মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩১ পি.এম
গাজায় দখলদার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সামরিক কার্যক্রম নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘নাজা’-র নির্মাতাদের সমর্থনে দুই শতাধিক ইসরাইলি চলচ্চিত্র নির্মাতা একটি পিটিশনে সই করেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এই নির্মাতাদের মধ্যে অরি ফোলম্যান ও শ্লোমি এলকাবেটজের মতো খ্যাতনামা পরিচালকেরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শিল্প ও সাংবাদিকতার মূল কাজ হলো সমাজে আয়না ধরা।’
ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ৮৩তম আসরে তথ্যচিত্রটি স্পেশাল জুরি প্রাইজ জেতার পর নির্মাতা ইউভাল আব্রাহাম এবং রাচেল জোর বিভিন্ন সমালোচনা ও হুমকির সম্মুখীন হন। তাদের প্রতি সমর্থন জানাতেই চলচ্চিত্র নির্মাতারা একত্রিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ইসরাইলের সংস্কৃতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী মিকি জোহর দেশের নির্মাতাদের এই কাজকে ‘দেশদ্রোহিতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাদের ইসরাইলি নাগরিকত্ব বাতিলের হুমকি দিয়েছেন।
তবে ইসরাইলি আইন অনুযায়ী, সংস্কৃতিমন্ত্রীর একার পক্ষে কারো নাগরিকত্ব বাতিল করার ক্ষমতা নেই; এর জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া প্রয়োজন।
তথ্যচিত্রে কী তুলে ধরা হয়েছে?
ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এবং ‘জেডব্লিউ ফিল্মস’-এর যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘নাজা’ তথ্যচিত্রটি ২৪ জন বেনামি ইসরাইলি সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। গাজায় নজরদারি, টার্গেট নির্বাচন এবং হামলার প্রক্রিয়া এতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
হিব্রু ভাষায় ‘নাজা’ শব্দটি কোনো হামলায় সম্ভাব্য সাধারণ মানুষের মৃত্যু বা ‘কোলাটারাল ড্যামেজ’-কে বোঝায়। তথ্যচিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে টার্গেট নির্ধারণ এবং সাধারণ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও হামলা চালানোর মতো গুরুতর বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
তথ্যচিত্রটির নির্মাতাদের মতে, এটি কোনো একক সেনার ভুল নয়, বরং ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক নীতির ফলস্বরূপ।
এদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী তথ্যচিত্রে উপস্থাপিত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, বেনামি উৎস থেকে পাওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব নয়। তারা আরও জানায়, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়, বরং সামরিক নিয়ম মেনে মানুষই এসব হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, এর আগে এই দুই নির্মাতা ফিলিস্তিনি নির্মাতাদের সঙ্গে মিলে অস্কারজয়ী তথ্যচিত্র ‘নো আদার ল্যান্ড’ তৈরি করেছিলেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২০ সালের সীমান্ত সংঘর্ষের পর কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক প্রায় পাঁচ বছর স্থবির থাকার পর, অবশেষে ভারত ও চীনের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৫ সালের আগস্টে তিয়ানজিনে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে চীন সফর করেন। এটি ছিল ২০১৮ সালের পর তার প্রথম চীন সফর। এরপর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারত সফর করেন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে।
এশিয়ার দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তির শীর্ষ নেতাদের এই মেলামেশা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
নতুন দর কষাকষি ও কূটনৈতিক কৌশল
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসনের নীতির কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা দিল্লি ও বেইজিংয়ের জন্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করার একটি মোক্ষম সময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সীমান্ত সমস্যা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা—এই সব বিষয় নিয়েই বর্তমানে উভয় দেশের মধ্যে একটি জটিল দরকষাকষি চলছে।
ভারতের পক্ষ থেকে তিনটি বড় দাবি উত্থাপন করা হয়েছে: সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা, ন্যায্য বাজার সুবিধা বা বাণিজ্য ঘাটতি দূর করা এবং সাপ্লাই চেইনের নিরাপত্তা। অন্যদিকে, চীন তিব্বত ও তাইওয়ানের মতো ইস্যুতে ‘এক চীন’ নীতি মেনে নেওয়ার জন্য ভারতকে চাপ দিচ্ছে এবং স্থিতিশীল সীমান্তের বিনিময়ে বাড়তি অর্থনৈতিক সুবিধা দাবি করছে।
বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে চীনের যুক্তি হলো, ভারতের ‘চীন থেকে সরে আসার’ কৌশল ব্যর্থ হয়েছে, কারণ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১৫৫.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে ভারতের পালটা যুক্তি হলো, অভ্যন্তরীণ চাহিদা তৈরি করতে না পারা এবং রপ্তানির ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতার কারণে চীনের অর্থনীতি বর্তমানে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক যখন নড়বড়ে, তখন ভারতীয় বাজার ধরে রাখা দেশটির জন্য খুবই জরুরি।
‘পারস্পরিক ছাড়’-এর সীমাবদ্ধতা
চীনকে আশ্বস্ত করতে ভারত ইতোমধ্যে বিনিয়োগ নীতি সংশোধন এবং সরাসরি ফ্লাইট চালুর মতো বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে তাইওয়ান ও তিব্বত ইস্যুতে চীনকে শক্ত হাতে প্রতিহত করছে ভারত।
ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ১৯৬৩ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভারতীয় ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে চীন। এর জবাবে ভারত সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি জায়গার নতুন নামকরণও করেছে।
অন্যদিকে, সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হলেও বিগত দুই বছরে সীমান্তে ‘বাফার জোন’ তৈরি এবং সংকট ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। কৈলাশ মানসসরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু এবং নদী সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান চালুর মাধ্যমে বেইজিংও কিছুটা সদিচ্ছা দেখিয়েছে।
ব্রিকস ও নতুন ঐকমত্য
এদিকে ডলারমুক্তকরণ বা জ্বালানি নিরাপত্তার মতো ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, বৈশ্বিক অস্থিরতার মুখে ভারত ও চীন নতুন এক ঐকমত্যে পৌঁছেছে। তাদের মূল বার্তা হলো—সব মতপার্থক্য দূর না করেও বৃহত্তর স্বার্থে প্রতিদ্বন্দ্বীরাও একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
তবে চীনের হাতে ব্রিকসের দায়িত্ব যাওয়া এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর মতো বিষয়গুলোতে ভবিষ্যতে এই দুই দেশের মধ্যকার বোঝাপড়া বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়বে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, ট্রাম্প প্রশাসনের অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে দুই দেশের সম্পর্ক দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তবে নিজেদের লাভ নিশ্চিত করে দেশ দুটি প্রতিপক্ষকে কতটুকু ছাড় দেবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান এমপি মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরায় ফিরে আসা যেন কোন মায়ের বুক খালি করতে না পারে এবং স্বজনদের প্রতীক্ষায় থাকতে না হয়, এমন একটি পরিবেশ যেন আর ফিরে না আসে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের মধ্যে মতের অমিল থাকতে পারে, তবে একটি জায়গায় আমাদের মিল থাকতে হবে, যেহেতু এই দেশ আমাদের। এই দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে ফ্যাসিজমের পথ বন্ধ করা জরুরি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি, জেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বাগেরহাট -৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন, পুলিশ সুপার হাছান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পারকিনসন্স রোগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই এবং এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘বব হোপ হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন কানাডীয়-মার্কিন অভিনেতা মাইকেল জে ফক্স। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এমি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে ৬৫ বছর বয়সী এই অভিনেতাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
টেলিভিশন একাডেমি জানায়, পারকিনসন্স রোগের গবেষণায় তার রূপান্তরমূলক অবদান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজে ফক্সকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
মঞ্চে আসার আগে একটি ভিডিওর মাধ্যমে ফক্সের অভিনয় জীবন এবং পারকিনসন্স রোগের বিরুদ্ধে তার দীর্ঘ সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়। হুইলচেয়ারে করে মঞ্চে আসার পর দর্শকদের দাঁড়িয়ে অভিবাদনের মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানানো হয়। পুরস্কার গ্রহণের সময় মাইকেল জে ফক্স আবেগী কণ্ঠে তার শৈশব এবং প্রয়াত কমেডিয়ান বব হোপের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমি এর জন্য কৃতজ্ঞ। আমরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছি, তাতে আমি গর্বিত।’
রোগ লুকানোর পরিবর্তে সচেতনতার প্রতীক হয়ে ওঠা
মাত্র ২৯ বছর বয়সে ১৯৯১ সালে ‘ডক হলিউড’ সিনেমার কাজ করার সময় প্রথমবারের মতো পারকিনসন্স রোগের লক্ষণ দেখা দেয় তার শরীরে। তবে ৭ বছর পর, ১৯৯৮ সালে, তিনি জনসমক্ষে প্রথমবারের মতো এই রোগের কথা জানান।
শুরুর দিকে বিষয়টি গোপন রাখলেও পরে তিনি বুঝতে পারেন যে, রোগ মেনে নেওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়। কিন্তু রোগের কারণে কথা বলতে এবং লাইন মুখস্থ করতে সমস্যা হওয়ায় ২০২০ সালে অভিনয় থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তিনি।
তবে এর আগেই ২০০০ সালে তিনি ‘মাইকেল জে ফক্স ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা পারকিনসন্স রোগের গবেষণার জন্য তহবিল সংগ্রহ করে। পাঁচবারের এমি বিজয়ী এই অভিনেতা অবসরের সিদ্ধান্ত ভেঙে ২০২৫ সালে অ্যাপল টিভি প্লাসের জনপ্রিয় সিরিজ ‘শ্রিংকিং’-এ অভিনয় করেন এবং চলতি বছর তার ১৯তম এমি মনোনয়ন অর্জন করেন।
উল্লেখ্য, বব হোপ হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড মূলত টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির এমন কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া হয়, যার জনহিতকর কাজগুলো কমেডিয়ান বব হোপের সমাজসেবামূলক আদর্শের সঙ্গে মিলে যায়। ২০০২ সালে প্রবর্তিত এই পুরস্কার এর আগে অপরাহ উইনফ্রে, জর্জ ক্লুনি এবং শন পেনের মতো বিশ্বখ্যাত তারকারা পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে হাবিবা আক্তার ইতি। সে পুলিশের এসআই নবী হোসেনের মেয়ে।
ইতির এই সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে খুশি ও আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। ইতির মা মোছাঃ পারভীন খানম জানান আমার মেয়ে ইতি ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী ছিল, নিয়মিত পড়াশোনা, অধ্যাবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সে এ কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি বলেন -
ইতি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।
হাবিবা আক্তার ইতির এই সাফল্যে গর্বিত তার বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজন এবং শিক্ষক শিক্ষিকা। তারা ইতির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
ইতির বাবা সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার এসআই নবী হোসেন বলেন, মেয়ের ফলাফলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তার এই সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিক সহযোগিতা ও মেয়ের পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতেও সে যেন ভালো রেজাল্ট ও আদর্শ মানুষ হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ইতির কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ