সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৬ পি.এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়।
আইআরজিসি জানায়, দেশের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে নতুন উন্নত একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোনটি শনাক্ত এবং ধ্বংস করা হয়েছে।
তারা দাবি করেছে, এমকিউ-৯ ড্রোনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র কিছু বছর আগে অবসর নেওয়া এমকিউ-১ ড্রোন পুনরায় ব্যবহার শুরু করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বিস্ট অব কান্দাহার’ নামে পরিচিত এমকিউ-১ ড্রোনটি আফগানিস্তানে প্রায় ২০ হাজার ঘণ্টা উড়েছে। কিছু বছর আগে মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনীর বহর থেকে ড্রোনটি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং এর পরিবর্তে এমকিউ-৯ ড্রোন ব্যবহার শুরু হয়।
আইআরজিসির দাবি, বিপুলসংখ্যক এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আবার এমকিউ-১ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উভয় ধরনের ড্রোনকেই ব্যাপকভাবে প্রতিহত করছে বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ এবং বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আরও সংযুক্ত করতে ‘ক্রস-বর্ডার হায়ার এডুকেশন নীতিমালা’ প্রণয়ন করছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধিদল ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাতকালে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
প্রস্তাবিত নীতিমালার অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও মানসম্পন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাংলাদেশে শাখা ক্যাম্পাস বা স্টাডি সেন্টার পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশের যোগ্য ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও বিদেশে শাখা ক্যাম্পাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, “আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও মানসম্মত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাংলাদেশে শাখা ক্যাম্পাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি প্রস্তাবিত নীতিমালায় বিবেচনা করা হবে।” তবে, শিক্ষার গুণগত মান, একাডেমিক পরিবেশ, সুশাসন এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। অনুমোদনপ্রাপ্ত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাদের মূল ক্যাম্পাসের মতোই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় নতুন ও ভবিষ্যৎমুখী জ্ঞান ও দক্ষতার চাহিদা বিবেচনায় আধুনিক ও চাহিদাসম্পন্ন বিষয়ে একাডেমিক প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হবে।” বিশেষ করে প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্স, সাইবার সিকিউরিটি, রোবোটিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং অন্যান্য উদীয়মান ক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
দেশের প্রয়োজন ও সক্ষমতা বিবেচনায় যোগ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে খুব শিগগির পিএইচডি প্রোগ্রাম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে বলেও জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।
অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্বের মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্কলারশিপ, ইন্টার্নশিপ, যৌথ গবেষণা, যৌথ ডিগ্রি ও অন্যান্য একাডেমিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিমণ্ডলে আরও বেশি সুযোগ পাবেন এবং দেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ ত্বরান্বিত হবে।
বাংলাদেশের মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মালয়েশিয়ায় শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনে ইউসিএসআইয়ের সহযোগিতা কামনা করে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে, সে বিষয়ে ইউজিসি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে চায়।”
ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ জন্য বিভিন্ন একাডেমিক প্রোগ্রাম পরিচালনার অনুমোদন এবং পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের অনুমতি প্রত্যাশা করেন তারা। একই সঙ্গে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ, যৌথ ডিগ্রি এবং অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার আগ্রহের কথাও জানান প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যৌক্তিক টিউশন ফি নির্ধারণ এবং টিউশন ফি ওয়েভারের প্রস্তাব দেয় ইউসিএসআই। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রেও ইউজিসির সহযোগিতা প্রত্যাশা করে প্রতিনিধিদলটি।
এ ছাড়া বাংলাদেশি শিক্ষকদের জন্য ইউজিসির বিদেশি স্কলারশিপ কার্যক্রমে ইউসিএসআইকে যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি। এ কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষকদের টিউশন ফি ওয়েভারের বিষয়েও সহযোগিতার কথা জানানো হয়।
সভায় আগামী ডিসেম্বরে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস দাতুক ড. সিতি হামিসা বিনতে তাপসিরের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল ইউজিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, আইসিসি বিভাগের পরিচালক ড. মো. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া, ইনসাইট ইনস্টিটিউট অব লার্নিংয়ের চেয়ারম্যান ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আরিফুল বারী মজুমদার এবং ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাসের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কুশাইরি বিন মোহাম্মদ রাজউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকার বনানীতে প্রতিষ্ঠানটির একটি শাখা ক্যাম্পাস রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে ইরানের অর্থনীতিতে একটি বড় ধাক্কা এসেছে। এর ফলে দেশটির অর্থনীতি ১০ শতাংশেরও বেশি সংকুচিত হয়েছে। এই তথ্যটি ইরানের সরকারি এক পরিসংখ্যানে প্রকাশ করা হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে ইরানে যুদ্ধের সূচনা ঘটে। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের রোববার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শেষ দিক থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত এক বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ১০ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। ইরানের পারস্য বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, এই সময়কে বছরের প্রথম প্রান্তিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও দেশের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যু ঘটার পর বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হয়। এরপর থেকেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহনপথে অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। পরে সংঘাতটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে, যুদ্ধের প্রভাবের পাশাপাশি ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে অতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দেশটির মুদ্রার অবমূল্যায়নের সংকটে রয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে চিহ্নিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে লিওনেল মেসি তার ঘরের সমর্থকদের সামনে বিদায় জানাবেন বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে। এই ম্যাচটি মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আর্জেন্টিনার প্রাক্তন তারকা আনহেল ডি মারিয়া। তিনি এই বহুল প্রতীক্ষিত বিদায়ী ম্যাচে উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ক্লাউসুরা টুর্নামেন্টে আর্জেন্তিনোস জুনিয়র্সের বিরুদ্ধে রোজারিও সেন্ট্রালের গুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর ডি মারিয়া মিক্সড জোনে কথা বলেন। সেখানে তিনি জানান, ৫ অক্টোবর বানফিল্ডের বিপক্ষে রেসিং ক্লাবের ম্যাচের পর তিনি বুয়েনস আইরেসেই থাকার পরিকল্পনা করছেন।
ডি মারিয়া বলেন, ‘আমাকে স্টেডিয়ামে যেতেই হবে, তাই না? আমাকে গিয়ে দেখতেই হবে। আমরা ৫ তারিখে বানফিল্ডের বিপক্ষে খেলবো, তাই সম্ভবত সেখানেই থেকে যাবো। এটা তো আমার পথেই পড়ে, আমি সেখানে থাকবো’।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে মেসির বিদায়ের গুরুত্ব নিয়েও সাবেক এই আর্জেন্টাইন উইঙ্গার মন্তব্য করেন। তার মতে, অধিনায়ককে ছাড়া জাতীয় দলের সামনে বড় পরিবর্তন আসছে।
তিনি বলেন, ‘এত বছর পর লিওকে ছাড়া একটা দল! এটা কঠিন হবে, তাই না? বিশেষ করে আর্জেন্টিনাকে, পুরো বিশ্বকে সে যা কিছু দিয়েছে তার পর। আমরা সেই শেষ দিনটা উপভোগ করবো।’
আর্জেন্টিনার তিন ম্যাচের এই সিরিজে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচেই কেবল মেসি খেলবেন। রদ্রিগো দে পল, নিকোলাস ওতামেন্দি এবং জিওভানি লো সেলসোসহ তার দীর্ঘদিনের বেশ কয়েকজন সতীর্থও এই উপলক্ষে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যান্য সদস্যদেরও পরিবারসহ গ্যালারিতে বসে ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা জোরদারের উদ্দেশ্যে বাগেরহাটে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে গতকাল রোববার একটি সমন্বয় ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মো. বাতেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মেজবাহ উদ্দীন। অন্যান্য উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন গ্রাম আদালতের জেলা ম্যানেজার নাজমুল হাসান, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, এনজিও প্রতিনিধিরা, সমাজসেবক এবং স্থানীয় সুশীল সমাজের সদস্যরা।
মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সভায় গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের ও নিষ্পত্তির বিভিন্ন পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হয়। এতে জানানো হয়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে জেলার ৭৫টি ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে মোট ৬৬১টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরাসরি দায়ের করা মামলার সংখ্যা ৬০৮টি এবং আদালত থেকে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ১৭টি। দায়ের হওয়া মামলার মধ্যে দেওয়ানি মামলা ১৬৭টি এবং ফৌজদারি মামলা ৪৭১টি রয়েছে।
মামলার আবেদনকারীদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৪১১ জন এবং নারীর সংখ্যা ২৫০ জন। এ সময় মোট ৬১৮টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় দাবি আদায়ের অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৩৮ লাখ ২৪ হাজার ৬১০ টাকা।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তারা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রাম আদালতের সেবা ও সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি’র সহায়তায় পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’-এর অধীনে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এই সমন্বয় ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভা ফলপ্রসূ আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ