শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩০ পি.এম
চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন এলাকায় শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কা/টা পড়ে নিহ/ত হয়েছেন ফেনীর দেলোয়ার হোসেন মিন্টু নামে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।
শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে চশমা মসজিদের পাশে রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ধা/ক্কায় এ দু/র্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রেললাইনের পাশের সড়কে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চলায় পথচারীরা রেললাইন ঘেঁষে চলাচল করছিলেন। এ সময় রেললাইন দিয়ে হাঁটার সময় ১০ বছরের শিশু রাহাতের দিকে হঠাৎ ট্রেন চলে আসে।
শিশুটিকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে দেলোয়ার হোসেন মিন্টু ট্রেনে কা/টা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় শিশুটির ডান হাত ও ডান পা বি/চ্ছি/ন্ন হয়ে গু/রুতর আ/হত হয়। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর বাসা চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব নাসিরাবাদ তুলাতলী এলাকায় হলেও তার গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলায়।
ষোলশহর স্টেশনের ইনচার্জ এসআই অসীম ধর দুর্ঘটনা ও হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ‘অফ ডে’ রাখা হবে না।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এভাবে কাজ করতে পারলে আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা শহরের চার্চ অব গড মিশন ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ কর্মসূচির সচেতনতামূলক প্রচার উপকরণ বিতরণ করা হয়।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুপুরের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত। তাদের অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, শিক্ষক নেই। তিনি প্রশ্ন করেন, “শিক্ষক না থাকলে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে থাকবে কীভাবে?” মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলাকালে কোনো শিক্ষক-শিক্ষিকা বিকেল ৪টার আগে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে পারবেন না। শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও নিশ্চিত হবে।
মন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা যখন চাকরিতে যোগদান করেছিলেন, তখন সরকারি ছুটি ছাড়া অতিরিক্ত ছুটি ভোগের বিধান ছিল না।” তিনি সতর্ক করেন যে, ধীরে ধীরে একটি অনিয়মের মধ্যে চলে যাচ্ছি এবং এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পাঠদান শেষে যেসব শিক্ষকের ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে না, তাদের প্রশাসনিক ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারি ছুটির বাইরে কোনো ‘অফ ডে’ রাখা যাবে না। প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সরকারি ছুটির বাইরে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন, শিক্ষকদেরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
মন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ওপর জোর দেন। তার মতে, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন এবং শিক্ষার পরিবেশ, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা উচিত। তিনি এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ কর্মসূচির লিফলেট ও প্রচারপত্র তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া মন্ত্রীর লেখা ‘জাগো বাহে তিস্তা’ বইও বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল হক, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুখসানা পারভীন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম ফারুক সিদ্দিকসহ শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করার লক্ষ্যে দেশের সকল জেলার সঙ্গে ভার্চুয়াল কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি। এ উপলক্ষে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা মিলনায়তনে এক সরাসরি সম্প্রচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বক্তব্য শুরু হওয়ার মাত্র এক মিনিটের মাথায় মিলনায়তনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বক্তব্য শেষ হওয়ার ৩০ সেকেন্ড পর তা রহস্যজনকভাবে ফিরে আসে। পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও কেবল মিলনায়তনে এমন ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাইসুল ইসলাম ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ঘটে যাওয়া এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির। তিনি এক নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। ইউএনও রাইসুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎ যাতে নিরবচ্ছিন্ন থাকে সে বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল; বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম মোঃ আলতাফ হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সঙ্গে শলামচেহ সীমান্ত পারাপার কেন্দ্রটি বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নিরাপত্তা বিষয়ক দুটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইরাক ও ইরানের মধ্যকার শলামচেহ সীমান্ত পারাপার কেন্দ্রটি বন্ধের নির্দেশ দেয় ইরাক সরকার।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি আরবে হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে একটি বড় আকারের অভিযান চলছে। এর আগে শুক্রবার সৌদি আরব জানায়, ইরাক থেকে উৎক্ষেপিত ড্রোন দিয়ে তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে’ হামলা চালানো হয়। এরপরই সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন।
হরমুজ প্রণালিতে তেল বাণিজ্যের জট কমাতে এই পাইপলাইনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। যুদ্ধ প্রশমনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থমকে থাকার এমন সময়ে পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপসাগরীয় তেল সরবরাহের ওপর আরও চাপ তৈরি হলো।
অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনী ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে দ্রুত অগ্রসর হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে চাপ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সরাসরি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে অভিযানে যুক্ত করতে রাজি হননি ট্রাম্প। এর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার সদর থেকে মস্তফাপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার সড়কের পূর্ণ পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই মেটেরিয়াল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সড়কটির সংস্কারকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী জাহান।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদারীপুর-শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের খাগদি এলাকায় গিয়ে সড়কের চলমান সংস্কারকাজ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সড়কের কাজে ব্যবহৃত পাথরের মেটেরিয়ালসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই করেন সংসদ সদস্য।
পরিদর্শনকালে ব্যবহৃত পাথরের মেটেরিয়ালে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পরে মেটেরিয়াল পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গুণগত মান নিশ্চিত করার পর কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে আরও অভিযোগ ওঠে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন না করেই সড়কের সংস্কারকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই ও প্রকৌশলগত তদারকিতে অনিয়ম হয়ে থাকলে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা কাজল খান বলেন, সরকারি অর্থে সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার করা হচ্ছে। তাই কাজের মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয়। ব্যবহৃত মেটেরিয়াল যথাযথভাবে পরীক্ষা, নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ এবং নির্মাণকাজে নিয়মিত প্রকৌশলগত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ধুলা-ময়লা ও বালুর ওপর কার্পেটিংয়ের কাজ করা হয়েছে।
সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অভি ইসলাম বলেন, “আমরা সুন্দরভাবেই কাজ করছি। আমাদের কাজের মান আগে থেকেই ভালো। ওটিবিএল সব সময় ভালো কাজ করে।”
এদিকে সড়কের সংস্কারকাজ ও ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক ও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ২৫ কোটি ১০ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যয়ে মাদারীপুর সদর থেকে মস্তফাপুর পর্যন্ত সড়কটির পূর্ণ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির আওতায় সড়কটির উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। টেন্ডার আইডি ১১৭৬২৯১-এর আওতায় কাজটি করছে অরিয়েন্ট ট্রেডিং অ্যান্ড বিল্ডার্স লিমিটেড (ওটিবিএল)।
চলতি বছরের মার্চ মাসে পূর্ণ নির্মাণকাজ শুরু হলেও এরই মধ্যে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত, ফাটল ও দেবে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত প্রতিটি মেটেরিয়াল যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কাজের প্রতিটি ধাপে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীদের নিয়মিত তদারকি এবং নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পরিদর্শনকালে সড়ক বিভাগের প্রতিনিধি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ