বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১২ পি.এম
সুইডেনে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন দেরিতে করায় ৭৮ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ নারীকে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ঠিকমতো খেতে ও ঘুমাতে পারছেন না।
অবসরপ্রাপ্ত নার্স জয়েস থমাস ২২ বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে সুইডেনে চলে যান। তিন বছর আগে তার স্বামী ক্যান্সারে মারা যান। এরপর থেকে তিনি সুইডেনেই বসবাস করছেন। তবে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর সুইডেনে থাকার জন্য যে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হতো, তা সময়মতো করেননি থমাস।
এই কারণে দেশটির কর্তৃপক্ষ তাকে সুইডেন থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিয়েছে। এরপর তিনি নিজের বৈধভাবে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে একাধিকবার আবেদন ও আপিল করেছেন। কিন্তু তার সব আবেদন ও আপিল প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সুইডেন স্বেচ্ছায় ছাড়ার জন্য তার দেওয়া সর্বশেষ সময়সীমা শেষ হচ্ছে।
সুইডেনে নিজের বাড়ি থেকে বিবিসিকে থমাস বলেন, ‘এটা একেবারে অসহ্য পরিস্থিতি। আমি ঘুমাতে পারছি না, খেতে পারছি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে বুঝতে পারি না, কী হতে যাচ্ছে।’
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়। এর ফলে ব্রিটিশ নাগরিকরা আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে গণ্য হননি।
ব্রেক্সিটের আগে ব্রিটিশ নাগরিকদের সুইডেনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বসবাসের বিশেষ অধিকার ছিল। ব্রেক্সিটের পর সেই অধিকার আর আগের মতো থাকেনি। তবে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে করা বিচ্ছেদ চুক্তিতে একটি সুযোগ রাখা হয়েছিল। এর আওতায় আগে থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশে বসবাস করা ব্রিটিশ নাগরিকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারতেন। এই আবেদনের শেষ সময় ছিল ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
থমাস জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্বামী জানতেনই না যে তাদের এমন আবেদন করতে হবে। ২০২৩ সালে সুইডেনে ফিরে আসার চেষ্টা করার সময় তিনি প্রথম এই নিয়মের কথা জানতে পারেন। এরপর তিনি নিজের অবস্থান বৈধ করার জন্য একের পর এক আবেদন ও আপিল করেন। কিন্তু কোনো আবেদনই গ্রহণ করা হয়নি। বহু বছর ধরে আইনি লড়াইয়ের পর সুইডেনের অভিবাসনবিষয়ক সরকারি সংস্থা মাইগ্রেশনসভেরকেট গত মাসে থমাসকে জানান, তাকে স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে হবে। দেশ ছাড়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয় ৮ সেপ্টেম্বর। থমাসের আইনজীবীরা এখনো তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করছেন। তবে এই বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তিনি।
থমাস বলেন, সুইডেন ছাড়তে হলে তাকে তার ছেলে, নাতি-নাতনি, বন্ধু এবং স্বামীর কবর ছেড়ে যেতে হবে। এই চিন্তা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি ক্লান্ত। সত্যিই আমি ক্লান্ত। আর আমি তো আর তরুণ নই। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে এখানে বসবাস করছি। আমার বন্ধু আছে, পরিবার আছে। তাহলে সহানুভূতি কোথায়?’ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সুইডেন ২ হাজার ৪৯০ জন ব্রিটিশ নাগরিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই সংখ্যা ওই সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশ থেকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাওয়া ৭ হাজার ৫০০-এর বেশি ব্রিটিশ নাগরিকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। তবে সুইডেনে বর্তমানে কতজন ব্রিটিশ নাগরিক বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি মাইগ্রেশনসভেরকেট।
সংস্থাটি বলেছে, থমাসের অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করতে পারে না। তবে গত সপ্তাহে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ানকে মাইগ্রেশনসভেরকেট জানিয়েছে, ব্রেক্সিটের পর থেকে ৪৫৮ জন ব্রিটিশ নাগরিককে সুইডেন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বা জোর করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। থমাসের ঘটনা একক নয়। গত মাসে আরেকটি পরিবার বিবিসিকে জানিয়েছিল, তাদের বাবাকেও সুইডেন থেকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তি স্মৃতিভ্রংশ এবং রক্তনালিজনিত পারকিনসনিজমে আক্রান্ত। তিনি সুইডেনের একটি পরিচর্যা কেন্দ্রে থেকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও সেবা নিচ্ছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুইডেনে বসবাস করার পরও তাকে দেশটি ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় ব্রেক্সিটের পর ইউরোপে বসবাসরত ব্রিটিশ নাগরিকদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
সুইডেনের অভিবাসনমন্ত্রী ইয়োহান ফোরসেল জানিয়েছেন, ব্রেক্সিটের পর যেসব ব্রিটিশ নাগরিক জটিলতায় পড়েছেন, তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ করার সুযোগ আছে কি না, তা সরকার খতিয়ে দেখছে। বিবিসিকে তিনি বলেন, বর্তমান নিয়মগুলো আগের সরকার চালু করেছিল। তাই বিষয়টি সরকার ‘খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখবে’। তিনি বলেন, যারা এই নিয়মের কারণে সমস্যায় পড়েছেন, তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ করতে কী করা যায়, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। থমাসের ঘটনা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি ফোরসেল। তবে তিনি বলেন, সরকারের অবস্থান হলো, নিয়মগুলো উদারভাবে প্রয়োগ করা উচিত। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য সুইডেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার। সুইডেনে বসবাস ও কাজ করা ব্রিটিশ নাগরিকরা যেন দেশটিতে থাকতে পারেন, সেটিই সুইডেন চায়। কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, তা পরিষ্কার করতে সংশ্লিষ্ট সুইডিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
থমাসের পক্ষে কথা বলেছেন সুইডেনের বিরোধী দল ভ্যানস্টারপারিয়েত বা বাম দলের আইনপ্রণেতা হোকান সভেনেলিং। তিনি সরকারের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেছেন। তার মতে, বর্তমান নীতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে সুইডেনে বসবাস করা অনেক ব্রিটিশ নাগরিক সমস্যায় পড়ছেন। সভেনেলিং আশা করছেন, সুইডেনের নির্বাচন সরকারের পরিবর্তন আনতে পারে। তার মতে, বিরোধীরা সরকার গঠন করতে পারলে অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, এর ফলে জয়েস থমাসের মতো সুইডেনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা ব্রিটিশ নাগরিকদের দেশটিতে থাকার সুযোগ তৈরি হতে পারে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, সুইডিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পর্যালোচনা করবে বলে যে বক্তব্য দিয়েছে, যুক্তরাজ্য তা স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সুইডেনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে যুক্তরাজ্য প্রস্তুত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নে সাপের কামড়ে উজ্জল মিয়া (৩২) নামে এক যুবক মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে ভৈরব এলাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
নিহত উজ্জল মিয়া শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার দিকে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় উজ্জল মিয়াকে একটি বিষধর সাপ কামড় দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঠানো হয়। রাত ৯টার দিকে উজ্জল মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর তার স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় ভৈরব এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী জাকি উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "সাপের কামড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।" পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরীও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল মাধ্যম। মানুষের কথা, মানুষের অধিকার, অন্যায়-অনিয়ম ও অসঙ্গতির খবর তুলে ধরে সমাজের সামনে সত্য প্রকাশ করাই একজন সাংবাদিকের অন্যতম দায়িত্ব।
একজন সাংবাদিককে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়। কখনো ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে হয়, কখনো তথ্য যাচাই করতে হয়, আবার কখনো সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরতে হয়। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাহস, সততা, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতা একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় শক্তি।
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। তাই একজন পেশাদার সাংবাদিকের দায়িত্ব আরও বেড়েছে। কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—কারও পক্ষ নেওয়া নয়, বরং সত্যের পক্ষ নেওয়া। মানুষের অধিকার ও ন্যায়ের কথা তুলে ধরে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখাই একজন সাংবাদিকের প্রকৃত সাফল্য।
সাংবাদিক মোঃ তুহিনের ভাবনা
“কলম হোক সত্যের পক্ষে, সংবাদ হোক মানুষের জন্য। অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে সত্য তুলে ধরাই একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে, হংকংকে উড়িয়ে।
বাংলাদেশের মেয়েরা চীনে উড়ছে। জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ নারী হকি দলের জয়রথ অব্যাহত রয়েছে।
তারা চ্যালেঞ্জার পুলে টানা চারটি জয় অর্জন করেছে। এর ফলে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে।
আজ গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ হংকংকে ৬-০ গোলে পরাজিত করেছে। এর পূর্বে চায়নিজ তাইপে, পাকিস্তান এবং কাজাখস্তানকে তারা পরাজিত করেছে।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ নারী হকি দল চারটি ম্যাচে ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ার মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর আক্রমণ চালাতে থাকে। এই আক্রমণের ফলও তারা পায়। ম্যাচের নবম মিনিটে অধিনায়ক শারিকা রিমন পেনাল্টি কর্নার থেকে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন।
দ্বিতীয় কোয়ার্টারের ১৯ মিনিটে আইরিন আক্তার রিয়া একটি চমৎকার ফিল্ড গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। সেই মুহূর্তের মধ্যেই ২৬ মিনিটে কণা আক্তার দলের পক্ষে তৃতীয় গোল করেন।
তৃতীয় কোয়ার্টার শুরু হওয়ার তিন মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশ ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ৩১ মিনিটে মোসাম্মত লিমা দলের চতুর্থ গোলটি করেন। এর ঠিক দুই মিনিট পর, ৩৩ মিনিটে আইরিন রিয়া নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোল করেন।
অন্যদিকে, চতুর্থ কোয়ার্টারে লিমা প্রতিপক্ষের জালে শেষ পেরেক মারেন। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে তিনি হংকংয়ের জালে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। এভাবে বাংলাদেশ ৬-০ গোলের বিশাল জয় পায়।
কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের সঙ্গী হিসেবে কাজাখস্তান ও পাকিস্তান রয়েছে। এছাড়া এলিট পুলের পাঁচটি দল—স্বাগতিক চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও মালয়েশিয়া কোয়ার্টারে যোগ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে জেলা পরিষদের উদ্যোগে নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, যা প্রথমবারের মতো ঘটছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল মা ও শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে এই ডাকবাংলোর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাড. এসএম ওবায়দুল হক নাসির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্নাসহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এ্যাড. এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, "জেলা পরিষদের আওতাধীন এ ডাকবাংলো নির্মাণের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি জেলার গুরুত্বপূর্ণ কাজে আগত অতিথিদের জন্যও এটি সহায়ক হবে।"
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর ডাকবাংলো নির্মাণ প্রকল্পটি জেলা পরিষদ, টাঙ্গাইলের বাস্তবায়নে নির্মিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর টাঙ্গাইল সদরে নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
ভিত্তিপ্রস্তর ফলকে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে টাঙ্গাইল সদর ডাকবাংলোর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ