ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারী টেনিসে নতুন দিগন্ত: ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত শার্লটে ডব্লিউটিএ ফাইনালস


নারী টেনিসে নতুন দিগন্ত: ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত শার্লটে ডব্লিউটিএ ফাইনালস

বিশ্ব নারী টেনিসের সবচেয়ে সম্মানজনক টুর্নামেন্ট ‘ডব্লিউটিএ ফাইনালস’ আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার শার্লট শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত এই তিন বছরের জন্য শার্লট শহরটি ডব্লিউটিএ ফাইনালস আয়োজনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর, ওমেন্স টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউটিএ) এবং শার্লট স্পোর্টস ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করেছে।

 

এই চুক্তির আওতায় শুধুমাত্র টুর্নামেন্টের আয়োজনই নয়, বরং ডব্লিউটিএ তাদের গ্লোবাল হেডকোয়ার্টার ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে স্থায়ীভাবে শার্লটে স্থানান্তরিত করবে। এর ফলে, শার্লট শহরটি বিশ্ব নারী টেনিসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই তথ্যটি বিবিসিতে প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

 

টুর্নামেন্টের প্রধান ম্যাচগুলো শার্লট হর্নেটসের হোম ভেন্যু স্পেকট্রাম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। ভক্তদের জন্য বিভিন্ন আয়োজন এবং অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য নিকটবর্তী শার্লট কনভেনশন সেন্টার ব্যবহার করা হবে। ২০২৭ সালের আসরটি ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

সৌদি আরবের রিয়াদের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নারী টেনিস সংস্থাটি এই নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নীত করবে: জহির উদ্দিন স্বপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় ক্রিকেট লিগে আট বিভাগের জন্য আট রঙের ব্যাগি ক্যাপের নতুন আবহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


জাতীয় ক্রিকেট লিগে আট বিভাগের জন্য আট রঙের ব্যাগি ক্যাপের নতুন আবহ

টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে ব্যাগি ক্যাপের সম্পর্ক দীর্ঘকালীন। এবার বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও ঐতিহ্যের এই ছোঁয়া যুক্ত হলো।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) আট বিভাগের জন্য আলাদা রঙের ব্যাগি ক্যাপ চালু করেছে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ ও গর্ব বৃদ্ধি করা।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের টাইগার্স ডেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আট বিভাগের অধিনায়কদের হাতে বিশেষ এই ক্যাপ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, কয়েকজন পরিচালক, জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ, জাতীয় দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনসহ অন্যান্য অতিথিরা।

আট বিভাগের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে আটটি আলাদা রং। দলের পোশাকেও থাকবে সেই রঙের প্রভাব। সাবেক ক্রিকেটারদের সহযোগিতায় বর্তমান অধিনায়কদের মাথায় পরিয়ে দেওয়া হয় এই ক্যাপ।

চট্টগ্রামের অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বির প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ২০১২ সালে। তিনি জানান, এমন আয়োজন এবারই প্রথম দেখছেন। তার মতে, ব্যাগি ক্যাপ কেবল একটি টুপি নয়, বরং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি প্রতীক।

খুলনার অধিনায়ক মিঠুন আলীর অভিজ্ঞতা আরো পুরনো। ২০০৬ সালে তার ক্রিকেটে পথচলা শুরু হয়। তখন জাতীয় লিগে দৈনিক ভাতা ছিল মাত্র ৮০০ টাকা। ২০ বছর পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দেড় লাখ টাকা।

মিঠুন মনে করেন, এই পরিবর্তন আরো আগেই আসা উচিত ছিল। এখন ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্বের মান উন্নত করার সময় এসেছে।

রাজশাহীর অধিনায়ক প্রিতম কুমারের কাছে ব্যাগি ক্যাপের আবেদন ভিন্ন। তার মতে, এই ক্যাপ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তরুণদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের জন্য আরো বেশি আগ্রহী করে তুলবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের পারিশ্রমিকও দ্বিগুণ করেছে বিসিবি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ম্যাচ ফি এক লাখ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রংপুরের অধিনায়ক আকবর আলী মনে করেন, সুযোগ-সুবিধা বাড়ার সঙ্গে ক্রিকেটারদের দায়িত্বও বেড়েছে। মাঠে ভালো ক্রিকেট উপহার দেওয়ার কাজ এখন তাদেরই।

আগামী ৩ অক্টোবর শুরু হবে এবারের এনসিএল। গত কয়েক মৌসুম ডিউক বলে খেলা হলেও এবার কুক্কাবুরা বলে ফিরছে দেশের এই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী শিল্পী রাধারমণ দত্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী শিল্পী রাধারমণ দত্ত

রাধারমণ দত্ত পুরকায়স্থ (১৮৩৩–১৯১৫) ছিলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের কৃতী সন্তান। তিনি বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম প্রধান লোককবি, সাধক, গীতিকার ও সুরকার হিসেবে পরিচিত। জগন্নাথপুর উপজেলা সরকারি তথ্যেও তাঁকে বাংলা লোকসংগীতের পুরোধা লোককবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। �
জগন্নাথপুর উপজেলা +1
রাধারমণের পিতা রাধামাধব দত্ত ছিলেন একজন পণ্ডিত ও সাহিত্যসাধক। তিনি জয়দেবের গীতগোবিন্দ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। পিতার সাহিত্য ও সংগীতচর্চার গভীর প্রভাব রাধারমণের ওপর পড়ে। অল্প বয়স থেকেই তিনি সাহিত্য, সংগীত ও আধ্যাত্মিক সাধনার প্রতি আকৃষ্ট হন। �
জগন্নাথপুর উপজেলা
পরবর্তী জীবনে রাধারমণ দত্ত দেহতত্ত্ব, ভক্তিমূলক গান, প্রেম, বিরহ, ভজন ও ধামাইলসহ বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য গান রচনা করেন। তাঁর ধামাইল গান সিলেটসহ বৃহত্তর অঞ্চলের লোকসংস্কৃতিতে বিশেষ জায়গা করে নেয়। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক আয়োজনে ধামাইল গান গাওয়ার ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর নাম গভীরভাবে যুক্ত। �
জগন্নাথপুর উপজেলা +1
স্ত্রী গুণময়ী দেবী ও কয়েকজন সন্তানকে হারানোর পর তাঁর জীবনে বৈরাগ্যের প্রভাব আরও গভীর হয়। পরে ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই ভাই একই সাজে বর-পাত্রীপক্ষ কাকে খুঁজে নেবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

খায়রুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


দুই ভাই একই সাজে বর-পাত্রীপক্ষ কাকে খুঁজে নেবে?

গোবিন্দগঞ্জের নাকাই ইউনিয়নে একটি রোমাঞ্চকর ও আনন্দঘন বিয়ের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের পাটোয়া গ্রামের আমতলী এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলামের দুই সন্তান মো. সাজ্জাদ ও শাহেদকে নিয়ে ঘটেছে একটি ব্যতিক্রমী আনন্দের ঘটনা।

বড় ভাই মো. সাজ্জাদের বিয়ের উপলক্ষে ছোট ভাই শাহেদকে ঘিরে এই বিশেষ আয়োজনের আয়োজন করা হয়েছে। এই বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজনরা একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন।

এটি একটি আনন্দময় মুহূর্ত ছিল, যেখানে সবাই একত্রিত হয়ে নতুন জীবনের শুরুতে সাজ্জাদকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত রঙিন এবং প্রাণবন্ত।

এ ধরনের আয়োজন সমাজে একটি সুন্দর বার্তা দেয় এবং পরিবারের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।

এটি ছিল একটি স্মরণীয় দিন, যা দীর্ঘদিন মনে রাখা হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন সুখবর দিলেন ওমর সানী ও মৌসুমী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


নতুন সুখবর দিলেন ওমর সানী ও মৌসুমী

দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকায় অবস্থান করলেও ঢাকাই সিনেমার খ্যাতনামা নায়িকা মৌসুমী কাজের কারণে অথবা বিভিন্ন কারণে মাঝে মাঝে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে আসেন। পারিবারিক কারণে দূরে থাকলেও, হঠাৎ করে ভক্তদের জন্য তিনি একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে উপস্থিত হয়েছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, চিত্রনায়ক ওমর সানী তার ফেসবুক পেজে মৌসুমীর এই ভিডিওটি শেয়ার করার পর থেকে এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

প্রধানত, নিজেদের পারিবারিক রেস্টুরেন্ট ব্যবসার নতুন উদ্যোগের বিষয়ে জানাতে এই ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। ভিডিওতে মৌসুমী বলেন, তাদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি রেস্টুরেন্ট’-এর প্রথম শাখা মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

এখন, সাভারের হেমায়েতপুরে রেস্টুরেন্টটির নতুন শাখা উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে। আগামী শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হবে। ঐতিহ্যবাহী ‘চাপ’-এর পাশাপাশি, এই নতুন শাখায় সব ধরনের বাঙালি খাবার পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

এদিকে, এই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আরেকটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে। এর আগে প্রায়ই ওমর সানী ও মৌসুমীর দাম্পত্য জীবন নিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যেত।

তবে সম্প্রতি একটি ভিডিও কলে তাদের সাবলীল কথোপকথন এবং এবার রেস্টুরেন্ট ব্যবসার প্রচারে মৌসুমীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সব গুঞ্জনকে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েছে।

এতে স্পষ্ট হয় যে, সমস্ত গুঞ্জনকে পেছনে ফেলে এই তারকা দম্পতির সম্পর্ক ও বোঝাপড়া এখনো বেশ সুমধুর ও অটুট রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%