সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৮ এম
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আগামী ইজতেমার তারিখ দ্রুত ঘোষণা করা, মাঠ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দুই পক্ষকে সমান সুযোগ প্রদান করা এবং কাকরাইল মসজিদ বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের সাদপন্থি অনুসারীরা। তাদের সাত দফা দাবি রয়েছে।
সাদপন্থিরা একই সঙ্গে ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি করেছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শফিক বিন নাঈম।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, তাবলিগ জামাত একটি শত বছরের পুরোনো অহিংস, শান্তিপূর্ণ ও অরাজনৈতিক মেহনত। তবে বাংলাদেশে ২০১৮ সাল থেকে তাবলিগের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে সংঘাত ও বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। সাদপন্থিদের অভিযোগ, জুবায়েরপন্থি হিসেবে পরিচিত একটি পক্ষ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যানারে অপপ্রচার চালিয়ে তাবলিগের পরিবেশ অশান্ত করছে।
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের বিষয়ে সাদপন্থিরা বলেন, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ইজতেমা ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য টঙ্গীর ১৬০ একর জমি স্থায়ীভাবে ব্যবহারের অনুমোদন দেন। তাদের দাবি, ময়দানের মালিকানা সরকারের; কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক মালিকানা নেই। তাই উভয় পক্ষকে সমানভাবে ময়দান ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে।
তাদের ভাষ্য, লাখ লাখ দেশি মুসল্লি ও বিপুলসংখ্যক বিদেশি মেহমানের অংশগ্রহণের কারণে টঙ্গী ময়দানের বাইরে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন বাস্তবসম্মত নয়। বিকল্প কোনো মাঠে ইজতেমা করলে বিদেশি মেহমানদের দুর্ভোগের পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে দাবি করেন তারা।
২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সংঘটিত সংঘাতের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাদপন্থিরা দাবি করেন, তাদের জোড় কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার কারণে সংঘর্ষে তাদের দুই সাথী ইসমাইল মন্ডল ও শামসুদ্দিন বেলাল মারা যান। এ ঘটনায় তাদের পক্ষের মুরব্বিদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও সিআইডি ও পরে পিবিআই তদন্ত করে ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তাদের অভিযোগ, এরপরও ওই ঘটনায় তাদের দায়ী করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বরের ঘটনা নিয়েও নিজেদের দায় অস্বীকার করেন সাদপন্থিরা। তাদের দাবি, ১৪ ডিসেম্বর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাবলিগের দুই পক্ষসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে জুবায়েরপন্থিদের ময়দান ছাড়ার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছিল বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
তাদের আরও দাবি, ১৫ ডিসেম্বর ময়দান না ছাড়ার পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এর পর ১৮ ডিসেম্বরের ঘটনায় বেলাল হোসেন নিহত হন। সাদপন্থিদের বক্তব্য, নিহত বেলাল হোসেন তাদের অনুসারী ছিলেন। তবে ঘটনার প্রকৃত দায় নির্ধারণে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দায়ী না করার আহ্বান জানানো হয়।
টঙ্গী ময়দানে ভবিষ্যতে ইজতেমা না করার বিষয়ে সাদপন্থিরা কোনো মুচলেকা দিয়েছে এমন দাবিও তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের বক্তব্য, ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি প্রশাসনের কাছ থেকে ময়দানের মালামাল বুঝে নেওয়ার জন্য তাদের পক্ষ থেকে দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা ইজতেমা না করার কোনো মুচলেকা দেননি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়া চিঠিতে আগের একটি পত্রে উল্লিখিত শর্তে তারা একমত নয় বলে জানানো হয়েছিল। পরবর্তী ৯ ফেব্রুয়ারির পত্রে ওই শর্ত উল্লেখ না থাকায় মুচলেকার বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
মাওলানা সাদকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন সাদপন্থিরা। তাদের দাবি, মাওলানা সাদ নিজে নিজে আমির হয়েছেন, আল্লাহ ও নবীর শানে বেয়াদবি করেছেন কিংবা আলেম-ওলামাদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন—এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাকে বাংলাদেশে এনে আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
কাকরাইল মসজিদ নিয়েও নিজেদের দাবি তুলে ধরে তারা বলেন, ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ’ এর নামে মসজিদটি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। তাই সেটি তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশের সব মসজিদে কোনো পক্ষকে অন্য পক্ষের দাওয়াত ও তাবলিগের কাজে বাধা না দেওয়ার জন্য সরকারি নির্দেশনার দাবি করা হয়।
তাবলিগের দুই পক্ষের বিরোধ নিরসনে উভয় পক্ষকে টঙ্গী ময়দানে নিজ নিজ ইজতেমা করার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে সাদপন্থিরা। তাদের দাবি, গত পাঁচ বছর নিজামুদ্দিন অনুসারীরা দ্বিতীয় ধাপে ইজতেমা করায় এবার তাদের প্রথম ধাপে ইজতেমার সুযোগ দেওয়া উচিত।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সাত দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে, টঙ্গী ময়দান সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, উভয় পক্ষের জন্য সমতা নিশ্চিত করা, কাকরাইল মসজিদ বুঝিয়ে দেওয়া, দেশের সব মসজিদে বাধাহীনভাবে তাবলিগের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করা, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং তাবলিগের বিরোধকে কেন্দ্র করে কথিত অপকর্মে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত করা।
এ সময় ২০১৮ ও ২০২৪ সালের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, মুফতি ফয়জুর রহমান, মুফতি বোরহান, ড. মো. রেজাউল করিম, তৌহিদুল হক সোহেল, মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম, প্রফেসর মনজুরুল হক, তারেক মাহমুদ, প্রফেসর নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, প্রফেসর আব্দুল হান্নান ও সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী যাদুকাটা নদীর যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে সমস্ত প্রকারের বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জেলা প্রশাসন। এই নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ২২৪০/২০২৬ ও ২২৪১/২০২৬-এর প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে সব ধরনের বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। যদি কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বালু উত্তোলন করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক জানিয়েছেন, আপিল বিভাগের আদেশের পর জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বালু উত্তোলন করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আন্তর্জাতিক যুব উৎসব-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী তরুণ এবং অতিথিদের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইয়েকাতেরিনবুর্গে অনুষ্ঠিত এই উৎসবের উদ্বোধনী ভিডিওবার্তায় তিনি তরুণ নেতাদের প্রযুক্তির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চিন্তা করার আহ্বান জানান।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া শুভেচ্ছাবার্তায় পুতিন উল্লেখ করেন, ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থল উরাল অঞ্চলের শহর ইয়েকাতেরিনবুর্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ নেতাদের একত্রিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, উরাল অঞ্চল থেকে উদ্ভূত অনেক ধারণা এবং উদ্ভাবন রাশিয়ার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
পুতিন বলেন, নতুন প্রযুক্তির আগমনে মানুষের জীবন কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে মানুষ কেমন বিশ্ব চায়—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য ইয়েকাতেরিনবুর্গ একটি উপযুক্ত স্থান।
রাশিয়ান ভাষার ‘মির’ শব্দটির অর্থ বন্ধুত্ব, শান্তি এবং সম্প্রীতি, পাশাপাশি এর অর্থ বিশ্ব বা পৃথিবীও। পুতিন বলেন, এই অর্থ রাশিয়ার বহুজাতিক জনগণের চরিত্র, সিদ্ধান্ত এবং কর্মকাণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
তিনি মন্তব্য করেন, বন্ধুত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক দৃঢ় এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়া উচিত। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক ন্যায়বিচার এবং সম্মান থাকা প্রয়োজন।
পুতিন আরও বলেন, মানুষের ভাগ্য যেন তার জাতীয়তা, অর্থসম্পদ, সামাজিক মর্যাদা কিংবা পারিবারিক পরিচয়ের মতো বিষয় দ্বারা নির্ধারিত না হয়—এটাই তাদের প্রত্যাশা। প্রতিটি দেশের নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত। তিনি ওষুধ, খাদ্য, পানি, জ্বালানি, শিক্ষা এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
পুতিন বলেন, ‘এটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা, আমাদের লক্ষ্য ও আমাদের স্বপ্ন। আপনারাও যদি এসব আকাঙ্ক্ষা ধারণ করেন, তাহলে আসুন আমরা একসঙ্গে বিশ্বকে বদলে দিই।’
রাশিয়ায় বিভিন্ন প্রকল্পে অংশ নিতে আগ্রহীদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণরা তাদের নিজ নিজ দেশে একটি নতুন, উন্মুক্ত এবং ন্যায়সংগত বিশ্ব গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারেন।
তরুণ প্রজন্মের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে পুতিন বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই যে তরুণ প্রজন্ম সফল হবে। সময় এখন তোমাদের।’
বার্তার শেষে তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার সঙ্গে তোমাদের স্বপ্ন অনুসরণ করো।’ তিনি উৎসবে অংশগ্রহণকারী সবাইকে সুস্বাস্থ্য, সৌভাগ্য এবং সাফল্যের শুভকামনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের বিশেষ অভিযানের ফলস্বরূপ পাঁচ হাজার পিস ইয়াবাসহ পাঁচজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হরষপুর ইউনিয়নের দেওয়ান বাজার এলাকায় একটি অটোরিকশায় তল্লাশি পরিচালনা করে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ইয়াবা বহনকারী অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া মাদক কারবারিদের মধ্যে রয়েছেন, উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মো. আজগর আলীর পুত্র মো. কবির হোসেন, একই গ্রামের মো. তাজুল ইসলামের পুত্র জাহিদুল ইসলাম, কাজী আবুল ফায়েজের পুত্র হান্নান কাজী (রুবেল), মৃত সেলিম মিয়ার পুত্র আব্দুল্লাহ এবং মৃত নুরুল হক ভূঁইয়ার পুত্র শহিদ ভূঁইয়া।
বিজয়নগর থানার ওসি আহসান উল্লাহ জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অটোরিকশাটি আটক করে তল্লাশি চালানো হয় এবং পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই সময় পাঁচজন মাদক কারবারি যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশীয় বস্ত্রকলের সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ১০-৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির জন্য প্রদত্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওই আদেশটি স্থগিত করে অধিকতর পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ করেছে।
রোববার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-৮ শাখা থেকে এনবিআরকে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে এই অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ৭ সেপ্টেম্বর এনবিআরের জারি করা আদেশটি অধিকতর পর্যালোচনার জন্য স্থগিত করার নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান (রপ্তানি-৮ শাখা) মোহাম্মদ খায়রুল আলমের সই করা চিঠিটি এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ কাস্টমস ট্যারিফ-এর এইচএস হেডিং ৫২০৫, ৫২০৬ ও ৫২০৭-এর আওতায় ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে আমদানি সংক্রান্ত আদেশটি অধিকতর পর্যালোচনার জন্য স্থগিত করার অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ