ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে বরিশাল নগরীতে ডিবির আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান


মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে বরিশাল নগরীতে ডিবির আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান

বান্দ রোড থেকে বগুড়া রোড—বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ আভিযানিক টিমের তৎপরতা

মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বরিশাল মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার বিশেষ আভিযানিক টিম নগরীর *বান্দ রোড, রূপাতলী, সাগরদী, সিএন্ডবি রোড, বটতলা ও বগুড়া রোড* এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।

বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল নগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি জোরদার করা।

অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আকস্মিক চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি করা হয়। একই সঙ্গে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি, চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বরিশাল মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী অভিযান এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি ও নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিএমপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে মানব পাচার প্রতিরোধে পুলিশ কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


মাদারীপুরে মানব পাচার প্রতিরোধে পুলিশ কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

মানব পাচার প্রতিরোধ, ভিকটিম শনাক্তকরণ এবং মানব পাচার-সংক্রান্ত মামলার তদন্ত দক্ষতা বাড়াতে মাদারীপুরে এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৪ অক্টোবর সকালে ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, মাদারীপুরে জেলা পুলিশের আয়োজনে এবং ব্র্যাকের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন, পাচারের শিকার ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ ও সুরক্ষা, মামলা তদন্তের কৌশল, সংশ্লিষ্ট আইনগত কাঠামো এবং ভিকটিমকেন্দ্রিক সেবা প্রদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের পরিবর্তনশীল কৌশল মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতা ও তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংবেদনশীল ও ভিকটিমকেন্দ্রিক আচরণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনেও গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রশিক্ষণে মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক ও উপপুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ সাব্বির হোসেন (ডিএসবি), সহকারী পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দিন কাদের (শিবচর সার্কেল)সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে স্লোগান দেওয়া হয়—“স্বপ্নের নামে প্রতারণা—সমুদ্রপথে বিদেশ যাবো না।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অক্টোবরে রেমিট্যান্সে ৭৭ কোটি ডলার, বেড়েছে ১১.৮০%

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


অক্টোবরে রেমিট্যান্সে ৭৭ কোটি ডলার, বেড়েছে ১১.৮০%

চলতি মাসের প্রথম সাত দিনের মধ্যে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের মুদ্রায় ৯ হাজার ৫২০ কোটি ২০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে) বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরিফ হোসেন জানান, বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৫৮৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গত বছরের অক্টোবরের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৬৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর ফলে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৯৩৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৮২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির দ্বিতীয় সমাবর্তনের ফি ও অংশগ্রহণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


জবির দ্বিতীয় সমাবর্তনের ফি ও অংশগ্রহণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রফেশনাল বা সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ এবং সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জবির দ্বিতীয় সমাবর্তনে অংশ নিতে স্নাতক (সম্মান), বিবিএস ও সমমান ডিগ্রিধারীদের রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে মূল সনদের জন্য দিতে হবে আরও ৫০০ টাকা। ফলে সনদসহ একজন নিয়মিত গ্র্যাজুয়েটের মোট খরচ দাঁড়াচ্ছে ৫ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, প্রফেশনাল বা সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীদেরও সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়ে তাঁদের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা।

এবারের সমাবর্তন ফি নিয়ে শিক্ষার্থীদের আপত্তির অন্যতম কারণ আগের সমাবর্তনের তুলনায় ফি বৃদ্ধি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি নেওয়া হয়েছিল। ছয় বছর পর দ্বিতীয় সমাবর্তনে সেই ফি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার টাকায়। অর্থাৎ প্রথম সমাবর্তনের তুলনায় এবার রেজিস্ট্রেশন ফি ২ হাজার টাকা বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফি নির্ধারণের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ বলেন, সদ্য পড়াশোনা শেষ করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য একসঙ্গে ৫ হাজার বা সনদসহ ৫ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করা কঠিন। তাদের মতে, সমাবর্তন একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে ফি ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে এক শিক্ষার্থী বলেন, যেখানে সরকারের তেমন বরাদ্দ থাকে না, তারপরও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি কম। অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি প্রথম সারির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার এখানে বরাদ্দ দেয়। তারপরও এতে এত ফি রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখি না। এই অর্থের কারণে অনেক শিক্ষার্থীই সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবে না। প্রশাসনের উচিত ফি কমিয়ে সবাইকে সুযোগ করে দেওয়া।

আরেক শিক্ষার্থী আরটিভিকে বলেন, আমি মাত্রই অনার্স শেষ করেছি। ৫ হাজার টাকা একসঙ্গে জোগাড় করা আমার জন্য কঠিন। এত বেশি ফি নির্ধারণ করা হলে সমাবর্তনের আনন্দটাই অনেকের জন্য ম্লান হয়ে যাবে। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ফি কমানো উচিত।

এদিকে, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রফেশনাল ও সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীদের একই সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থী আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রফেশনাল কোর্সের শিক্ষার্থীদের একই অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত করা হলে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও সমাবর্তনের স্বাতন্ত্র্য প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

এ বিষয়ে একজন শিক্ষার্থী আরটিভিকে বলেন, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রফেশনাল কোর্সের শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আমাদের অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। সমাবর্তন নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের অর্জন ও সম্মানের একটি স্বীকৃতি। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা।

প্রফেশনাল ও সান্ধ্যকালীন শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন আরও এক সাবেক শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, রেগুলার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত সান্ধ্যকালীন শিক্ষার্থীদের সমাবর্তন কেন? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যদি তাদেরকে সমাবর্তন দিতে হয়, তাহলে সেটা আলাদাভাবে দিক, কোনো আপত্তি নেই।

তিনি আরও বলেন, রেগুলার শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫/৬ ব্যাচ সিনিয়রদের সাথেও যে বন্ডিং থাকে, সেই সুবাদে সমাবর্তনের আনন্দ ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য দুটোই ইফেক্টিভ হবে বলে বিশ্বাস করি। সান্ধ্যকালীন কোর্স দিয়ে আপনারা ব্যবসা করবেন, সেটা ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন। আপনাদের কেউ নিষেধ করেনি। কিন্তু সান্ধ্যকালীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রেগুলার শিক্ষার্থী, যারা দীর্ঘ ৫ বছর ক্যাম্পাসের প্রতিটি কালচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তাদের সঙ্গে প্যারালাল করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করুন।

সাবেক শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক ইউসুব উসমানও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, প্রফেশনাল বা ইভিনিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের একই সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্ত করা এবং আগের সমাবর্তনের তুলনায় ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনে অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত হতে পারেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন আরটিভিকে বলেন, ছয় বছর আগে সমাবর্তনের ফি ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ছয় বছর আগের ফি এখন রাখলে কী হবে—তোমরাই বিবেচনা করো। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব এক নয়। তাদের ফান্ডে অনেক টাকা থাকে, আর সরকারের ভর্তুকিও নেই। অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে কত টাকা আছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। ফি পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত তো আমি একা নেই না। সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন বিবেচনা করা হবে কি না, সেটাও আমি একা বলতে পারি না।

সান্ধ্যকালীন বা প্রফেশনাল কোর্সের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, প্রথম সমাবর্তনেও তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এবার তাদের বাদ দিলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, যেহেতু তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি সার্টিফিকেট পায়, তাই সব বিশ্ববিদ্যালয়েই সান্ধ্যকালীন শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সমাবর্তন উপলক্ষে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান আইসিটি মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩০ এম


শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান আইসিটি মন্ত্রীর

ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : শিশুদের ডিজিটাল পরিবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বৈশ্বিক সহযোগিতা, অংশীজনদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সর্বোত্তম আন্তর্জাতিক অনুশীলন বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার মস্কোয় অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল চাইল্ডহুড উইদাউট বর্ডার্স: বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিসেস ফর চাইল্ড সেফটি অনলাইন’ শীর্ষক বিজনেস আইটি ব্রেকফাস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ‘গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরাম ও অ্যালায়েন্স ফর দ্য প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্ট’কে সময়োপযোগী এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এর ফলে শিশুরা শিক্ষা ও বিকাশের জন্য অনলাইন জগতের সুযোগ গ্রহণ করছে। তবে, একইসাথে তারা নতুন ও পরিবর্তনশীল বিভিন্ন ধরনের অনলাইন ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে। শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আর শুধু অভিভাবক বা শিক্ষকদের দায়িত্ব নয়; বরং সরকার, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সুশীল সমাজসহ সকল অংশীজনের সম্মিলিত দায়িত্ব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিশুদের তথ্য সুরক্ষা এবং অনলাইন শোষণ থেকে রক্ষায় সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল সুরক্ষা আইন ও আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে, শুধুমাত্র এই ধরনের আইন দিয়ে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সর্বোত্তম অনুশীলন এবং কার্যকর ও বিস্তৃত পরিসরে প্রয়োগযোগ্য সমাধান বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আলোচ্য ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স টু প্রোটেক্ট চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্ট’- এর ড্রাফট জয়েন্ট স্টেটমেন্ট ও টার্মস অব রেফারেন্স পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী রুশ সরকারকে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত দলিলটি জাতিসংঘের ‘কনভেনশন অন দ্য রাইটস অব দ্য চাইল্ড’- এর আলোকে শিশু অধিকারভিত্তিক একটি সমন্বিত কাঠামো উপস্থাপন করেছে।

মন্ত্রী প্রস্তাবিত উদ্যোগের তিনটি মূল নীতির প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া, সকল অংশীজনের যৌথ দায়িত্ব নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম অনুশীলন বিনিময় করা।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে বহুপক্ষীয় অংশীজন কাঠামো গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। এতে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিজস্ব বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও অভিজ্ঞতা বৈশ্বিক কৌশল প্রণয়নে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সাথে ডিজিটাল চাইল্ডহুড সেফটি ইনডেক্স এবং গবেষণা ও সর্বোত্তম অনুশীলন বিনিময়ের জন্য একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, শিশু, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধিও এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে অনলাইন ক্ষতির বিরুদ্ধে একটি কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স টু প্রোটেক্ট চিলড্রেন ইন দ্য ডিজিটাল এনভায়রনমেন্ট- এর জয়েন্ট স্টেটমেন্টে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। অনলাইন বুলিং, যৌন হয়রানি, তথ্য চুরি এবং অন্যান্য ডিজিটাল ক্ষতি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় অ্যালায়েন্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে বাংলাদেশ আগ্রহী। জাতীয় নীতি ও বৈশ্বিক সহযোগিতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিতে এই অ্যালায়েন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয়তা নির্বিশেষে প্রতিটি শিশু যেন নিরাপদ, সৃজনশীল ও নির্ভয়ভাবে ডিজিটাল জগৎ অন্বেষণ করতে পারে- এমন একটি ভবিষ্যৎ নির্মাণে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

তিনি জানান, আজকের সম্মিলিত উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিনিয়োগ এবং আমাদের নির্মিত ডিজিটাল ভবিষ্যৎকে শুধু সংযুক্ত নয়, বরং নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিশুবান্ধব করে তুলতে হবে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক এই ফোরামে ১০০টির অধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%