ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

মাদারীপুরে শকুনি লেক রক্ষায় সুধী সমাজের মতবিনিময় সভা


মাদারীপুরে শকুনি লেক রক্ষায় সুধী সমাজের মতবিনিময় সভা

মাদারীপুর, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেক একসময় জেলা শহরের সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ছিল।

বিকেলের সময় লেকের পাড়ে মানুষের আড্ডা জমে উঠতো, এবং দর্শনার্থীরা দূর-দূরান্ত থেকে আসতেন। কিন্তু বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য এবং অবৈধ স্থাপনার কারণে লেকটির নান্দনিকতা ও পরিবেশ বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে শকুনি লেকের সৌন্দর্য, পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষার লক্ষ্যে সাংবাদিক, সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা এবং সচেতন নাগরিকরা একত্রিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: কৃষিজমির কাজ ও গবাদিপশুর চারণভূমি রক্ষায় মানববন্ধন

এই প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় মাদারীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের কার্যালয়ে সাংবাদিক ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শকুনি লেকের বর্তমান অবস্থা, পরিবেশদূষণ, ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনা এবং লেকপাড়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বক্তারা লেকের জায়গা দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা উল্লেখ করেন, শকুনি লেক শুধুমাত্র একটি জলাশয় নয়; এটি মাদারীপুরের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, সৌন্দর্য ও নাগরিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসনের একার নয়, বরং লেকপাড়ের ব্যবসায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা, দর্শনার্থীসহ সকল নাগরিকের।

আরও পড়ুন: কাঁচপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ জনই না ফেরার দেশে

লেকের ভেতরে ও পাড়ে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লেকের পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট করে এমন স্থাপনা ও কর্মকাণ্ড চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

সভায় অংশ নেওয়া সচেতন নাগরিকদের প্রতিনিধিরা বলেন, শকুনি লেক রক্ষায় শুধু আলোচনা নয়, বাস্তবভিত্তিক ও ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

এজন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো এবং পরিবেশদূষণকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি লেকের জায়গা দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাবিবুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা ও চিকিৎসক ডা. গোলাম সরোয়ার, মাদারীপুর সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি খান মোহাম্মদ শহীদ, মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলাল রিজভী, অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান পারভেজ, বাইজিদ মিয়াসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬০ বছরের বৃদ্ধা ভিক্ষুককে ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হলেন সাইফুল ইসলাম সাব্বির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হলেন সাইফুল ইসলাম সাব্বির

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির (ডিসিইউজেএ) ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বির।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর পূর্বে তিনি সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) সরকারি বাঙলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী। সাইফুল ইসলাম সাব্বির বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) উপদেষ্টা এবং সাবেক সভাপতি। পাশাপাশি তিনি জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ-এর হেড অব ডিজিটাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সমিতির সদস্যসচিব স্মৃতি আক্তার উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, ফলে সংগঠনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সাইফুল ইসলাম সাব্বিরকে ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বির বলেন, "আমার ওপর আস্থা রেখে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা অব্যাহত রাখতে কাজ করব। এ জন্য সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।"

সমিতির সদস্যসচিব স্মৃতি আক্তার বলেন, "উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও সংগঠনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বির সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অভিজ্ঞ। আমি আশাবাদী, তিনি তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করবেন এবং সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবেন। সমিতির সব সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংগঠনটি বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চায় আরও এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করি।"

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান শুভ বলেন, "সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বিরকে ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সমিতির কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা, সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরতে সমিতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ড. আখতার হামিদ খানের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


কুমিল্লায় ড. আখতার হামিদ খানের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কুমিল্লা, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) নানা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী ও পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ ড. আখতার হামিদ খানের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে।

আজ শুক্রবার, দিবসটি উপলক্ষে তার ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

বার্ডের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে সকালে ড. আখতার হামিদ খানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পর বার্ড জামে মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিচালক সালাহ উদ্দিন ইবনে সাঈদ, ড. মো. মিজানুর রহমান, সহকারী পরিচালক আবদুল্লা-আল মামুনসহ বার্ডের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বার্ড প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ড. আখতার হামিদ খান পল্লী উন্নয়নের কার্যকর ও টেকসই মডেল উদ্ভাবন এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

ষাটের দশকে তার নেতৃত্বে প্রবর্তিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের একটি সফল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। তার উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ বার্ডকে বিশ্বপরিসরে পরিচিত করে তোলে।

১৯১৪ সালের ১৫ জুলাই ভারতের আগ্রায় জন্মগ্রহণ করেন ড. আখতার হামিদ খান। তিনি আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৪ সালে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের সম্মানজনক ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিসে (আইসিএস) যোগ দেন।

১৯৩৬ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত আইসিএসের প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা হিসেবে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাগডালিন কলেজে অধ্যয়ন করেন।

১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় ঔপনিবেশিক প্রশাসনের ভূমিকা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৪ সালে তিনি আইসিএস থেকে পদত্যাগ করেন। পরে ভারতের আলীগড়ের একটি গ্রামে শ্রমিক ও তালা মেরামতকারীর কাজ শুরু করেন। প্রায় দুই বছর পর সেই কাজ ছেড়ে ১৯৪৭ সালে দিল্লির জামিয়া মিল্লিয়া প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এবং সেখানে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫০ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ‘ভি-এইড’ কর্মসূচির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৮ সালে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে যান।

সেখান থেকে ফিরে তৎকালীন পাকিস্তান পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বর্তমানে বার্ড) প্রথম প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি একাডেমির পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি প্রবর্তনের মাধ্যমে ড. আখতার হামিদ খান গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তার প্রবর্তিত কুমিল্লা মডেল বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়নের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

১৯৯৯ সালের ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেন এই খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি অর্থের অপচয় রোধে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


সরকারি অর্থের অপচয় রোধে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করছে সরকার

ঢাকা, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকারি অর্থের অপচয় রোধ, আর্থিক ঝুঁকি আগেভাগে চিহ্নিত করা এবং জনসেবা সচল রাখতে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী ও স্থায়ী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

অর্থ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘সরকারি খাতে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া: স্থায়িত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক তিনদিনের একটি কর্মশালায় এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থ বিভাগের স্ট্রেংদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস)-এর আওতায় গাজীপুরের একটি হোটেলে (৮ থেকে ১০ অক্টোবর) ইন্টারনাল অডিট অ্যান্ড অডিট ফলো-আপ স্কিম কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থসচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার। তিনি সংশোধিত ‘মডেল ঝুঁকিভিত্তিক অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা সনদ ও নির্দেশিকা ২০২৬’ উন্মোচন করেন। এই সনদে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরীক্ষকদের দায়িত্ব, প্রতিবেদন প্রদানের প্রক্রিয়া এবং পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

অর্থসচিব মন্তব্য করেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষাব্যবস্থা কার্যকর করা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি এ উদ্যোগকে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থায় পরিণত করতে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রশাসনিক অনুমোদন সাপেক্ষে তিন বছরে তিন ধাপে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে স্থায়ী নিরীক্ষা ইউনিট বা অধিদপ্তর গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ জন্য নির্দিষ্ট জনবল, নিয়োগবিধি, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কর্মশালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিরীক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়। এসব অধিদপ্তর বিভিন্ন ঝুঁকি চিহ্নিত করার পাশাপাশি জনবল সংকট, দক্ষতার ঘাটতি, দুর্বল সমন্বয় এবং স্থায়ী সাংগঠনিক কাঠামোর অভাবের কথা জানায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৯৩টি, গণপূর্ত অধিদপ্তর ৭০টি, এলজিইডি ৭৮টি ব্যয়কেন্দ্রে নিরীক্ষার মাধ্যমে ৩০০টি পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ৪১টি এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ৮২টি ঝুঁকি চিহ্নিত করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ছয়টি করে নিরীক্ষা প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছে।

কর্মশালায় ২০২৬-২০৩১ সালের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়। এতে স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, পর্যাপ্ত বাজেট, পেশাগত দক্ষতা এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিঃনিরীক্ষকদের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের বিরুদ্ধে স্লোগান, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


বায়তুল মোকাররমে জামায়াতের বিরুদ্ধে স্লোগান, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে অপসারণের দাবির কারণে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী খতিবকে ‘সরিয়ে দিতে চাচ্ছে’—এমন অভিযোগ নিয়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর একদল মুসল্লি বিক্ষোভ করেন।

মসজিদের উত্তর গেটে যখন বিক্ষোভ চলছিল, তখন ‘জামায়াত-শিবিরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এবং ‘মওদুদী আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’—এমন স্লোগান শোনা যায়।

বিক্ষোভের অংশগ্রহণকারী এক মুসল্লি বলেন, "একটা সংগঠন ষড়যন্ত্র করতে চাচ্ছে। রাজাকার, পাকিস্তানের দালাল—তারা আমাদের সম্মানিত খতিবকে হুংকার দিয়েছে। আমরা সাধারণ আমজনতা রাজাকারদের কঠোরভাবে প্রতিহত করব।"

আরেকজন মুসল্লি জানান, "আমি হুজুরের (মুফতি আব্দুল মালেক) একজন সঙ্গী। ওরা চেষ্টা করছে আমাদের হুজুরের ওপর হামলা করার জন্য। এটার তীব্র নিন্দা জানাই। ওদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।"

একজন মুসল্লি আরও বলেন, "হুজুর (মুফতি আব্দুল মালেক) ইসলামের কথা বলবেন, ন্যায়ের কথা বলবেন, ধর্মের কথা বলবেন—কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। হুজুর যখনই বয়ান করেন, নিরপেক্ষ বয়ান করেন। মুনাফিকি রাজনীতি বাংলাদেশের মাটিতে কখনো চলবে না।"

এদিকে, উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে শত শত পুলিশের সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%