জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৫:১৪ পি.এম
রাজবাড়ীর ৭ বছর বয়সী শিশুর উপর ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামী মোঃ মাসুদ মন্ডল (৪০) কে ঢাকা শহরের হাতিরঝিল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশের সদস্যরা। মাসুদ মন্ডল রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার রামদিয়া গ্রামের নওশের মন্ডলের পুত্র।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজবাড়ী সদর থানার এস আই মোঃ আসাদুজ্জামান এবং এসআই সোহেবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ডিএমপি ঢাকার হাতিরঝিল থানার এলাকা থেকে রাজবাড়ী সদর থানার সাত বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামী মোঃ মাসুদ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বুধবার বিকেল তিনটার দিকে শিশুটিকে বাড়িতে রেখে তার মা বাড়ির আঙিনায় ঘাস কাটতে যান। এই সুযোগে অভিযুক্ত মাসুদ শিশুটিকে ঘরের মধ্যে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে শিশুটি চিৎকার করলে তার মা বাড়িতে এসে ঘরের মধ্যে অভিযুক্তকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরবর্তীতে তিনি ডাকচিৎকার করলে অভিযুক্ত দৌঁড়ে পালিয়ে যান। অভিযুক্ত নিকট আত্মীয় হওয়ায় বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন তারা। গত মঙ্গলবার (২ মে) বিকেলে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। মাসুদ মন্ডল বর্তমানে খানগঞ্জ ইউনিয়নের বেলগাছী গ্রামে আদিবাসী পল্লীতে ঘর জামাই হিসেবে বসবাস করছেন।
রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, শিশু ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামীকে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই গ্যালারিতে সমর্থকদের ভিড় এবং রঙ-বেরঙের সমর্থকদের উন্মাদনা। প্রতিটি বিশ্বকাপে কিছু সমর্থক নজর কাড়েন। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইতোমধ্যে বেশকিছু সমর্থক নজর কেড়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ক্রোয়েশিয়ার ইভানা নল। কাতার বিশ্বকাপে তিনি আলোচনায় ছিলেন এই ক্রোয়েশিয়ান মডেল।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার জার্সির আদলে লাল-সাদা চেক ডিজাইনের জামা পরে গ্যালারিতে অনেক খেলা দেখেছেন ইভানা। সেখান থেকেই গণমাধ্যমের নজরে আসেন তিনি। ওই বিশ্বকাপের সময় তাকে 'বিশ্বকাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সমর্থক' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
চলতি বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া দলের সমর্থনে আবারও গ্যালারিতে হাজির হয়েছেন তিনি। আর এবারও তার ব্যতিক্রমী উপস্থিতি এবং গ্ল্যামারাস লুক স্টেডিয়ামের দর্শকদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সাবেক মিস ক্রোয়েশিয়া ইভানা নল পেশায় একজন মডেল এবং ডিজাইনার। ফুটবল বিশ্বকাপের সুবাদে বিশ্বব্যাপী তার ফ্যানবেজ এখন আকাশচুম্বী। ২০২৬ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া দলের ম্যাচগুলোতে গ্যালারিতে তার নিয়মিত উপস্থিতি ফুটবল উন্মাদনায় যোগ করেছে এক নতুন মাত্রা। ভক্তদের প্রত্যাশা, ক্রোয়েশিয়া দলের সাফল্যের পাশাপাশি ইভানার পরিচিতি পুরো বিশ্বকাপজুড়ে গ্যালারিকে রঙিন করে রাখবে।
এদিকে, এবারের বিশ্বকাপে নজর কেড়েছেন ফরাসি দুই নারীর সমর্থক। ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকা এই দুই নারী সমর্থককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই তাদেরকে বিশ্বকাপের 'সবচেয়ে সুন্দর সমর্থক' হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
নেটিজেনরা ইতিমধ্যে এই দুই ফ্রান্স সমর্থকের পরিচয় খুঁজতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংকগুলোর একটি জে-পি-মর্গ্যান চেইস সম্প্রতি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের খবর অনুযায়ী, হংকংয়ে কর্মরত তাদের কর্মীদের জন্য অ্যানথ্রোপইক-এর ক্লড মডেল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
১৮ জুন (বৃহস্পতিবার) রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিবৃত হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অ্যানথ্রপিকের লাইসেন্সিং চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে উদ্বেগের কারণে ব্যাংকটি কর্মীদের জন্য অনুমোদিত এআই টুলের তালিকা থেকে ক্লড মডেলটি সরিয়ে নিয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এপ্রিলে আরেকটি মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্সও হংকংভিত্তিক কর্মীদের জন্য ক্লড ব্যবহারের অনুমোদন প্রত্যাহার করেছিল।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য নিরাপত্তা এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার ফলস্বরূপ এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
মূল ভূখণ্ড চীনে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এআই মডেল ব্যবহার করা সম্ভব না হলেও, হংকংয়ে এখনো কিছু মডেল সীমিত আকারে চালু রয়েছে।
এদিকে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক অ্যানথ্রোপিককে তাদের উন্নত এআই মডেল ‘মাইথোস’ ও ‘ফেবল’ বিদেশি নাগরিকদের কাছে সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তার দাবি, এসব প্রযুক্তি চীন, রাশিয়া বা অন্যান্য দেশের সামরিক ও গোয়েন্দা কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।
তবে এ বিষয়ে জে-পি-মর্গ্যান ও অ্যানথ্রোপিক আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে নোয়াখালী ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের আসন্ন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
মতবিনিময়কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়ে শতাধিক সাংবাদিকের উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আগামী ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এছাড়া ৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনটি ক্যাটাগরিতে তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার লক্ষ্যে প্রশাসন কাজ করছে। আগামী অর্থবছরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে একাডেমিক ভবন-৩ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হলে শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবসংকট অনেকাংশে দূর হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোনাপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বাংলাবাজার পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা গেলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সুবিধা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।
সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, অতীতে সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভবিষ্যতেও সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সাংবাদিকদের যেকোনো গঠনমূলক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং শান্তি আলোচনার প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বৃহস্পতিবার বলেছেন, তেহরান বর্তমানে শক্তির অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গালিবাফ ইরানের প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানের ‘যুদ্ধক্ষেত্রের বিজয়’ এই আলোচনার পটভূমি তৈরি করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান আলোচনা এবং আগের সময়গুলোর মধ্যে পার্থক্য হলো, আজ এই যুদ্ধক্ষেত্রের বিজয়ের পতাকা, যা শত্রু ও বন্ধু উভয়েই স্বীকার করেছে, সেটিই আলোচনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।’
গালিবাফ আরও বলেন, ইরানের সামরিক অর্জনগুলোকে দেশের স্বার্থে দীর্ঘস্থায়ী একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় রূপান্তর করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনো যুদ্ধ যদি বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি তা একটি আইনি ও রাজনৈতিক নথিতে রূপ না নেয় এবং সেই বিজয়গুলো নথিভুক্ত না হয়, তাহলে তার কোনো উপকার থাকে না।’
পরমাণু ইস্যুতে চলমান পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একসঙ্গে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর, গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান দুজনেই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
তবে একই সময়ে লেবাননে সংঘাত অব্যাহত থাকে। ইসরাইলের ব্যাপক বিমান হামলায় সেখানে ৩৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে বিরল সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, তবে আলোচনাটি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়। এর পরেই ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে।
১৪ এপ্রিল লেবানন এবং ইসরাইল কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মত কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করে এবং ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়। কিন্তু হিজবুল্লাহ ওই আলোচনার অংশ না হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই আবার সংঘর্ষ শুরু হয়।
২১ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান, এই সময় পরোক্ষ আলোচনা চলতে থাকে। ৭ জুন ইসরাইল বৈরুত শহরে বোমা হামলা চালায়। তার প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পরদিন ইসরাইল মধ্য এবং পশ্চিম ইরানে বিমান হামলা চালায়।
৯ জুন হরমুজ প্রণালীতে একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আক্রমণ করে। পাল্টাপাল্টি হামলা পরবর্তী দিনও অব্যাহত থাকে।
১৪ জুন ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার ঘোষণা দেন। গত বুধবার ট্রাম্প এবং তার ইরানি সমকক্ষ মাসুদ পেজেশকিয়ান অন্তর্বর্তীকালীন ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফার বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
চুক্তির বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের প্রতিনিধিদের আগামীকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি অবকাশকেন্দ্র বুর্গেনস্টকে বৈঠকে বসবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান, মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান ও কাতার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশগুলো আগামীকাল বুর্গেনস্টকে বৈঠক করবে। সেখানে চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ