শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২০ পি.এম
পাকিস্তান লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) এক জরুরি বৈঠকে এই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে যে, এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।
জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত অসীম ইফতিখার আহমেদ বাহরাইন আয়োজিত নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বক্তব্য প্রদানকালে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। "নিরাপদ সাগর, ভাগাভাগি নিরাপত্তা: পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিবেশে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা" শীর্ষক এই বিশেষ আলোচনায় বহুজাতিক জলসীমার নিরাপত্তায় যৌথ পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও পাকিস্তান প্রতিনিধি বৈঠকের কয়েকটি মূল বার্তা তুলে ধরেন:
হুথি হামলার নিন্দা ও যুদ্ধবিরতির দাবি: বাব আল-মান্দেব প্রণালী এবং ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুথিদের সাম্প্রতিক সামরিক উপস্থিতি ও জাহাজ দখলের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পাকিস্তান অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
সউদী আরবের প্রতি পূর্ণ সমর্থন: হুথিদের উসকানিমূলক আক্রমণের মুখে সউদী আরবের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার সুরক্ষায় পাকিস্তান তার পূর্ণ সংহতি ও অটল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিশ্ব অর্থনীতি ও সরবরাহে হুমকি: লোহিত সাগর এবং হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বিঘ্ন ঘটায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টার তাগিদ: সামুদ্রিক বাণিজ্য পথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সংঘাত নিরসনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাকিস্তান এ অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছে।
বাহরাইন ও সউদী আরবের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে হুথিদের এহেন পদক্ষেপের ফলে ইয়েমেনের মানবিক সংকট তীব্র হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীর ইমামরা হুতিদের হামলার প্রচেষ্টাকে নিন্দা জানিয়েছেন, যা পবিত্র মক্কাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। শুক্রবারের খুতবায় তারা এই হামলার প্রচেষ্টাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবমাননা বলেও অভিহিত করেন।
মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শেখ বান্দার বালিলাহ মন্তব্য করেন, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং নিরপরাধ মানুষের জীবন ‘রেড লাইন’। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং পবিত্র স্থানগুলোকে হুমকির মুখে ফেলা যেকোনো প্রচেষ্টা এসব স্থানের মর্যাদা লঙ্ঘন করে এবং মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহর পবিত্র ঘর ও মহানবীর মসজিদকে লক্ষ্য করার মতো কর্মকাণ্ড ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি অভিযোগ করেন যে, হুতিদের ধর্মীয় স্লোগানকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মসজিদে নববীর ইমাম শেখ আবদুলমোহসেন আল-কাসিম বলেন, মক্কা ও মদিনাকে হুমকির মুখে ফেলা হুতি হামলা এক ধরনের সন্ত্রাসী প্রবণতা, যা মুসলমানদের রক্তপাতকে বৈধ মনে করে এবং নিরাপদে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে চায়।
এই বক্তব্য ১৫ সেপ্টেম্বরের একটি ড্রোন ঘটনার কয়েক দিন পর এসেছে। সউদী নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনের বৈধ সরকারকে সমর্থনকারী জোটের দাবি, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে মক্কার দক্ষিণে একটি হুতি ড্রোন শনাক্ত করে সউদী বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ড্রোনটি মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ভূপাতিত করা হয়।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি ঘটনাটিকে মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি দাবি করেন, এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মক্কাকে লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
তবে হুতিরা মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের একটি সামরিক সূত্র সউদী দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাদের পক্ষ থেকে মক্কা বা অন্য পবিত্র স্থানের জন্য কোনো হুমকি ছিল না।
মক্কা ইসলামের পবিত্রতম শহর এবং প্রতিবছর হজ পালনের প্রধান কেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে সউদী ভূখণ্ডে হুতিদের হামলা এবং ইয়েমেনে সউদী নেতৃত্বাধীন বাহিনীর পাল্টা হামলার মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তথ্যসূত্র: সউদী গেজেট, রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১১ জনকে পরিবারের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। অন্য ১২ জনকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১২ জনকে সিটিটিসির হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
এর আগে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের মসজিদে গোপন বৈঠক করার সময় পুলিশ ২৩ জনকে আটক করে। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার সন্দেহে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে তেজগাঁও কলেজের মসজিদে একত্রিত হতে পারেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই মসজিদটিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা একই সংগঠনের সদস্য কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের পরিচয়, কর্মকাণ্ড এবং সম্ভাব্য সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই মূলত তাদের আটক করা হয়েছে। আটকদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে এবং জনগণকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সচেতন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে একটি নতুন কার্যক্রম, যার নাম ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’।
এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোয়ারীঘাট লঞ্চ ঘাটে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেন, "বুড়িগঙ্গা নদীর ওপরই প্রাচীন ঢাকা গড়ে উঠেছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের মূল ভিত্তি ছিল এই নদী। কিন্তু অবৈধ দখল ও যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে বুড়িগঙ্গার অস্তিত্ব আজ বিপন্ন। এই নদীকে বাঁচাতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আজ হয়তো এক দিনে বুড়িগঙ্গার সব সমস্যার সমাধান হবে না, তবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা নদী তীরের বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে এই সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে চাই।"
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ঢাকার চারপাশের নদীগুলো—বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীকে নৌ-চলাচলের উপযোগী করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে ইতোমধ্যেই নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
তিনি যোগ করেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের একটি বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলবে এবং প্রতি শনিবার বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। কর্তব্যে অবহেলা করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় বর্জ্য রিসাইক্লিং করে দ্রুত বিদ্যুৎ, গ্যাস, কম্পোস্ট সার ও ডিজেল উৎপাদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করা যায়, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা এর প্রাথমিক ধাপে পৌঁছাতে পারব। বর্জ্য সম্পদে পরিণত হলে তা আর যেখানে-সেখানে পড়ে থাকবে না।"
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে প্রশাসক বলেন, "৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষের অসাবধানতার কারণেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডাবের খোসা, এসি কিংবা ছাদ ও ড্রেনে যেন তিন দিনের বেশি পানি না জমে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখার অনুরোধ জানাই।" একই সাথে তিনি জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মসূচি না দিয়ে পরিচ্ছন্ন শহর গঠনে সহায়তার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুড়িগঙ্গার তীরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বর্জ্য সংগ্রহ করে ডিএসসিসির অস্থায়ী ভাসমান বাজারে জমা দেওয়ার বিনিময়ে উপহার হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হয়। একটি লঞ্চকে সাজিয়ে এই সাময়িক ভাসমান বাজার তৈরি করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শীর্ষক এ প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নতুন এই প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ভিত্তিতে এলাকা ও গ্রেড অনুযায়ী বাড়িভাতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপের বেতনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকায় বাড়িভাতার হার ঢাকা শহরের তুলনায় কম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসব এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
দেশের অন্যান্য এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৬৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া প্রদান করা হয়, তবে ন্যূনতম ৫ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া দেওয়া হয়।
মূল বেতন ৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে ৬০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৬ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়।
১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়িভাতার হার ৫৫ শতাংশ। এই ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা।
আর মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া প্রদান করা হয়। এই ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা।
নতুন প্রজ্ঞাপনে বাড়িভাতার হার মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকার বর্তমান বাড়িভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্কও নতুন কাঠামোর সঙ্গে পরিবর্তিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ