ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ৪৩৮


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ৪৩৮

ভেনেজুয়েলায় গত জুন মাসে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬,৪৩৮ জনে পৌঁছেছে। সোমবার দেশটির কর্তৃপক্ষ সর্বশেষ এই মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রায় দুই মাস পরে, এখনও ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজদের সন্ধানে স্বজন এবং উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।

সংবাদ সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার জর্জ রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, নতুন হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা গত সপ্তাহের ৬,৩০১ জন থেকে বেড়ে ৬,৪৩৮ জন হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

গত ২৪ জুন, ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এতে অন্তত ১৯০টি ভবন ধসে পড়ে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে প্রায় ৬০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর মধ্যে প্রায় ২৪ হাজার বাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

হাজার হাজার মানুষ এখনো অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয়ে রয়েছেন। সেখানে বসবাসের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন।

রাজধানী কারাকাসে চলতি সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের থাকার কয়েকটি তাঁবুও নষ্ট হয়ে যাওয়া report.

আরও পড়ুন: মাদরাসা বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একীভূত করার পরিকল্পনা সরকারের

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নতুন ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকার।

সরকার বছরের শেষ নাগাদ ৪ হাজার ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, বর্তমানে পর্যন্ত মাত্র ৩৩৫টি ঘর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে বাটলারের কড়া বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে বাটলারের কড়া বার্তা

এএফসি উইমেনস চ্যাম্পিয়নস লিগে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে রাজশাহী স্টার্স। বাংলাদেশের জাতীয় দলের ১৯ খেলোয়াড় নিয়ে গড়া দলটির এই ধরনের পারফরম্যান্সে বিস্মিত হয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ পিটার বাটলার।

পিটার বাটলার তাঁর মতে, ক্লাব ও জাতীয় দলের পরিবেশ এক নয়।

প্রশ্ন: রাজশাহী স্টার্সের দলে জাতীয় দলের ১৯ জন খেলোয়াড় ছিলেন। এরপরও ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে দল। কী ভুল হয়েছে বলে মনে করেন? এই পারফরম্যান্সে কি আপনি অবাক?

পিটার বাটলার: আমি সত্যিই খুব অবাক হয়েছি।

কারণ আমি আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম। মেয়েরা জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার আগে আমি তাদের বলেছিলাম, ২৩ জুলাই থেকেই তাদের ছেড়ে দিতে আমি প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু কোনো এক কারণে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ৯ আগস্ট পর্যন্ত সময় চেয়েছিল, যেটা আমার কাছে বেশ দেরি মনে হয়েছিল। তবে আমি এ বিষয়ে আর জড়াইনি।

আমি চেয়েছিলাম আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে, কিন্তু ক্লাবের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আমার সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী নয়।

প্রশ্ন: জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মান এবং এএফসি ক্লাব প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রয়োজনীয় মানের মধ্যে যে পার্থক্য দেখা গেল, সেটি নিয়ে কতটা উদ্বিগ্ন?

পিটার বাটলার: এটা আবারও প্রমাণ করে যে ক্লাবের পরিবেশ আর জাতীয় দলের পরিবেশ এক নয়। আমাকে আবারও কঠোরভাবে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করতে হবে এবং দেখতে হবে, কারা নিজেদের আরামদায়ক অবস্থানে চলে গেছে। তাদের বাস্তবতা বুঝতে হবে। অনেক মেয়ের মধ্যে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া যেন তাদের অধিকার—এমন একটা মানসিকতা তৈরি হয়েছে।

এটা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। এ কারণেই আমি নিয়মিত খেলোয়াড়দের দলে আনা-নেওয়া করি। কেউই জাতীয় দলে নিজের জায়গাকে নিশ্চিত ধরে নিতে পারে না। কিন্তু অনেকেই সেটাই ধরে নিচ্ছে।

প্রশ্ন: এই পারফরম্যান্স কি প্রস্তুতির ঘাটতি, কৌশলগত সমস্যা, নাকি দুই দলের মানের বড় পার্থক্যের ফল?

পিটার বাটলার: খুব ভালো একটা কথা আছে—‘প্রস্তুতিতে ব্যর্থ হলে, ব্যর্থতার জন্যই প্রস্তুত হতে হয়।’ আমি ছয় সপ্তাহের একটি প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুসরণ করি। প্রথম দুই সপ্তাহে থাকে ফিটনেসের ভিত্তি তৈরি করা। পরের দুই সপ্তাহে আমরা ম্যাচভিত্তিক অনুশীলন করি—বল পজেশনে থাকা ও না থাকা অবস্থায় কী করতে হবে, বিভিন্ন ড্রিল, খেলার নির্দিষ্ট বিষয় ও কৌশল নিয়ে কাজ করি। শেষ দুই সপ্তাহে থাকে ট্যাকটিকস, কৌশল, ম্যাচ পরিকল্পনা এবং প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা বিশ্লেষণ।

এসব কাজ আমি দলের ভেতরেই করি। খুব ভোরে অনুশীলন হয় এবং পুরো প্রক্রিয়াটি গোপন রাখা হয়। আমি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে বসে কিবোর্ডে যুদ্ধ করা মানুষ নই। আমরা একটি পেশাদার দল এবং আমরা সংগঠিতভাবে কাজ করি। পুরো প্রস্তুতি প্রক্রিয়ায় প্রতিদিন জিপিএস ডেটা নেওয়া হয় এবং প্রতিদিন ও প্রতি সপ্তাহে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। ফলে গত পাঁচ-ছয়টি ম্যাচে কোন খেলোয়াড় কত মিটার দৌড়িয়েছে, হাই-স্পিড ডিস্ট্যান্সে (এইচএসডি) তার সংখ্যা ও শতাংশ কত—এসব তথ্য আমার কাছে থাকে। সেই ডেটা দেখে আমি বুঝতে পারি কারা জিপিএস তালিকার নিচের দিকে রয়েছে।

প্রশ্ন: জাতীয় দলের এই খেলোয়াড়দের আপনি খুব ভালোভাবে চেনেন। এই ম্যাচ দেখার পর তাদের খেলায় কোন কোন জায়গায় দ্রুত উন্নতি প্রয়োজন বলে মনে করছেন?

পিটার বাটলার: অবশ্যই। অনেক খেলোয়াড়কে আমি গত ছয় থেকে নয় মাস ধরে পর্যবেক্ষণ করছি, এশিয়ান কাপের অনেক আগ থেকেই। আমি তাদের ফিটনেস, রক্ষণভাগের নীতি, দ্রুত ফিরে এসে রক্ষণে অবস্থান নেওয়া এবং কাউন্টার-প্রেসিংয়ের জায়গাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি।

আমরা নির্দিষ্ট কিছু ট্রিগার পয়েন্ট থেকে উচ্চগতিতে ও তীব্রতার সঙ্গে প্রেস করে খেলার গতি তৈরি করতে চাই। সেখান থেকেই দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ তৈরি হয়। খেলোয়াড়েরা এই দিকটা অনেক সময় পছন্দ করে না, কারণ এর জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়। একই বিষয় বারবার অনুশীলন করতে হয়। আর আমি প্রতিদিনই সেটা তাদের মাথায় ঢোকানোর চেষ্টা করি। আমরা প্রতিটি অনুশীলন সেশনের জিপিএস ডেটা সংরক্ষণ করি। ফলে শুধু সংখ্যাগুলো দেখেই বোঝা যায়, কোন দিনের কোন অনুশীলন সেশনের তথ্য সেটা।

প্রশ্ন: এমন একটি ফল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রস্তুতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে? আরও উচ্চমানের ম্যাচের জন্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের কীভাবে প্রস্তুত করা যায়?

পিটার বাটলার: নেতিবাচকতা যদি জমতে দেওয়া হয়, তাহলে এর প্রভাব অনেক বড় হতে পারে। ভালো কিংবা খারাপ—দুটি ধরনের শারীরিক ভাষাই সংক্রামক। কোনো খেলোয়াড় ভালো খেললে সে নিজেও সেটা জানে, কোচরাও জানেন। সেটার প্রভাব তার আত্মবিশ্বাস, মেজাজ এবং চলাফেরায় দেখা যায়। আত্মবিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর একজন তরুণ খেলোয়াড়ের উন্নতির জন্য কঠোর বিশ্লেষণও অপরিহার্য। আমি নিজেও যখন খেলোয়াড় ছিলাম, ভালো খেললে কিংবা ভালো না খেললে আমার আচরণ ও মানসিকতায় বড় পার্থক্য দেখা যেত।

তবে সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব কোচিং বিভাগের। তাদেরই অনুশীলন পরিকল্পনা করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী সেশন পরিচালনা করতে হবে। আমাদের একটি কথা আছে—‘অতিরিক্ত অনুশীলনই সবকিছু।’ এগুলোই একজন গড়পড়তা খেলোয়াড় আর একজন ভালো খেলোয়াড়ের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এই অতিরিক্ত কাজগুলোকে উপেক্ষা করলে খুব দ্রুত সমস্যায় পড়তে হবে। আমি আরও অনেক খেলোয়াড়কে গত ছয় থেকে নয় মাস ধরে দেখছি। যারা পরিশ্রম করবে, যারা নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করবে, তাদেরই সুযোগ দেওয়া হবে। জাতীয় দলে কারও জায়গা নিশ্চিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিসে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


গ্রিসে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

গ্রিসের সিফনোস দ্বীপে ঘটে যাওয়া একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সোমবার তিনজন নিহত হয়েছেন। ফায়ার ব্রিগেডের কর্মকর্তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, হেলিকপ্টারটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই দুর্ঘটনার শিকার হয়। দুর্ঘটনার ফলে পাইলট ও দুই যাত্রী নিহত হন। তবে এই দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ছবিতে দুর্ঘটনাস্থল হিসেবে একটি জায়গা দেখা গেছে।

জায়গাটি ছিল শুকনো পাহাড়ের ঢালে। সেখানে আগুনের একটি বড় গোলা থেকে কালো ধোঁয়ার একটি স্তম্ভ উঠতে দেখা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে দূতাবাসের সতর্ক বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


৪ দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে দূতাবাসের সতর্ক বার্তা

সংগৃহীত ছবির মাধ্যমে জানা যায় যে, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব ধরনের অনলাইন প্ল্যাটফরম ব্যবহারে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস, যা বুখারেস্টে অবস্থিত।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে, এই দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে এই পরামর্শ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করার কিংবা যোগাযোগের সুযোগ থাকলেও অসতর্ক পোস্ট, মন্তব্য, ছবি বা ভিডিও বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি করতে সক্ষম। বিশেষ করে ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয়ে চরম সতর্কতা অবলম্বন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

যেকোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা ভালোভাবে যাচাই করা উচিত; সংশ্লিষ্ট দেশের আইন পরিপন্থী, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার না করা উচিত। সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে—এমন যেকোনো পোস্ট বা কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দূতাবাস জানায়, বিদেশের মাটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশের স্থানীয় আইন-কানুন, সামাজিক মূল্যবোধ ও প্রথার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করা আবশ্যক।

সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বশীল ব্যবহার যেমন একজন ব্যক্তিকে অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে, তেমনি এটি বিদেশে বাংলাদেশের মর্যাদা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অতএব, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসকারী সকল বাংলাদেশিকে অত্যন্ত সংযত, সম্মানজনক ও আইনসম্মত উপায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে বুখারেস্ট দূতাবাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫১ এম


সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া শিশু দুটির নাম হলো তাসমিন ও তামিম।

তাদের বয়স যথাক্রমে ৬ মাস এবং ৯ মাস। এর ফলে সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৮ জনে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা মোট ৩২১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৯ জন। একই সময়ে ১১৫ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত বিভাগে মোট ৯৮৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত (কনফার্মড) হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে ৬ জন নিশ্চিত হামের রোগী হিসাবে চিহ্নিত হয়েছেন সেটিও নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাকিরা সন্দেহভাজন রোগী।

এদিকে, রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার (১৬ আগস্ট) পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৮০৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরো ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে এ সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০৮ জনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%