বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি এ কথাও উল্লেখ করেছেন যে, এসব বোর্ডের সনদকে সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসার দুটি নির্দিষ্ট পদে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় অধিবেশন শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৬ সালে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ‘কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
পরবর্তীতে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীনে কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদান আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়। ওই আইনের মাধ্যমে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ, তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ এবং জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ—এই ছয়টি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চাকরির সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ২৩ জুন ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সহকারী মৌলভী (ক্বারী) ও ইবতেদায়ি ক্বারী পদে নিয়োগের জন্য ওই ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে কাম্য যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে এসব পদে কওমি মাদরাসায় দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) ডিগ্রির পাশাপাশি ইলমে কিরাআত অথবা হিফজুল কোরআন সনদপ্রাপ্তদের চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নতুন করে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা আবারও শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ সংযম অপরিহার্য।
গুতেরেস জানান, পূর্ববর্তী কূটনৈতিক আলোচনায় একটি সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তাই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আবারও আলোচনায় ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানান।
=বলছে, জাতিসংঘ মহাসচিব একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে পূর্ণাঙ্গ নৌ-চলাচল স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ দুই নৌপথে চলাচল ব্যাহত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
র্যাবের ১১ তলা সদর দপ্তর নির্মাণের জন্য ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকার ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ৭৬৪ টাকা ব্যয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ১১ তলা সদর দপ্তর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে। ‘র্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ভবনটি নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন গ্রহণযোগ্য দরদাতা প্রতিষ্ঠান এম জামাল অ্যান্ড কম্পানি লিমিটেডের কাছে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ৭৬৪ টাকায় কাজটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।
বৈঠকে সেই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছিল। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ১৫ তলা ভিত্তির ওপর ১১ তলা র্যাব সদর দপ্তর ভবন নির্মাণ করা হবে।
ভবনটিতে মহাপরিচালকের কার্যালয়সহ তিনটি ভূগর্ভস্থ তলা, নিচতলায় গাড়ি পার্কিং এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা থাকবে।
এছাড়া প্রকল্পের আওতায় তিনতলা ম্যাগাজিন ও কোট ভবন, তিনতলা উপকেন্দ্র ভবন, গুদাম, পাম্প ও জলাধার, গভীর নলকূপ, পানি সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ সড়ক, গাড়ি ধোয়ার ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা, সালামি মঞ্চ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা, বহির্বৈদ্যুতিক সংযোগ, লিফট, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের মাধ্যমে র্যাব সদর দপ্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক ও সমন্বিত অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে যে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, তা সেপ্টেম্বর মাসে যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে—এ জন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংসদের অধিবেশন শুরু হয় বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, নিছক কথামালার আড়ালে প্রকৃত সত্যকে লুকাতে চাই না। বর্তমানে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহের কারণে কষ্টে আছে।
” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের ভুল নীতির অনিবার্য পরিণতি হিসেবে বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য-সংকটও নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য-সংকট সামনে আসে, যার প্রভাব জ্বালানি সরবরাহের ওপর পড়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এই সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এ কারণে বিদ্যুৎ, শিল্প ও গৃহস্থালি—তিন খাতের মধ্যে ভারসাম্য রেখে গ্যাস সরবরাহ করতে হচ্ছে। বর্তমান বিদ্যুৎ-সংকটের পেছনে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানান, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬১৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। একই ক্ষমতার মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের আরেকটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সংসদে ভারতের আদানি গ্রুপ থেকে চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে দিনে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যায় প্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া আমদানি করা এলএনজি সরবরাহে ব্যবহৃত দুটি ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফেকেশন ইউনিট) ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।
গত ২১ জুলাই এফএসআরইউতে ত্রুটি দেখা দেয় এবং তা মেরামতে প্রায় ২১-২২ দিন সময় লাগে। এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। তবে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, এ সংকটের প্রায় ৮৮ শতাংশ সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পায়রা ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ ইউনিটগুলো চালু করার ওপর জোর দেন তিনি। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদী। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আগস্ট মাসে বাংলাদেশের মানুষকে যে কষ্ট পোহাতে হয়েছে, অন্তত সেপ্টেম্বর মাসের জন্য এই কষ্ট যেন না পোহাতে হয়, সে ব্যাপারে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।”
আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ-সংকট মোকাবিলায় রুফটপ সোলারসহ দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার যে রুফটপ সোলার নীতি নিয়েছে, তার ফলে আগামী গ্রীষ্মে মানুষকে চলতি সময়ের মতো দুর্ভোগ পোহাতে হবে না বলে তারা আশাবাদী।
এ সময় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত নিয়ে সংসদ সদস্যদের উদ্বেগকে স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতিনিধিদের প্রকৃত তথ্য জানানো এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে থাকা ভুল বোঝাবুঝি দূর করার চেষ্টা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে একটি টাগবোট উল্টে যাওয়ার ফলে একজন নাবিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার সাথে জড়িত ছয়জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কোস্ট গার্ড।
বুধবার, ২৮৬ টন ওজনের টাগবোট ‘টিএনএস ক্যাচার’ ওরিউকদো দ্বীপ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার সময় নৌযানটিতে মোট আটজন নাবিক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও, তাদের মধ্যে দুজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার প্রায় ২০ মিনিট পর, কাছাকাছি থাকা একটি বাণিজ্যিক জাহাজ একজন ইন্দোনেশীয় নাবিককে উদ্ধার করে।
তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানানো হয়েছে। পরে, কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল উল্টে যাওয়া টাগবোটের ভিতর থেকে একজন দক্ষিণ কোরীয় নাবিককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিখোঁজ ছয় নাবিকের সন্ধানে কোস্ট গার্ড ১৩টি টহল ও উদ্ধারকারী জাহাজ, বিমান এবং বিশেষ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করেছে।
এছাড়া, নৌবাহিনী, সরকারি বিভিন্ন জাহাজ ও বেসরকারি নৌযানগুলোকেও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উচ্চতার ঢেউ এবং তীব্র স্রোত বিদ্যমান। এই কারণে উদ্ধার অভিযানটি কঠিন হয়ে পড়েছে। ওই এলাকায় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৪ থেকে ৬ মিটার বেগে বাতাসও বইছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং কর্তৃপক্ষকে নিখোঁজ নাবিকদের উদ্ধারে ‘সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে
কর্তৃপক্ষের ধারণা, টাগবোটটি উল্টে যাওয়ার সময় এতে মোট আটজন নাবিক ছিলেন। একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ছয়জনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ