সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩০ পি.এম
কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা উল্লেখ করেছেন যে, ১৭ বছর পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা একই মঞ্চে অংশ নেওয়ায় এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
সভাটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মিজ রুজি আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান সভায় বলেন, "১৭ বছর পর একসঙ্গে সব দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি মিটিং হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক একটি বিষয়। সংকটে সমাধান আছে। দেশের সার্বভৌমত্বের বিষয়ে আমরা এক থাকব, একসঙ্গে কাজ করব।"
তিনি আরও বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন সমস্যা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়েও সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।" তিনি সিএনজি গ্যাস নিয়ে যে সংকট ছিল, সেটি ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে বলেও জানান।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন সভায় বলেন, "কুমিল্লা একটি বড় জেলা। শিগগিরই কুমিল্লাকে মেট্রোপলিটন করা হবে। এতে পুলিশ সুপারের ওপর চাপ কমবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।"
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে যেন কোনো ধরনের আঞ্চলিক বিদ্বেষ ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মন্তব্য করেন, "কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের অনেক কষ্ট করছেন। তিনি নিজে স্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।"
সভায় কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মনিরুল হক চৌধুরী এবং কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুল ইসলাম শাওন বক্তব্য দেন।
এছাড়া কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৈনিক যুগান্তরে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘ভালোবাসার কাছে হার মানল দারিদ্রতা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর শেরপুর জেলায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে আলোচনার ঝড় ওঠে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এবং বিদেশ থেকেও ওই হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতির সাহায্যের জন্য অনেকেই এগিয়ে আসেন।
স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং ব্যক্তিরা সরাসরি বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করতে থাকেন।
এদিকে, ১৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হযরত আলী বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা নগদ অর্থসহায়তা প্রদান করেন এবং তিন মাসের খাবারও দিয়ে আসেন। তিনি ওই পরিবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি নিজ বাড়ি থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গিয়ে বৃদ্ধ দম্পতিকে খাইয়ে দেন। বিএনপির বিভিন্ন নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
যুগান্তরের খবরটি ভাইরাল হওয়ার পর শেরপুর জেলা প্রশাসনও তৎপর হয়ে ওঠে। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে যান। তিনি বৃদ্ধ দম্পতির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং প্রতি মাসে খাবার দেওয়া, ঘর সংস্কার ও চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে শহরের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে তাদের ভর্তি করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে এ সময় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কামরুজ্জামান খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, যুগান্তর প্রতিনিধি ও শেরপুর প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণেরও পূর্বাভাস রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য দিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঢাকায় রেকর্ড করা হয়েছে, যা ২০ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেত্রকোণা ও ফেনীতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার জেলার নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮২৫ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, তিনটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলাবারুদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় কথিত ডাকাত দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ছনুয়াপাড়া ও হালকাচাপাড়ায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- রাজিব ওরফে শুটার রাজিব (২৬), নমি উদ্দিন ওরফে নমি ডাকাত (৪০), জসিম উদ্দিন ওরফে জসু ডাকাত (২৬), মো. সাগর রানা ওরফে শুটার সাগর (২০), জহুরা বেগম (৪৫) এবং শহর বানু (৫৫)।
সোমবার দুপুরে চকরিয়া থানা মিলনায়তনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেন চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল আজিজ।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিম ছনুয়াপাড়ার একটি বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। দুর্গম এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরটি ঘেরাও করে পুলিশ। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হালকাচাপাড়ায় অভিযান চালিয়ে শহর বানুকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে একটি দেশীয় তৈরি দোনালা রাইফেল, একটি একনালা রাইফেল, একটি শটগান, ৫৮ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৫৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, দুটি তাজা শটগানের কার্তুজ, দুটি খোসা, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, ক্লিনিং রড এবং ছয়টি মোবাইল ফোন। পরে শহর বানুর বসতঘরের পেছনের পুকুর থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় আরও ৭৬৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা অস্ত্র ও গুলি তৈরি, কেনাবেচা এবং ডাকাতদের কাছে অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার সঙ্গে জড়িত। চকরিয়া ও আশপাশের এলাকায় সড়ক ও আন্তঃজেলা ডাকাতির সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চকরিয়া থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে এবং ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কেরাণীহাট বাজারে যুবদল কর্মী মোহাম্মদ করিমকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম গ্রেপ্তারকৃতদের এবং হত্যাকাণ্ডের কারণসহ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগর ও হাটহাজারী এলাকা থেকে চারজনকে আটক করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে, যখন করিমকে প্রকাশ্যে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানায়, মামার মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহে পারভেজ তার দলের লোকজন নিয়ে করিমকে হত্যা করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— মোহাম্মদ সেলিম (৫০), সৈয়দ মোহাম্মদ শুক্কুর (২৭), মোহাম্মদ জাবেদ (২৮) এবং মোহাম্মদ আলামিন (২৯)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
নিহত মোহাম্মদ করিমের বাড়ি উরকিরচর ইউনিয়নের হারপাড়া গ্রামে, তবে তিনি পরিবার নিয়ে হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকায় বসবাস করতেন। পুলিশ জানায়, করিমের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণ ও মাদক কেনাবেচার অভিযোগে ১০টি মামলা রয়েছে।
এসপি মাসুদ আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের ৮-১০ দিন আগে পারভেজের মামা আজগর আলীর মোটরসাইকেল চুরি হয়। পারভেজ সন্দেহ করেন যে, করিম এই চুরির সঙ্গে জড়িত। করিমের বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ থাকায় সন্দেহ আরও বাড়ে। মোটরসাইকেল ফেরত দিতে চাপ দেওয়ার পরও করিম চুরির বিষয়টি অস্বীকার করেন, ফলে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
ঘটনার রাতে মোহাম্মদ জাবেদ কৌশলে করিমকে কেরাণীহাটে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রস্তুত ছিল। অটোরিকশা থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে করিমকে গুলি করা হয়। গুলিতে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তারা অটোরিকশা নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত পারভেজসহ আরও দুই থেকে তিনজন পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, পারভেজ পুলিশের কাছে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ১৮-২০টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। করিমও তাদের দলের সদস্য ছিলেন এবং তারা চুরি, ডাকাতি ও মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।
গ্রেপ্তার চারজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, রাউজানের পশ্চিম গুজরা মগদাই এলাকায় পারভেজের পরিত্যক্ত গরুর খামার থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ