০৬:৩৭ পি.এম
উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক শক্তি ‘গুণগত ও পরিমাণগত—উভয় দিক থেকেই’ আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।
এছাড়াও, দক্ষিণ কোরিয়াকেন্দ্রিক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ও দায়িত্ব বাড়ানোর বিষয়টিও উল্লিখিত হয়েছে। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে ইতিমধ্যেই উত্তর কোরিয়ার ওপর ব্যাপক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধ শান্তিচুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে, তাই উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: পারস্য উপসাগরে মাইনের আঘাতে দ্বিতীয় সুপারট্যাঙ্কারে ভয়াবহ আগুন
বার্তা সংস্থা এএফপি সিউল থেকে এই খবর জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের সমঝোতামূলক উদ্যোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করার পর এই ঘোষণা আসে। পিয়ংইয়ং সিউলকে তাদের ‘সবচেয়ে বৈরী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং নিজেদেরকে ‘অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের বর্ধিত বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ‘গুণগত ও পরিমাণগত—উভয় দিক থেকেই পারমাণবিক শক্তি জোরদার’ করার পদক্ষেপ গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে দক্ষিণ কোরিয়া সংক্রান্ত অভিযানের দায়িত্ব পালনকারী পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জেনারেল রিকনেসান্স অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর কার্যক্রম ও দায়িত্ব ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের আহ্বান জানানো হয়।
কেসিএনএ জানিয়েছে, সম্ভাব্য শত্রুর হুমকি নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহে সংস্থাটি ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ পালন করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে সংস্থাটির ‘সামরিক নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সক্ষমতা বৃদ্ধি’ করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে তেলের দাম বেড়ে ১১০ ডলারে পৌঁছেছে
কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের জ্যেষ্ঠ গবেষক হং মিন বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায়, পিয়ংইয়ং বর্তমানে দুই কোরিয়াকে ‘দুটি বৈরী রাষ্ট্র’ হিসেবে মনে করছে। এর ফলে যুদ্ধবিরতি ভিত্তিক আগের কাঠামো পরিবর্তিত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন