১২:০১ এম
লিওনেল মেসির সঙ্গে চেহারার অদ্ভুত মিলের কারণে রেজা পারাস্তেশ রাতারাতি পরিচিতি লাভ করেন।
এই পরিচিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি চাঞ্চল্যকর গল্প—মেসির মতো দেখতে হওয়ায় ২৩ নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই গল্পটি শেষ পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
২০১৭ সালে রেজা পারাস্তেশ ইরানের হামেদান শহরে আলোচনায় আসেন। তার চেহারার কারণে মানুষের মধ্যে এত ভিড় তৈরি হয়েছিল যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এরপর থেকেই তিনি ‘ইরানি মেসি’ বা ‘নকল মেসি’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের পর নীরবতা ভেঙে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেহতাজের ছবি
২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, মেসির মতো চেহারাকে কাজে লাগিয়ে ২৩ নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন পারাস্তেশ। এমনকি, ওই নারীরা তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন বলেও প্রচার করা হয়।
রাস্তায় ‘নকল মেসির’ সঙ্গে দেখা হলেই নারীরা তার সঙ্গে সেলফি তোলেন। ছবি: সংগৃহীত
তবে রেজা পারাস্তেশ সেই অভিযোগকে সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘২৩ নারীর সঙ্গে আমার সম্পর্কের যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তা মিথ্যা ও ভুয়া। দয়া করে মানুষের সুনাম ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে খেলবেন না।’
তুরস্কের তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান টেইত পরে অনুসন্ধান করে জানায়, ২৩ নারীর সঙ্গে সম্পর্কের গল্পটির কোনো সত্যতা নেই। তাদের অনুসন্ধানে দেখা যায়, দাবিটির সূত্র ছিল ইনসলাইট টিভি নামের একটি ব্যঙ্গাত্মক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট। ওই অ্যাকাউন্টের পরিচালকের কাছ থেকেও টেইত জানতে পারে, পোস্টটি ছিল নিছক মজার জন্য।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিশি’ নির্বাচিত হয়েছে ভিজিআইকে উৎসবে
অর্থাৎ, মেসির মতো চেহারার কারণে রেজা পারাস্তেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও ২৩ নারীর সঙ্গে সম্পর্কের গল্পটি ছিল নিছক গুজব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন