মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৯ এম
ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি ভুয়া ও আপত্তিকর ভিডিওর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও একপর্যায়ে তিনি প্রতিবাদে সরব হন। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পাশাপাশি, এ ধরনের হয়রানির বিরুদ্ধে অন্য নারীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। কিছুদিন আগে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ইনস্টাগ্রাম পেজ হ্যাক করে সেখানেও ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরীমনি। তাঁর এই অবস্থানের জন্য অনেকেই প্রশংসা করছেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সমর্থন ও প্রশংসা তাঁকে আরও সাহস জোগাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সবাই যখন আমার সাহসকে সম্মান জানায়, তখন আরও সাহস পাই। মনে হয়, আমি সঠিক পথে আছি।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সামনে এসে পরীমনি জীবনে বারবার নানা ঝামেলায় পড়ার প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা; সারাজীবন ঝামেলা হবে, এটাই মেনে নিয়েছি। এটা আমার ভালো লাগে, এনজয় করি।’
তবে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের হয়রানির বিষয়টি গুরুতর বলে উল্লেখ করেন তিনি। পরীমনি বলেন, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাননি। কিন্তু পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছেন।
তিনি জানান, ‘বিষয়টা অনেক সেনসিটিভ। আমার মতো মানুষ এটা গায়েই লাগানোর কথা না। প্রথম তিন-চার দিন তো পাত্তা দেইনি। যখন দেখলাম, এটা আর এভয়েড করতে পারছি না, তখন গিয়ে কথা বললাম। কোনো সাধারণ মেয়ের ক্ষেত্রে হলে অনেকে সুইসাইডও করে ফেলে। সেসব নিয়ে অহরহ নিউজ হয়েছে। সুতরাং এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া জরুরি।’
এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া কনটেন্টের মাধ্যমে হয়রানি কেবল ব্যক্তিগত সম্মানহানির বিষয় নয়, বরং ভুক্তভোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণেই পরীমনি মনে করেন, এমন ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সচেতনতা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার মধ্য কালিমান্তান অঞ্চলে পিটভূমিতে জ্বলতে থাকা আগুন থেকে উৎপন্ন বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশ। কয়েক সপ্তাহ ধরে এই ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ফিলিপাইনের কিছু অংশের বায়ুমান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়াতে এ কারণে কয়েক দশ হাজার মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, এমনটি জানিয়েছে বিবিসি।
মধ্য কালিমান্তানের বিস্তীর্ণ পিটভূমিতে আগুনের ভয়াবহতা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে বিবিসি। অনেক স্থানে মাটির নিচে আগুন জ্বলছে, এবং সেখান থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। বাতাসে ছড়িয়ে পড়া পোড়া মাটির তীব্র গন্ধ পরিবেশকে ভারী করে তুলেছে।
পিটভূমির আগুন নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন, কারণ আগুন কেবল মাটির ওপরের গাছপালা বা শুকনো পাতায় সীমাবদ্ধ থাকে না। মাটির নিচে থাকা জৈব পদার্থেও আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে বাইরের দিক থেকে আগুন নিভে গেছে বলে মনে হলেও ভূগর্ভে তা জ্বলতে থাকে এবং নতুন করে ধোঁয়া ছড়ায়।
এবারের আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধিতে অস্বাভাবিক শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর ফলে শুষ্ক আবহাওয়া দীর্ঘায়িত হয়ে পিটভূমি ও বনাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
ধোঁয়ায় সৃষ্ট দূষণ নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ সিঙ্গাপুরও এই সংকটের জন্য দায়ী বলে বিবেচিত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার দৃঢ় সংকল্পকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। তথ্যসূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে রংপুরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন।
তিনি ঢাকা থেকে একটি সামরিক বিমানে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফারহাদ হোসেন আজাদ, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু, বিভাগীয় কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোটর শোভাযাত্রায় রংপুরের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে তিনি তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরে দুটি পথসভায় বক্তব্য রাখবেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে তিন জেলার সফরে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার আনন্দপুর-তিলপাড়া সড়কের মধ্যবর্তী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় একের পর এক ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, যাত্রীদের আটকে ছুরি, দা ও বল্লম দিয়ে আঘাত করে টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এতে সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ, যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য এম এ হান্নান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরও একই এলাকায় আরও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ ২০ অক্টোবর সকালেও মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রিকশাযাত্রীদের আটকে ছিনতাই, ছুরিকাঘাতে আহত যুবক
গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় কয়েকজন যুবক রিকশায় করে নাসিরনগর থেকে লক্ষ্মীপুর যাওয়ার পথে আনন্দপুর-তিলপাড়ার মধ্যবর্তী ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এক যুবক মোবাইল ফোন দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ওই যুবক এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, অপরাধপ্রবণ এলাকায় দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন সদস্যকে তিলপাড়ার একটি টং দোকানে চা পান করতে দেখেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এমপির হস্তক্ষেপ, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
ভুক্তভোগীর ভিডিও বার্তার পর সংসদ সদস্য এম এ হান্নান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়। এ সময় তিনি সন্ধ্যায় এমন ঘটনা ঘটায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালন যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
এমপি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং সড়কে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন বলে ভিডিও বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে তাঁর কথা বলার কথাও জানানো হয়।
হুঁশিয়ারির পরও ফের ডাকাতির অভিযোগ, আহত দুজন
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর পরের দিন ভোরে ফজরের আজানের সময় একই ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় আরও একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
চাপরতলা ইউনিয়নের এক দম্পতি ঢাকায় চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আরও তিনজন যাত্রী ছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা গাড়িটি থামিয়ে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ।
এ সময় একজনকে দা দিয়ে কুপিয়ে এবং আরেকজনকে বল্লম দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয় বলে জানা গেছে। অসুস্থ ওই নারীকে গহনার জন্য নির্যাতন ও হেনস্তা করার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশি তদন্তের ফল এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
২০ অক্টোবর সকালে মাছ ব্যবসায়ীদের টাকা-মোবাইল ছিনতাই
সর্বশেষ ২০ অক্টোবর সকাল ৬টার দিকে পূর্বভাগ বাজারের দুই মাছ ব্যবসায়ী মাছ কেনার উদ্দেশ্যে নাসিরনগর মাছের আড়তে যাচ্ছিলেন। পথে তিলপাড়া সড়কে দুর্বৃত্তরা তাঁদের আটকে ১৪ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তাঁদের আহত করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশের বক্তব্য: অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা, অভিযান চলছে
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল আলম বলেন, এসব ঘটনার বিষয়ে তাঁদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, গত সাত দিনে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সাত থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ডাকাতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদারের দাবি স্থানীয়দের
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আনন্দপুর-তিলপাড়া সড়ক ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, বাড়িঘর ও দোকানপাটে চুরি-ডাকাতির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত পুলিশি টহল, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত দাবি করেছেন।
তাঁদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সড়কে যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে।
এলাকাবাসির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে—আনন্দপুর-তিলপাড়া সড়কে ডাকাতির অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে তাঁর আগমনের সময় তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
তিনি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত প্রাক্তন সাথী-সদস্য সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার উদ্দেশ্যে এসেছেন।
জামায়াত আমিরের এই সফরকে কেন্দ্র করে সম্মেলনস্থলে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সম্মেলনে তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, আদর্শিক ও নৈতিক উন্নয়ন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ