাছে চলে গেছে।"
মেয়ের শারীরিক উপস্থিতি না থাকলেও কায়সার বিশ্বাস করেন, আত্মিকভাবে কারিনা তার সঙ্গেই ছিল। তিনি জানিয়েছেন, স্বপ্নে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করার কথাও। সেই বিশ্বাস থেকেই কায়সার মনে করেন, কারিনাও তাদের সঙ্গে ওমরাহ পালন করেছে। পুরো সময় তিনি মেয়ের পাসপোর্টটিও নিজের সঙ্গে রেখেছিলেন।
উল্লেখ্য, অল্প সময়ের মধ্যে উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। পরে তিনি অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার সঙ্গেও যুক্ত হন। ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’-এর মতো আলোচিত সিরিজে কাজ করেছিলেন এই তরুণ প্রতিভা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশদের জন্য ২০টি বাইসাইকেল প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের দায়িত্ব পালনে গতিশীলতা বৃদ্ধি করবে।
আজ সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রাম পুলিশদের হাতে বাইসাইকেলগুলো তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।
এ সময় মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাউর রাব্বি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন, গ্রাম পুলিশ ও দফাদাররা তৃণমূল পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাইসাইকেলগুলো তাদের চলাচল সহজ করবে, যা দায়িত্ব পালনের সময় সহায়ক হবে। এর ফলে গ্রামীণ পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা ও সরকারি সেবাসংক্রান্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ