১০:১৮ এম
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি বার্তায় চুক্তিটিকে প্রশংসা করেন এবং বলেন, তিন দেশ একসাথে শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে পৌঁছানোয় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। খবরটি আসছে টিআরটি ওয়ার্ল্ডের থেকে।
ট্রাম্প আরও বলেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান ঐক্য, নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেছে। তিনি এটিকে ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায় স্বাস্থ্য, শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য, যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে চলতি মাসের শুরুতে ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিতে সই করে তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তান।
আরও পড়ুন: তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুই কমিশনারের সাক্ষাৎ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, এই চুক্তি পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে ‘কৌশলগত সংকল্পের’ প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। তিনি একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা या নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে এই চুক্তি করা হয়নি।
এরদোয়ান আরও বলেন, তুরস্ক বরাবরই উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনীতি এবং সংঘাতের বদলে সংলাপ এবং বিভাজনের পরিবর্তে শক্তিশালী আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি ভবিষ্যতে নিজেদের ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
যৌথ কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে তৈরি এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হল যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য না করে একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।
আরও পড়ুন: লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন