সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫০ পি.এম
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম মন্তব্য করেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে তরুণ প্রজন্ম সরকারকে লাল কার্ড দেখাতে এক মুহূর্তও দেরি করবে না। বর্তমান সরকার গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করেনি। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে জাতির কাছে অঙ্গীকার করেছিল যে নির্বাচনের পর তারা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। লক্ষ-কোটি মানুষের সামনে তারা যে ওয়াদা করেছিল, তা বাস্তবায়ন না করে জাতির সামনে নিজেদের মুনাফেক হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
তিনি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কারমাইকেল কলেজের শহীদ মিনার চত্বরে ছাত্রশিবির আয়োজিত ‘নবীন বরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
শিবির সভাপতি আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান উত্তরবঙ্গে এসে বলেছিলেন, আপনার গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে দয়া করে রায় দিন। যারা সেদিন গণভোটের পক্ষে ভিক্ষা চেয়েছিলেন, সেই ভিক্ষুকের জাতি ক্ষমতায় আসার পর নিজেদের মুনিব মনে করছে। তারা এখন বলছে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা না বললে জাতীয় নির্বাচন দেওয়া হতো না। ক্ষমতায় যাওয়াই তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল। তারা পূর্বে যে লুটপাট করেছিল, ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে সেগুলোর বৈধতা নেওয়ার জন্য জাতির কাছে ছল-চাতুরির আশ্রয় নিয়েছে।
নুরুল ইসলাম বলেন, বিগত ১৭ বছর শিবিরের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার নানা ধরনের প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে। তারা শিবিরকে রগ কাটার দল হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। এত নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যে থেকেও আওয়ামী সরকারের আমলে শিবিরের কার্যক্রম তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ শিবির অত্যন্ত সুসংগঠিত একটি সংগঠন। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা মানবিক মর্যাদায় বেড়ে উঠুক। তারা নীতি-নৈতিকতা বজায় রেখে আগামীর বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাবে।
তিনি আরও জানান, সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না কারণ এই রাষ্ট্রের সংস্কার হলে চিরস্থায়ী ক্ষমতার বন্দোবস্ত করা সম্ভব হবে না। ‘হ্যাঁ’ ভোটে ৩০টি পয়েন্টে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছিল। তারা বলেছিল, নির্বাচিত হওয়ার পর সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের পর তারা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেয়নি। তারা সংবিধানের এই মৌলিক সংস্কার চায় না।
কারমাইকেল কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, রংপুর-৩ আসনের এমপি মাহবুবুর রহমান বেলাল, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এটিএম আজম খান, কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন মণ্ডল, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি আনিসুর রহমান প্রমুখ।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানে অনার্স প্রথম বর্ষে কারমাইকেল কলেজে ভর্তি হওয়া ১৮টি বিভাগের নিবন্ধিত ২ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শেষে বিভিন্ন বিভাগের ২ শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর সদর উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২ দোকানে অভিযান পরিচালনা করে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সোমবার দুপুরের দিকে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কানাশাখোলা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান।
আদালত সূত্রে জাান গেছে, বিনা লাইসেন্সে পশুখাদ্য বাজারজাত করায় মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন ২০১০ এর ৪ ও ২০ ধারা মোতাবেক মেসার্স আনাছ এন্টারপ্রাইজের মালিককে ৫ হাজার টাকা এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মাংস সংরক্ষণ ও বিক্রয় করায় মাংস ব্যবসায়ী হেকমত আলীকে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান।
এসময় প্রসিকিউটর হিসেবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কান্তি দত্ত এবং অন্যান্যদের মধ্যে উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) মো. আকরাম হোসেনসহ পুলিশ বিভাগের সদস্য, স্থানীয় স্টেকহোল্ডারগন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ হাসপাতালে কর্মরত এআইটি, এলএসপি ও ভোক্তা সাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কান্তি দত্ত জানান, জনস্বার্থে এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ ২১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাৎক্ষণিক তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অসুস্থদের মধ্যে একজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর অন্যান্য শ্রেণিকক্ষের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে যায়। পরেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে ২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে সুমাইয়া (১৪), রিহান (১২), সাকিব (১২), ছায়েম (১৩), আরক দেবী (১৪), আরাফাত হোসেন (১৪), লাইজু (১৩), ঐশী (১৩) ও ফরিদা আক্তার (১৩) রয়েছে।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী মেডিকেল অফিসার বিমান চন্দ্র আশ্চার্য বলেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত ২১ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আসা একজন অভিভাবক ও হাসপাতালের এক স্টাফও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, বর্তমানে সব শিক্ষার্থী আশঙ্কামুক্ত রয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ থাকার বিষয়টি জানা গেছে। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার নকলা উপজেলায় আজ সার ডিলারদের গোডাউন ও সার বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
আজ সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক নকলা উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের গোডাউন এবং বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
মনিটরিংকালে সার ডিলারদের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সার সংরক্ষণ ও ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রয়ের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সার সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ, নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ, জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক আবু রায়হান রুপন, নকলা উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা পরিষদ বিনামূল্যে ৬০ জন নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে, যা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অসচ্ছল পরিবারকে স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা ১১ টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপকারভোগী নারীদের হাতে সেলাই মেশিনগুলো তুলে দেয়া হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. এম. সালাউদ্দীন মনজুর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাবিদ হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রোকনউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাস উদ্দিন কালু, সাবেক সভাপতি রেজাউল হক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান এবং উপকারভোগী নুর বেগম।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সেলাই মেশিনের মাধ্যমে উপকারভোগীরা নিজেদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন, যা তাদের পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং জীবিকা নির্বাহে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ