ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পে স্কেল নিয়ে অপেক্ষার অবসান, সেপ্টেম্বরে আসছে গেজেট


পে স্কেল নিয়ে অপেক্ষার অবসান, সেপ্টেম্বরে আসছে গেজেট

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করা নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ হতে পারে, এমন তথ্য জানা গেছে। এর আগে জুলাইয়ে গেজেট প্রকাশের বিষয়টি আলোচনায় ছিল, তবে তা শেষ পর্যন্ত হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে নতুন পে স্কেল প্রত্যাশী কর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এখন আর বড় ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্যেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের প্রস্তুতির কাজও জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি তিন কাঠামোগত ফাঁদে আটকে, দারিদ্র্য ও বিনিয়োগে স্থবিরতা

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো এখনো নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলোর দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। এসব জটিলতার সমাধান শেষে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

অর্থ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর পে স্কেলের প্রস্তাব আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গেজেট প্রকাশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এর আগে গেজেট প্রকাশের আলোচনা আগস্টের মধ্যে হওয়া উচিৎ ছিল, কিন্তু বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। এখন অবশিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলে বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের মধ্যেই কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

আরও পড়ুন: আলীকদমের ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার সিদ্ধান্তে কাজ করছে। তবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনও পুরনো বেতন কাঠামোর অধীনে বেতন পাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, গেজেট প্রকাশের পর ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা সমন্বয়ের সুযোগ থাকার আশা রয়েছে। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সংশোধিত মূল বেতন কার্যকর হতে পারে। এরপর সফলভাবে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাস্তবায়নে প্রয়াস চালানো হবে।

সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রেডে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। তবে বাস্তবায়নের আগে কিছু ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির হার পুনর্বিবেচনা করার সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি।

আরও পড়ুন: বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার ১৯ অক্টোবর

প্রচারিত খসড়া প্রস্তাবের অনুযায়ী, গ্রেড-১ এর মূল বেতন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড-২ এ ১ লাখ ২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গ্রেড-৩ এ ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং গ্রেড-৪ এ ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেতন কাঠামোর প্রস্তাব রয়েছে।

গ্রেড-৫ এ ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা, গ্রেড-৬ এ ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং গ্রেড-৭ এ ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

গ্রেড-৮ এর জন্য প্রস্তাবিত বেতন ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭০০ টাকা। গ্রেড-৯ এ ৩৯ হাজার ১০০ থেকে ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-১০ এ ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

মধ্যম ও নিম্ন গ্রেডের জন্যও বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। গ্রেড-১১ এ ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা, গ্রেড-১২ এ ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা এবং গ্রেড-১৩ এ ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার পর্যন্ত বেতনের কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

এছাড়া গ্রেড-১৪ এ ২৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রেড-১৫ এ ২২ হাজার ৮০০ থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা এবং গ্রেড-১৬ এ ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

গ্রেড-১৭ এ ২১ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৮ এ ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৯ এ ২০ হাজার ৫০০ থেকে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং গ্রেড-২০ এ ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটির আরো দুই থেকে তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এসব বৈঠকে সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাই করে সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে। তারপরেই মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া গেলে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে গত ১৫ জুলাই, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে সচিবালয়ে পর্যালোচনা কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, অষ্টম পে স্কেলের সীমাবদ্ধতা এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: বিএনপি সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার

সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য সামনে রেখে কার্যক্রম এগোলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে পর্যালোচনা, মন্ত্রিসভার অনুমোদন ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্ধের মধ্যেও যে কৌশলে অটুট ছিল ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


দ্ধের মধ্যেও যে কৌশলে অটুট ছিল ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার

যুদ্ধের কারণে যে কৌশলে ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি তা স্পষ্ট। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যে যুদ্ধ শুরু হয়, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামনে একবারও থমকে যায়নি ইরান। বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি করেছে দেশটি।

একই সঙ্গে শত্রুর আকস্মিক হামলা প্রতিরোধের জন্য এসব বিষয়ে সর্বোচ্চ সামরিক গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করার পাশাপাশি আগের বছরগুলোতে গড়ে তোলা কৌশলগত মজুতের সহায়তায় অস্ত্র উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তালাই-নিকের কথায়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের কয়েকটি প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

এছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিরক্ষা উৎপাদন শুধু অব্যাহতই নেই, বরং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বেড়ে গেছে।

সামরিক তথ্য ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত গোপনীয়তা রক্ষা করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দুর্বলতা এড়াতে এবং শত্রুর আকস্মিক হামলার সুযোগ বন্ধ করতে সামরিক গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই গত দুই বছর ধরে ইরান কোনো সামরিক প্রদর্শনী আয়োজন করেনি।

এছাড়াও, নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে দেশটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে যুবকদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ বিজিবি’র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


দিনাজপুরে যুবকদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ বিজিবি’র

দিনাজপুর সীমান্ত এলাকার তরুণ ও যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিজিবি’র উদ্যোগে বিরল উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্সে একটি ৪ সপ্তাহব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঐ প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে সনদ পত্র বিতরণ করা হয়, যা আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর বিরল উপজেলার মডেল মসজিদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন-৪২ বিজিবি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সীমান্ত এলাকার বেকার তরুণ ও যুবকদের ৪ সপ্তাহব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী যুবকদের হাতে সনদ পত্র ও কিছু উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণটি ২৭ জুলাই থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত হয়, যাতে সীমান্তবর্তী এলাকার ২০ জন বেকার যুবক অংশগ্রহণ করেন। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এ সমাপনী অনুষ্ঠানে যুব সমাজকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ গ্রহণের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার যুবকদের দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশা করেন, অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তারা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের আহ্বান জানান, যেন তারা অর্জিত দক্ষতা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে নিজেদের এবং দেশের আথ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নূর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, এই প্রশিক্ষণ যুবকদের আত্মবিশ্বাস এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের আশ্বস্ত করেন যে, তাঁরা অর্জিত জ্ঞান যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষ মানব সম্পদ হিসাবে গড়ে তুলেন এবং দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রাখেন।

এছাড়াও প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন ৪২ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান, বিজিবি সেক্টরের অতিরিক্ত পরিচালক মেজর তানিম হাসান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন, বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম এবং বিজিবি’র কর্মকর্তাবৃন্দ, বিরল থানার ওসি পরিদর্শক মো. এমদাদ হোসেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার যুব সমাজকে দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। তার মরদেহ ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হওয়ার পর দেশে এসে পৌঁছায়।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ দেশে আসে। এর পরপরই ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আলিমুজ্জামানের প্রতিবেশী ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, আজ বিকেলে আছরের নামাজের পরে আলিমুজ্জামানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে, বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কলকাতার হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ছিলেন। এই মৃত্যুর ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে কিছু বাংলাদেশিও রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার, বাড়তে পারে বাড়ি-গাড়ির ঋণখরচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার, বাড়তে পারে বাড়ি-গাড়ির ঋণখরচ

প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির ট্রেজারি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ আগস্ট জাতীয় ঋণের পরিমাণ বেড়ে ৪০ দশমিক ০৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এক দশকেরও কম সময়ে দেশে মোট জাতীয় ঋণের পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাওয়া নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে সরকারের সুদ পরিশোধের ব্যয় এবং ভবিষ্যতে ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে।

জাতীয় ঋণ সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ঋণ নয়; তবে সরকারের ঋণ দ্রুত বাড়তে থাকলে অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে সরকারি বন্ডের সুদের হার বেড়ে গেলে ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদাতাদের অর্থ সংগ্রহের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এর ফলে বাড়ি ও গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হারও বাড়ার সম্ভবনা থাকে।

বর্তমান ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের জাতীয় ঋণের মধ্যে প্রায় ৩২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা ট্রেজারি ঋণ। আর প্রায় ৭ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে ঋণ।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন, তখন দেশের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৯ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এরপর বিভিন্ন প্রশাসনের সময়ে ঋণের পরিমাণ দ্রুত বেড়ে গেছে।

কেন জাতীয় ঋণ বাড়ছে? সরকারের ব্যয় রাজস্ব আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণে জাতীয় ঋণ বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ। গত এক দশকে বাজেট ঘাটতি, মহামারি মোকাবিলা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সরকারের ধার নেওয়ার প্রয়োজন বেড়ে গেছে।

বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে। চলতি আগস্টে ৩০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের ফলন ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। বাড়ি কেনার দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সুদের হার নির্ধারণে সরকারি বন্ডের ফলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে ঋণের চাপ বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষের ঋণ নেওয়ার খরচও বেড়ে যেতে পারে।

অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়িক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, জাতীয় ঋণের চাপ দীর্ঘমেয়াদীভাবে অব্যাহত থাকলে সরকারের সুদ পরিশোধের ব্যয় আরও বাড়বে, যা শিক্ষা, অবকাঠামোসহ অন্যান্য সরকারি খাতে ব্যয়ের জন্য অর্থের পরিমাণ কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এছাড়া সরকারের অতিরিক্ত ঋণ বেসরকারি খাতে ঋণের খরচও বাড়াতে পারে, যা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ তৈরি করার আশঙ্কা রয়েছে। তবে, শুধু ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণের পরিমাণ দেখে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির পুরো পরিস্থিতি বোঝা যায় না। অর্থনীতিবিদেরা দেশের মোট অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণের পরিমাণ, অর্থাৎ ঋণ ও মোট দেশজ উৎপাদনের অনুপাত এবং জনগণের হাতে থাকা সরকারি ঋণের পরিমাণও বিবেচনা করেন।

জাতীয় ঋণের চাপ কমানোর জন্য সরকারের সামনে ব্যয় কমানো, রাজস্ব বাড়ানো অথবা দুইয়ের সমন্বয়ের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত রয়েছে। ট্রেজারি বিভাগ ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সরকারি বন্ডের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বাজেট ঘাটতির মূল কারণ সমাধান না করা পর্যন্ত শুধু এসব পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%