মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২০ পি.এম
দীর্ঘ আট বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অপেক্ষার পর খুলনার পাইকগাছার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ২০০ প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান ১৩৬তম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি (LLB) সম্পন্ন করা আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই সাফল্যে তার পরিবার ও এলাকায় এক আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি পাইকগাছা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামে। তার বাবা মো. এনামুল হক লস্কর পাইকগাছা দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী। মা হ্যাপিয়ারা বেগম গৃহিণী।
একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান হিসেবে আব্দুল্লাহর এই অর্জনকে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেখছেন।
আব্দুল্লাহর শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল মাদরাসায়। তিনি রাজশাহীর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী থেকে দাখিল এবং গাজীপুরের টঙ্গীর তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা থেকে আলিম পাস করেন।
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ‘খ’ ইউনিটে তিনি ১১তম এবং ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি সম্পন্ন করেন।
জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসার পথে আব্দুল্লাহর জন্য সহজ ছিল না। প্রথমবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। তবে তিনি ব্যর্থ হয়ে থেমে যাননি। বরং আরও মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুতি নিতে থাকেন।
নিজের সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “গত আট বছর যাবৎ এই দিনটির জন্য স্বপ্ন দেখছি ও অপেক্ষা করছি। প্রথমবার ব্যর্থ হয়ে খারাপ লেগেছিল অবশ্যই, কিন্তু হতাশ হইনি। ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করে গেছি। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় আল্লাহ রহমতের দুয়ার খুলে দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “পরিশ্রম করলে ও লেগে থাকলে আল্লাহ কখনো নিরাশ করেন না।” নিজের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, “সফলতার পেছনে নিজের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বাবা-মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমার এই স্বপ্ন পূরণ করার মতো সক্ষমতা আমার আছে—তারা এটা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন। বাবা-মায়ের এই আস্থা ও বিশ্বাসই আমাকে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করার মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।”
সহকারী জজ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি বলেন, “বর্তমানে নিম্ন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা পেন্ডিং রয়েছে। একটি মামলা শেষ হতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে। যার কারণে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা একেবারে তলানিতে। ভুক্তভোগীরা এখন বিচার পাবেন না ভেবে আদালতেই আসতে চান না।”
আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি এই অবস্থা কিছুটা হলেও বদলাতে চাই। দেশের বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য।”
জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিশ্রম করা ও লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই হতাশ হওয়া যাবে না। লেগে থাকলে সফলতা আসবেই।”
আব্দুল্লাহ আল মামুনের ১৮তম বিজেএসে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার খবরে তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্য—তার এই পথচলা এখন স্থানীয়দের কাছেও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। মেধাবী ও কৃতী শিক্ষার্থীরা স্নাতক, মাস্টার্স, পিএইচডি এবং অন্যান্য উচ্চতর শিক্ষাক্রমে আবেদন করার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন।
চিকিৎসা, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকলেও ফারসি ভাষা ও সাহিত্য, ইরান স্টাডিজ, মানবিক বিজ্ঞান এবং ইসলামিক স্টাডিজের আবেদনকারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মাস্টার্স এবং পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
স্নাতক বা অনার্স পর্যায়ে আবেদনের জন্য এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম ৭০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। মাস্টার্সে ভর্তির জন্য অনার্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ এবং পিএইচডি ও প্রফেশনাল ডক্টরেট পর্যায়ের জন্য মাস্টার্সে ন্যূনতম ৮০ শতাংশ নম্বর প্রয়োজন হবে।
ঢাকায় অবস্থিত ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় ইরানের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
যেসব নথি লাগবে
আবেদনকারীদের বয়সের জন্য নির্ধারিত সীমা রয়েছে। অনার্স পর্যায়ে সর্বোচ্চ বয়স ২২ বছর, মাস্টার্সে ২৭ বছর এবং মেডিকেল অনার্সে ২২ বছর হতে হবে। স্পেশালাইজড ডক্টরেট, পোস্ট-ডক্টরেট ও ফেলোশিপের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, নম্বরপত্র বা ট্রান্সক্রিপ্ট এবং কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদি বৈধ পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব নথির বৈধ বা সরকারি ইংরেজি অনুবাদও জমা দিতে হবে। সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্টে যথাযথ সিল ও স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক।
পাসপোর্টের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রথম পৃষ্ঠার পরিষ্কার স্ক্যান কপি গ্রহণ করা হবে। মোবাইল ফোনে তোলা অস্পষ্ট বা অনানুষ্ঠানিক ছবি গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুই ধরনের বৃত্তি
বৃত্তির ক্ষেত্রে দুটি ধরনের সুবিধা রয়েছে। বৃত্তি ‘এ’ বা পূর্ণ বৃত্তির আওতায় বিনা মূল্যে শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা বা স্বাস্থ্যবীমা, একক শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা এবং টিউশন ফি সহায়তা প্রদান করা হবে। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে আবেদনকারীদের পূর্ণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সাধারণত অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, বৃত্তি ‘বি’-এর আওতায় বিনা মূল্যে শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা বা স্বাস্থ্যবীমা এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা রয়েছে।
আবেদন যাচাই, প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স এবং অ্যাডমিশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পর্যালোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় কমপক্ষে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পূর্ণ আবেদন ফাইল জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদন ও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগে ০২৪১০২০৪২১-২৪ ফোন নম্বর এবং [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল পাঠিয়ে যোগাযোগ করা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের পরিচিত তারকা জুটি শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাসের একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয় বর্তমানে ১০ বছর বয়সে পদার্পণ করেছে। জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে সে বাবা-মায়ের ভালোবাসা এবং শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছে। এই দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে অপু বিশ্বাস কক্সবাজারে ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে গেছেন। ঢালিউডের এই অভিনেত্রী জন্মদিনের উপহার হিসেবে এই বিশেষ ভ্রমণের আয়োজন করেছেন।
সম্প্রতি অপু বিশ্বাস নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে মা ও ছেলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজের সামনে হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা যায়।
ছবিতে অপুর পরনে ছিল গোলাপি কাজের সালোয়ার-কামিজ এবং চোখে রোদচশমা। অন্যদিকে, জয় কালো টি-শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে রোদচশমা এবং কালো মাস্ক পরিহিত ছিল।
ছবিটির ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস ভালোবাসার ইমোজি যুক্ত করে লিখেছেন, ‘ফ্লাই টু কক্সবাজার, আব্রাম খান জয় বার্থডে স্পেশাল ট্রিপ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে, গত রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জন্মদিনের প্রথম প্রহরে অপু একটি আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে ছেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। তিনি জয়কে নিয়ে কিছু ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন জয় বাবা। তুমি আমার জীবনের সেই মানুষ যার হাসিতে আমার পৃথিবী আলোকিত হয়। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহার বাবা। শুভ জন্মদিন।’
ছেলের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাবা শাকিব খানও। তিনি কালো কোটি ও পাঞ্জাবি পরা জয়ের একটি ছবি প্রকাশ করে লেখেন, ‘জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা, বাবা। তুমি যেন আকাশের নক্ষত্রের মতো উঁচুতে পৌঁছাতে পারো এবং তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারো।’
উল্লেখযোগ্য যে, ২০০৮ সালে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে তারা ক্যারিয়ারের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে তাদের বিয়ের খবর গোপন রেখেছিলেন। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি হাসপাতালে তাদের একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়ের জন্ম হয়।
এরপর ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সরাসরি হাজির হয়ে অপু বিশ্বাস তাদের বিয়ে ও সন্তানের খবর প্রকাশ্যে আনেন। তার সেই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সেসময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। এরপর তাদের সম্পর্কের মধ্যে ছেদ ঘটে এবং তা বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যাতে দাবি করা হয়েছে যে, দেশের বাজারে ইলিশের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা এবং বাংলাদেশি ইলিশ বিদেশে পুনঃরপ্তানির অভিযোগ তুলে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করা উচিত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশটি পাঠান।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ একটি মূল্যবান ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সম্পদ। বর্তমানে দেশের বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম দুই হাজার ৬০০ থেকে তিন হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা সাধারণ ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য ইলিশ কেনা কঠিন করে তুলেছে।
এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে সংকট ও উচ্চমূল্য থাকা সত্ত্বেও অতীতে তুলনামূলক কম দামে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে। আবার, ভারতীয় কিছু আমদানিকারক বাংলাদেশ থেকে কম দামে ইলিশ এনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বেশি দামে পুনঃরপ্তানি করে মুনাফা করছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, এর ফলে বাংলাদেশ সম্ভাব্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় থেকে বঞ্চিত হতে পারে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়টি সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে তুলে ধরা হয়েছে।
এতে আগামী সাত দিনের মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানিসংক্রান্ত কোনো প্রশাসনিক বা নীতিগত সিদ্ধান্ত না নেওয়া, দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়িয়ে দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা এবং মধ্যস্বত্বভোগী এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি রপ্তানির স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান মন্তব্য করেছেন, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারকে ঘৃণা ও সহিংসতার উসকানি দেওয়ার পরিবর্তে টেকসই উন্নয়নের কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের ক্ষেত্রে মানবাধিকার, সমতা এবং বৈষম্যহীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
আইরিন খান বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সকল মানুষের বৈচিত্র্য এবং মর্যাদা রক্ষা করা হবে।
সোমবার জাতিসংঘে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার (ডিডিপিএ) ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান উল্লেখ করেন, ২৫ বছর আগে ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনায় একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল- জাতি, বর্ণ, বংশপরিচয় বা জাতীয় বা জাতিগত পরিচয়ের কারণে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশ্ব এখনও অনেক দূরে রয়েছে। এ সময় তিনি ডিডিপিএর পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি দাসপ্রথা, ঔপনিবেশিকতা এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক অবিচার থেকে উদ্ভূত কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলায় ন্যায়বিচার, শিক্ষা, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি অভিবাসী, শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগণ, সংখ্যালঘু, নারী, শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা মানুষের অধিকার সুরক্ষা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ