ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফরেনসিক অডিটে আওয়ামী সরকারের জিডিপির তথ্যে গরমিল পাওয়া গেছে: অর্থমন্ত্রী


ফরেনসিক অডিটে আওয়ামী সরকারের জিডিপির তথ্যে গরমিল পাওয়া গেছে: অর্থমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময়কালে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) সহ বিভিন্ন পরিসংখ্যানে কিছু গরমিল চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত কমিটি ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে এসব অসংগতি শনাক্ত করেছে। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ একটি কমিটি প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করছে। পর্যালোচনার পর শিগগিরই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে।

রোববার জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির বক্তব্যেও একই তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন, বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন ও পরিকল্পনায় নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালন করা হয়। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য হলো নির্ভরযোগ্য ও সহজলভ্য পরিসংখ্যান, টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনার ভিত্তি।

অনুষ্ঠানে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "প্রশ্নবিদ্ধ পরিসংখ্যান দিয়ে কোনো কাজ করা যায় না। এটি নিজের সঙ্গে প্রতারণা করার মতো।" তিনি আরও বলেন, সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো তথ্য। তাই বিবিএসকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে। জনবলের ঘাটতির বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।

ফরেনসিক অডিটের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, "অতীতের কোনো উদ্যোগকে আক্রমণ করা এর লক্ষ্য নয়। বরং সমস্যার গভীরে গিয়ে প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করাই এর উদ্দেশ্য।" সঠিক তথ্য-উপাত্ত ছাড়া বৈষম্য দূর করা কিংবা সুনির্দিষ্ট গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তথ্য ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমির খসরু বলেন, বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ সময় তিনি ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ওয়ালেট, ওয়ান কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ

তিনি বলেন, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও গণমুখী ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। যাতে অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়। সরকার রাজনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি অর্থনীতিরও গণতান্ত্রিকীকরণ করতে চায়। অর্থনীতি গণমুখী ও গণতান্ত্রিক না হলে রাজনৈতিক গণতন্ত্র অর্থহীন হয়ে পড়ে। অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্তের বিকল্প নেই।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পরিসংখ্যানকে মানুষকে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে মনগড়া পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে। নৌ-শুমারিতে এর বড় প্রমাণ পাওয়া গেছে। সেখানে ইঞ্জিনচালিত নৌকার সংখ্যা দেখানো হয়েছিল মাত্র ১৩ হাজার। অথচ প্রকৃত সংখ্যা দুই লাখ ৬৭ হাজার।

উপদেষ্টা আরও বলেন, অতীতের ভুল ও সাজানো তথ্যের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন করায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। যাদের সহায়তা পাওয়ার কথা, তারা বাদ পড়েছেন। আবার অযোগ্য ব্যক্তিরা সুবিধা পেয়েছেন। বিগত সরকারের অপশাসনের কারণে দেশে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। তাদের প্রকৃত অবস্থা বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা পৌঁছাতে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, অতীতে জিডিপি যেভাবে নিরূপণ করা হয়েছে, তার যথাযথ বাস্তব ভিত্তি ছিল কিনা, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও বিআইডিএসের যৌথ গবেষণায় জিডিপি নিরূপণের পদ্ধতিতে যথেষ্ট গলদ পাওয়া গেছে। এসব অসংগতি প্রমাণসহ জনসমক্ষে তুলে ধরা হবে।

আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরিসংখ্যান ব্যবস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধে ইতোমধ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) এখন কম্পিউটার অ্যাসিস্টেড পারসোনাল ইন্টারভিউ (ক্যাপি) পদ্ধতিতে মাঠ পর্যায়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে। তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে যুক্ত হচ্ছে এবং সেখান থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। আগে তথ্য প্রকাশের জন্য মন্ত্রীর স্বাক্ষরের প্রয়োজন হতো। এখন সেই প্রক্রিয়া তুলে দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসির উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ইংরেজিতে সর্বাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১০ এম


এইচএসসির উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ইংরেজিতে সর্বাধিক

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন পরীক্ষার্থী। এসব পরীক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিষয়ভিত্তিক মোট আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি। ইংরেজি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)।

আজ রোববার সন্ধ্যায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য মোট ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। বিষয়ভিত্তিক আবেদন সংখ্যা ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি। ইংরেজি বিষয়ে আবেদন সংখ্যা কত তা তিনি জানাতে পারেননি, তবে আইসিটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন হয়েছে।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সময় ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে আবেদনের সময় বাড়িয়ে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত করা হয়।

গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাস করেছেন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন। এর মধ্যে ইংরেজিতে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন। বিষয় দুটিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনেও ইংরেজি ও আইসিটি এগিয়ে রয়েছে।

এদিকে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আগামী ১ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। তবে এ পর্যন্ত কতজন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন, তা আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমির শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবি রিহ্যাবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১১ এম


জমির শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধের দাবি রিহ্যাবের

আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিহ্যাব দাবি করেছে, জমির শেয়ার বিক্রি করে নির্দিষ্ট ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে পরিচালিত অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধ হওয়া উচিত। সংগঠনটির বক্তব্য, এ ধরনের ব্যবসায়িক মডেল ক্রেতার অর্থ, জমির মালিকানা, ফ্ল্যাটের আইনগত অধিকার এবং ভবনের নিরাপত্তাকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ফেলছে। ইতোমধ্যে, এই ধরনের ব্যবসায়িক মডেলের কারণে প্রায় ৪০ হাজার নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

রোববার, রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাবের সভাপতি ড. আলী আফজাল এসব বিষয় তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে আবাসন খাতে উদ্বেগজনকভাবে একটি ব্যবসায়িক মডেল শুরু হয়েছে, যেখানে জমির নির্দিষ্ট অংশ বিক্রি করে ভবিষ্যতে ফ্ল্যাট নির্মাণ ও হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ভবনের অনুমোদিত নকশা, নির্মাণের সক্ষমতা, অর্থের ব্যবহার, ফ্ল্যাটের সুনির্দিষ্ট অবস্থান এবং হস্তান্তরের আইনি নিশ্চয়তা স্পষ্ট নয়। এর ফলে ক্রেতা অর্থ বিনিয়োগ করেও নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট না পাওয়ার, বৈধ মালিকানা বুঝে না পাওয়ার কিংবা বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত না পাওয়ার সমস্যায় পড়ছেন।

রিহ্যাবের সভাপতি আরও বলেন, তারা বৈধ যৌথ মালিকানা বা স্বচ্ছ বিনিয়োগ ব্যবস্থার বিরোধিতা করছেন না। তবে যৌথ উদ্যোগের নামে এ ধরনের ব্যবসা চলতে দেওয়া যায় না, যেখানে অর্থের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটের অধিকার, বৈধ মালিকানা, নির্মাণের দায় এবং চূড়ান্ত হস্তান্তরের নিশ্চয়তা নেই, রাজস্ব পরিশোধ ও আইন অনুসরণের বাধ্যবাধকতা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব আবাসন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ভবনগুলোকে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও কারিগরি যাচাই করা জরুরি। প্রচলিত আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জমির মালিকানা, প্রকল্প অনুমোদন, নকশা, নির্মাণবিধি, প্রকৌশলগত নিরাপত্তা, কর ও ভ্যাটসহ সব ধরনের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে হয়। কিন্তু শেয়ারভিত্তিক প্রকল্পে তদারকি হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এতে নিয়ম মেনে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে।

রিহ্যাব জানিয়েছে, জমির মালিকানা, শেয়ার বিক্রি, ফ্ল্যাট বরাদ্দ, নির্মাণ ব্যয় ও দখল নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হচ্ছে। অবিভক্ত অংশের মালিকানা থাকলে ফ্ল্যাট বিক্রি, ব্যাংকে বন্ধক, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন এবং পৃথক মালিকানা প্রতিষ্ঠায় জটিলতা দেখা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে শেয়ারভিত্তিক প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগে ৯ হাজার ৮২৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলায় প্রায় ৪০ হাজার ক্রেতা এবং প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দুই-তিন বছরে শেয়ারভিত্তিক আবাসন প্রকল্প-সংক্রান্ত মামলা ও আইনি জটিলতায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা আটকে যেতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রিহ্যাবের সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তদন্তের নামে তিন মাস ধরে সংগঠন হিসেবে রিহ্যাবের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান তদন্তের প্রতি রিহ্যাবের পূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে। তবে তদন্তের অজুহাতে সংগঠনের নেতৃত্ব, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নিয়মিত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।

তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তদন্ত চলতে পারে, কিন্তু সে কারণে সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষক-কর্মচারীরা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১১ এম


শিক্ষক-কর্মচারীরা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুখবর

২০২২ ও ২৩ সালে অবসর ও কল্যাণ ভাতার জন্য আবেদনকারী বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা দ্রুত পরিশোধের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়।

কমিটির সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ এই তথ্যটি জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আজ অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ২০২২ ও ২০২৩ সালে অবসর ও কল্যাণ ভাতার জন্য আবেদনকারী বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা দ্রুত পরিশোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আওতায় প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আজকের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসন হবে বলে আশা করছি। শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।’

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে জমে থাকা অনিষ্পন্ন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কমিটি অর্থের প্রাপ্যতা অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে পাওনা পরিশোধের সুপারিশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পল্লবী থানায় ককটেল বিস্ফোরণে এসআরবি সদস্য আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১২ এম


পল্লবী থানায় ককটেল বিস্ফোরণে এসআরবি সদস্য আহত

রাজধানীর পল্লবী থানার প্রাঙ্গণে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণের ফলে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) একজন সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন।

রবিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত ফ্লাইওভারের ওপর থেকে থানার প্রাঙ্গণে ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, অজ্ঞাতপরিচয় দুই দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে করে এসে পল্লবী থানার পাশের ফ্লাইওভারের ওপর থেকে থানার প্রাঙ্গণে একটি ককটেল নিক্ষেপ করে। বিস্ফোরণ ঘটলে থানার গেটের ভেতরে অবস্থানরত এসআরবি-৪-এর এক সদস্যের শরীরে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশের ছিটে লাগে। এর ফলে তিনি সামান্য আহত হন।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, "আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যেই থানা প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।" এ ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%