ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবির তিন শিক্ষার্থী আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেল


ইবির তিন শিক্ষার্থী আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেল

আইন ও বিচার বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্দেশ্যে ১৪ জনকে ইন্টার্ন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় তাদের তিন মাস মেয়াদে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ প্রদান করেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে তিন শিক্ষার্থী এই সুযোগ পেয়েছে।

আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৮ থেকে ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর আওতায় একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আদেশটি ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী হলেন, ল' এন্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফি, আইন বিভাগের ১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে খুলছুম বিপাশা এবং আল ফিকহ এন্ড ল বিভাগের ১৮-১৯ বর্ষের মো. রাকিব হাসান।

আরও পড়ুন: জবিতে এবার খেলাফত ছাত্র মজলিসের গরুভোজের ঘোষণা, থাকছে কাওয়ালি

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মনোনীত ইন্টার্নদের নিজ নিজ নির্ধারিত কর্ম-এলাকার সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ/প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।

ইন্টার্নশিপ শুরুর পূর্বে মনোনীতদের আইন ও বিচার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এছাড়া যোগদানের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, অভিভাবকের সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, ইন্টার্নশিপের মেয়াদ তিন মাস হবে। ইন্টার্নশিপ শুরু হবে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি ২০২৭। ইন্টার্নদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা হারে ইন্টার্নশিপ ভাতা প্রদান করা হবে। ভাতা ছাড়া অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা প্রদান করা হবে না।

এছাড়া ‘ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২০’-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ইন্টার্নদের নির্ধারিত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে দাখিল করতে হবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি সনদ বা এনওসি দাখিলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: চুয়েট উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না

অফিস আদেশে মোট ১৪ জন মনোনীত ইন্টার্নের নাম, পিতার নাম, নিজ জেলা এবং কর্ম-এলাকা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দেশের বিভিন্ন জেলা ও সংশ্লিষ্ট আইন ও বিচার-সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ইন্টার্নশিপের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে।

ইবি শিক্ষার্থী রাকিব মন্তব্য করেন, "আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে ইন্টার্ন হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। এখানে সরাসরি বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি আইনি ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে শেখার এক দারুণ সুযোগ পাবো। আমাদের কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলা দায়ের থেকে নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়সহ আদালতের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ সদস্য নিয়ে অনলাইনে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ এম


৬ সদস্য নিয়ে অনলাইনে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম মাত্র ছয়জন সদস্য নিয়ে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা আয়োজন করেছেন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি, শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার উদ্যোগ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি দূর করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তবে, অংশগ্রহণকারী এক সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন যে সভা থেকে বড় কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

এক সিন্ডিকেট সদস্য মন্তব্য করেছেন যে, সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সদস্যরা মতামত দিয়েছেন যে, কোথাও ভুল-বোঝাবুঝি বা যোগাযোগের ঘাটতি থাকলে তা দূর করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে, বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উপাচার্য জানাবেন।

সভায় অংশ নেওয়া আরেক সিন্ডিকেট সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান বলেছেন, "উপাচার্য ছাড়া চুয়েটের অন্য কোনো শিক্ষক সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন না। সভার বিষয়ে উপাচার্য নিজেই বিস্তারিত জানাবেন বলে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।"

চুয়েটের সিন্ডিকেটে মোট সদস্য সংখ্যা ১৭ জন। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্যের পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সভায় অনুপস্থিত কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, ছুটি, পরিবারের সদস্যের অসুস্থতা এবং ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে তারা সভায় যোগ দিতে পারেননি।

এদিকে, সিন্ডিকেটের সচিবের দায়িত্বে থাকা রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন যে, তিনি আগেই রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। ফলে, সিন্ডিকেটের সচিব হিসেবেও তিনি আর দায়িত্ব পালন করছেন না।

প্রায় ৩০ ঘণ্টা উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকার পর, গত মঙ্গলবার ক্যাম্পাস ছাড়েন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ তাকে ভবন থেকে বের করে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর, বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ফিরে তিনি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন। সভার সিদ্ধান্ত জানতে উপাচার্যের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশও কর্মবিরতি ও অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে, ক্লাস-পরীক্ষাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়টি আলোচনায় এলেও, কবে নাগাদ ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েট উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ এম


চুয়েট উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম কর্তৃক আহ্বান করা অনলাইন সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সিন্ডিকেট সদস্য উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত এই সভায় যুক্ত থাকা এক সদস্য জানিয়েছেন, তিনি সভায় থাকার সময় চুয়েটের কোনো সিন্ডিকেট সদস্যকে অংশ নিতে দেখেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত রীতি অনুসারে, সিন্ডিকেট সভা সাধারণত সশরীরে অনুষ্ঠিত হয়। যদি কোনো সদস্য বিশেষ কারণে সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারেন, তবে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। কিন্তু এবার পুরো সভা অনলাইনে আয়োজন করাকে প্রচলিত চর্চার ব্যতিক্রম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চুয়েটের সিন্ডিকেটে মোট ১৫ জন সদস্য রয়েছেন। সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালনকারী রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বর্তমানে ওই দায়িত্বে নেই বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, "রেজিস্ট্রার পদ থেকে আগেই পদত্যাগ করেছি। ফলে সদস্যসচিব হিসেবে আমি আর দায়িত্বে নেই।" সভার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও জানান।

সিন্ডিকেট সদস্য এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. রাশিদুল হাসান জানান, পরিবার নিয়ে ছুটিতে বান্দরবানে থাকায় তিনি সভায় যোগ দিতে পারেননি। সভার বিষয়ে তার কাছে কোনো হালনাগাদ তথ্যও নেই।

অন্য এক সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল জানান, তার মা অসুস্থ থাকায় তিনি সভায় অংশ নিতে পারেননি।

এছাড়া চুয়েটের ভেতরে ও বাইরের কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি।

সভায় অংশ নেওয়া সিন্ডিকেট সদস্য এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুর রহমান বলেন, তিনি পুরো সভায় যুক্ত থাকতে পারেননি। তবে যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ চুয়েটের কোনো সিন্ডিকেট সদস্যকে যুক্ত হতে দেখেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে চার থেকে পাঁচজন সদস্য সভায় যুক্ত ছিলেন। সভার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে উপাচার্য সবাইকে জানাবেন।"

সভা সম্পর্কে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে অপসারণ করে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও আন্দোলনে যোগ দেন। বিক্ষোভ, মানববন্ধন, মিছিল ও কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ অধিকাংশ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

গত ১২ অক্টোবর সকালে নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে প্রশাসনিক ভবনে গেলে আন্দোলনকারীরা তাকে অবরুদ্ধ করেন। প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় প্রশাসনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ বোধ করায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ১৫ অক্টোবর তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ফেরেন।

এ পরিস্থিতির মধ্যে ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় ভার্চ্যুয়ালি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন উপাচার্য। তবে অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আলোচনা উঠে আসা একটি দুঃখজনক বিষয়। তিনি বলেন, "সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য।" অতীতে অনেকেই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সবাই সমান অধিকারের অধিকারী। সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চা, আচার-অনুষ্ঠান পালন ও উপাসনালয় প্রতিষ্ঠার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না।" তিনি আরও বলেন, "তবে কেন পূজার সময় নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে কথা বলতে হয়, তা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক।"

তিনি জানান, পৃথিবীর সব দেশেই কোনো না কোনো ধর্মের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ, কিন্তু সব দেশেই বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ বসবাস করেন। নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবেও প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকা উচিত।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "অতীতে আপনাদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা অনেকেই লুটেছেন। আমরা সেই প্রসঙ্গে যাব না। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে আপনারা নিজেরাই বিচার করবেন, কোন সময়ে আপনাদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কারও ভোটব্যাংক হওয়ার প্রয়োজন নেই।"

তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মানুষের নিজস্ব বিশ্বাস, রীতিনীতি ও আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে। এগুলো মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি। তাই প্রত্যেক ধর্মাবলম্বীর উচিত অন্য ধর্মের বিশ্বাস ও ধর্মীয় আচারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরগুলোতেও দুর্গাপূজাসহ সব ধর্মীয় উৎসব মানুষ স্বাধীনভাবে ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সরকার সব সময় সহযোগিতা করবে।

বনানী পূজামণ্ডপের আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও নকশায় মণ্ডপটি সাজানো হয়েছে, যা প্রশংসনীয়। তিনি আয়োজকদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন।

৩৩ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপের দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: আইজিপি

একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির জানান, সারা দেশে ৩৩ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।

আইজিপি বলেন, দায়িত্ব পালনের পরও একটি পক্ষ থেকে পূজার আয়োজন নিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে, যা দুঃখজনক। তিনি জানান, যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে সুযোগ নিতে চায়, তারা এমন চেষ্টা করতেই পারে। তবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত, ‘এরশাদ ফাইটার্স’ চ্যাম্পিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


পাবনায় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত, ‘এরশাদ ফাইটার্স’ চ্যাম্পিয়ন

পাবনার সাঁথিয়ায় প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামবাংলার লোকজ ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। লক্ষাধিক মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে এ নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভাধীন আফতাবনগর-ছেচানিয়া সেতুসংলগ্ন ইছামতী নদীতে এ বর্ণাঢ্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। নদীর তীরজুড়ে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। দর্শকেরা নদীর দুই পাড়ে অবস্থান নিয়ে উৎসবে অংশ নেন এবং নৌকাবাইচের অনবদ্য আনন্দ উপভোগ করেন। শিশু, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ—সবাই যেন ফিরে যান শিকড়ের সেই আনন্দঘন গ্রামীণ উৎসবে।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ সহকারী (যুব ও কর্মসংস্থান) সাইয়েদ আবদুল্লাহ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ আল হাসান আসিফ, সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব সালাউদ্দিন খান পিপিএম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিকসহ অনেকে।

এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় ১১টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ‘এরশাদ ফাইটার্স’ প্রথম স্থান অধিকার করে পুরস্কার অর্জন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%