মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ এম
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার, সেনাসদরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি সম্পন্ন করে।
সাক্ষাৎকালে, তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করেন।
সোমবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি প্যাসিফিক (ইউএসএআরপিএসি) এর সঙ্গে ‘এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং’ এ বাংলাদেশ স্পেশাল ফোর্সের সদস্যদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও কর্মদক্ষতার প্রশংসা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজধানীতে প্রতিবাদী মোটরসাইকেল মিছিল করেছে, যা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের’ বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলটি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ মো. আদনান এর নেতৃত্বে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি মৎস্য ভবন মোড়, হাইকোর্ট, শিক্ষা ভবন, দোয়েল চত্বর, টিএসসি, ভিসি চত্বর, পলাশী, নীলক্ষেত, কাটাবন ও এলিফ্যান্ট রোড হয়ে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে শাহবাগে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সালেহ মো. আদনান বলেন, “সারা দেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। বিভিন্ন স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, যেকোনো ধরনের নৈরাজ্যজনক তৎপরতা ছাত্রদলের নেতৃত্বে রাজপথে প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর চালানো হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
ছাত্রদল নেতা সালেহ মো. আদনান আরও উল্লেখ করেন, “দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থাকবে।”
মিছিলে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম এবং বিভিন্ন কলেজ, থানা ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক যাত্রা নিয়ে শুভকামনা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মুশফিকুল ফজল আনসারী আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের মঞ্চে তারেক রহমানের বক্তব্য বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। অধিবেশনের সাইডলাইনে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে তার বৈঠক বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও সম্ভাবনাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, গত দেড় দশকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিএনপিসহ যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিরা নিউইয়র্কে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এবার তারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে মুশফিকুল ফজল আনসারী লেখেন, ব্যক্তিগত আশা-প্রত্যাশার ঊর্ধ্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালী সদর উপজেলায় অটোরিকশায় চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. বোরহান উদ্দিন ওরফে রিপন (২৮) নামের এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব চর উরিয়া গ্রামের খলিল মিয়ার দরজার হোরন মিয়ার রিকশা গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিপন ওই গ্রামের মো. মিলনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সারাদিন অটোরিকশা চালানোর পর রাতে গ্যারেজে ফিরে রিপন নিজের অটোরিকশায় চার্জ দিচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউচারউজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ও অব্যাহত কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা এবং আশ্রয়দাতা বাংলাদেশি জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বিচার ও জবাবদিহির প্রক্রিয়ায় সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ওআইসির রোহিঙ্গাবিষয়ক কন্টাক্ট গ্রুপের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।
বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে সীমিত সম্পদের মধ্যে থেকেও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (এফডিএমএন) আশ্রয় দিয়ে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের শুরু থেকে নতুন করে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতিবছর রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে। ফলে এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট এখন শুধুমাত্র মানবিক সমস্যা নয়, বরং এর প্রভাব আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপরও পড়ছে।
বাংলাদেশের বক্তব্যে সতর্ক করে বলা হয়, অনিয়মিত সমুদ্রপথে যাতায়াত, মানব পাচার, মাদক পাচারসহ আন্তঃদেশীয় অপরাধের ঝুঁকি বাড়ছে। সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে, এসব ঝুঁকিও তত বাড়বে। আজকের নিষ্ক্রিয়তা আগামী দিনের হুমকিকে আরও তীব্র করতে পারে।
বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলা হয়, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও মিয়ানমারেই হতে হবে। তাই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এ জন্য মিয়ানমারে তাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
ওআইসির ২০২৬-২০৩৫ সালের ১০ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়াকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। তবে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বোঝা ও দায়িত্ব ভাগাভাগি আরও জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বক্তব্যে জানানো হয়, ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানে রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা বাংলাদেশি জনগণের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষের জন্য ৭১ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার প্রয়োজন। কিন্তু ২০২৫ সালের তুলনায় এবারের আবেদন ২৬ শতাংশ কমানো হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এর অর্থ প্রয়োজন কমে যাওয়া নয়; বরং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা ব্যবস্থার বাস্তবে কতটা অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব—তার প্রতিফলন।
এ অবস্থায় রোহিঙ্গা সংকটে জরুরি, পূর্বানুমেয় ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তা দিতে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। প্রায় এক দশক ধরে এই সংকটের ভার বহন করে আসা বাংলাদেশের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকেও সহায়তার আওতায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ একা এই বোঝা বহন করতে পারবে না: বক্তব্যে এ বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।
রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার ও জবাবদিহির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) করা মামলায় ওআইসি সদস্য দেশগুলোর কূটনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার প্রশংসা করে বাংলাদেশ।
বক্তব্যে জানানো হয়, বাংলাদেশ সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের জন্য ওআইসি তহবিলে প্রায় ১৩ লাখ মার্কিন ডলার দিয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়তায় ব্যবহারের কথা। একই সঙ্গে বাগদাদে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিলের বৈঠকেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার প্রত্যাশা জানানো হয়।
বাংলাদেশের বক্তব্যে বলা হয়, জবাবদিহি শুধু অতীতের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার বিষয় নয়; ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে, তা প্রতিরোধের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বিচার ও জবাবদিহির ব্যবস্থাগুলোতে ওআইসির সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় তিনটি তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো—জাতিসংঘ ও আসিয়ানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা, ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের জন্য জরুরি ও পূর্বানুমেয় অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বিচার ও জবাবদিহির প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা।
শেষে বলা হয়, প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতি, মানবিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অঙ্গীকারের পরীক্ষা নিয়েছে। সময়ের সঙ্গে এই সংকটকে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করা যাবে না। মানবিক ক্লান্তি যেন রাজনৈতিক উদাসীনতায় পরিণত না হয়।
রোহিঙ্গাদের শুধু সাময়িকভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ নয়, তাদের নিজ ভূমিতে একটি ভবিষ্যৎ প্রয়োজন। বক্তব্যে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ওআইসিকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ