মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৮ এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে তাদের কবর জিয়াত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল থেকে জিয়া উদ্যান এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। খণ্ড খণ্ড মিছিলে জড়ো হয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।
নেতারা উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে দলকে আরও সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ আরও অনেক নেতাকর্মী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৩২ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৬ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫০ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৫৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৫৯ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৩৩ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ২৩ জন এবং উত্তরা বিভাগ থেকে ৫০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। এছাড়া গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন ১টি দেশীয় রিভলবার, ৪ রাউন্ড গুলি, ৬৩২৪ পিস ইয়াবা, ৩৩ পুরিয়া গাঁজা ও ৩৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, মঙ্গলবার। ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয় একনজরে দেখা যাক।
ঘটনাবলি:
১১৪৫ সালে লুন্ড ক্যাথেড্রালের মূল বেদি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা সে সময় নর্ডিক দেশসমূহের আর্চবিশপের আসন হিসেবে কাজ করেছিল।
১১৭৩ সালে আনকোনা অবরোধ তুলতে বিধবা স্তামিরা আত্মত্যাগ করেন, যা সম্রাট ফ্রিডরিখ বারবারোসা-র বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত হয়।
১১৭৪ সালে ইতালীর পিসা শহরে বিখ্যাত পিসার হেলান টাওয়ার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
১৪৪৯ সালে মঙ্গোলরা চীনের সম্রাটকে বন্দী করে, যা তুমু সংকট হিসেবে পরিচিত।
১৫২৯ সালে আধুনিক আর্জেন্টিনায় নির্মিত প্রথম স্পেনীয় দুর্গ সানক্তি স্পিরিতু আদিবাসীদের দ্বারা ধ্বংস করা হয়।
১৫৩২ সালে অ্যান বোলিনকে তার বাগদত্তা ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি মার্কেস অব পেমব্রোক উপাধি প্রদান করেন।
১৬০৪ সালে শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আদি গ্রন্থ, বর্তমানে গুরু গ্রন্থ সাহিব নামে পরিচিত, প্রথমবার হরমন্দির সাহিবে স্থাপন করা হয়।
১৬১০ সালে ক্লাউদিও মোন্তেভের্দির সঙ্গীতকর্ম ভেসপ্রো দেল্লা বেয়াতা ভারজিনে প্রথম প্রকাশিত হয়, যা ভেনিসে মুদ্রিত হয় এবং পোপ পঞ্চম পলের প্রতি উৎসর্গ করা হয়।
১৬৪৪ সালে ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইস ৭২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
১৬৪৪ সালে টিপারমুইরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যেখানে প্রথম মার্কেস অব মন্ট্রোজ জেমস গ্রাহাম ওয়েমিসের আর্লের কভেন্যান্টার বাহিনীকে পরাজিত করেন, যা রাজতন্ত্রী পক্ষকে পুনরুজ্জীবিত করে।
১৬৪৫ সালে ইংরেজ গৃহযুদ্ধের সময় স্কটল্যান্ড রাজ্যের কভেন্যান্টার বাহিনী স্কটল্যান্ডে রাজতন্ত্রীদের বিজয়ের খবরে হেয়ারফোর্ড অবরোধ, যা একটি রাজতন্ত্রী ঘাঁটি ছিল, তা এক মাস পর পরিত্যাগ করে।
১৭১৫ সালে পাঁচ বছর বয়সে পঞ্চদশ লুই তার প্রপিতামহ রাজা চতুর্দশ লুইয়ের উত্তরসূরি হিসেবে ফ্রান্সের রাজা হন।
১৭৬৩ সালে রাশিয়ার সম্রাজ্ঞী দ্বিতীয় ক্যাথরিন ইভান বেৎস্কয়ের মস্কোতে ফাউন্ডলিং হোম তৈরির পরিকল্পনা অনুমোদন করেন।
১৭৭২ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান লুইস ওবিস্পোতে মিশন সান লুইস ওবিস্পো দে তোলোসা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৭৭৪ সালে ম্যাসাচুসেটস বে প্রদেশের উপনিবেশিকরা রক্তপাতহীন পাউডার অ্যালার্মে বিদ্রোহ করে।
১৮০৪ সালে জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল লুডভিগ হার্ডিং কর্তৃক প্রধান বেষ্টনীর অন্যতম বড় গ্রহাণু ৩ জুনো আবিষ্কৃত হয়।
১৮১৮ সালে কলকাতায় নতুন স্কুল স্থাপনের উদ্দেশ্যে দেশীয় ও ইউরোপীয় শিক্ষানুরাগীদের যৌথ উদ্যোগে ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি গঠিত হয়।
১৮৩১ সালে ভ্যাটিকান সিটির পোপ ষোড়শ গ্রেগরি কর্তৃক অর্ডার অব সেন্ট গ্রেগরি দ্য গ্রেট প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৩৬ সালে রকি পর্বতমালার পশ্চিমে বসতি স্থাপনকারী প্রথম ইংরেজিভাষী শ্বেতাঙ্গ নারীদের একজন নার্সিসা হুইটম্যান ওয়ালা ওয়ালায় পৌঁছান।
১৮৩৮ সালে দক্ষিণ আমেরিকায় ব্রিটিশ উৎসের প্রাচীনতম বিদ্যালয় সেন্ট অ্যান্ড্রু'স স্কটস স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৫৩ সালে উত্তমাশা অন্তরীন থেকে পৃথিবীর প্রথম ত্রিকোণ ডাকটিকিট ইস্যু করা হয়।
১৮৬২ সালে মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় উত্তর ভার্জিনিয়া অভিযানের সময় স্টোনওয়াল জ্যাকসনের নেতৃত্বে কনফেডারেট বাহিনী চ্যান্টিলির যুদ্ধে ব্যাপক হতাহত ঘটায়।
১৮৬৪ সালে মার্কিন গৃহযুদ্ধের আটলান্টা অভিযানের অংশ হিসেবে জোনসবরোর যুদ্ধ উইলিয়াম টি. শেরম্যানের নেতৃত্বে ইউনিয়নের বিজয়ে পরিণত হয়, যখন কনফেডারেট জেনারেল জন বেল হুড আটলান্টা খালি করার নির্দেশ দেন।
১৮৭০ সালে ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধের সময় সেডানের যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যার ফলে প্রুশিয়ার চূড়ান্ত বিজয় হয়।
১৮৭৩ সালে তার পিতা এমপান্ডের মৃত্যুর পর সেতশোয়ায়ো জুলু জাতির রাজা হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৮৭৮ সালে এমা নাট বিশ্বের প্রথম নারী টেলিফোন অপারেটর হন, যখন আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তাকে বোস্টন টেলিফোন ডিসপ্যাচ কোম্পানিতে নিয়োগ দেন।
১৮৮০ সালে মোহাম্মদ আইয়ুব খানের বাহিনী কান্দাহারের যুদ্ধে ব্রিটিশদের কাছে পরাজিত হয়, যা দ্বিতীয় ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
১৮৯৪ সালে মিনেসোটার হিঙ্কলিতে গ্রেট হিঙ্কলি অগ্নিকাণ্ডে ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়।
১৮৯৭ সালে বোস্টনে ট্রেমন্ট স্ট্রিট সাবওয়ে চালু হয়, যা উত্তর আমেরিকার প্রথম ভূগর্ভস্থ দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা।
১৯০৫ সালে ব্রিটিশরাজ বঙ্গভঙ্গের নির্দেশ জারি করে।
১৯১৪ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবুর্গের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পেট্রোগার্ড়।
১৯২৩ সালে জাপানের টোকিও ও ইয়াকোহামায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই লক্ষ লোক নিহত হয়।
১৯২৮ সালে আলবেনিয়া রাজ্যে পরিণত হয়।
১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যুদ্ধের সূচনা করে।
১৯৩৯ সালে জে. রবার্ট ওপেনহাইমার এবং তার ছাত্র হার্টল্যান্ড স্নাইডার ওপেনহাইমার-স্নাইডার মডেল প্রকাশ করেন, যা সমসাময়িক পদার্থবিজ্ঞানে প্রথমবার প্রমাণ করে যে কীভাবে কৃষ্ণগহ্বর তৈরি হতে পারে।
১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের পশ্চাদপসরণ জটিল করতে অপারেশন র্যাটউইক শুরু হয়।
১৯৬১ সালে সাবেক ইউগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৬১ সালে শিকাগোর মিডওয়ে বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই টিডব্লিউএ ফ্লাইট ৫২৯ বিধ্বস্ত হয়, এতে ৭৮ জন আরোহীর সবাই নিহত হন।
১৯৬৯ সালে বাদশাহ ইদ্রিসকে ক্ষমতাচ্যুত করে মুয়াম্মর গাদ্দাফি ক্ষমতায় আসেন।
১৯৭৩ সালে কেল্টিক সাগরে ৭৬ ঘণ্টার বহুজাতিক উদ্ধার অভিযানে রজার ম্যালিনসন ও রজার চ্যাপম্যানকে উদ্ধার করা হয়।
১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।
১৯৮১ সালে মধ্য আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ডেভিড ডাকো জেনারেল আন্দ্রে কোলিংবা-র নেতৃত্বে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন।
১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী মহাকাশ কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৩ সালে স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত আকাশসীমায় প্রবেশ করায় সোভিয়েত জেট ফাইটার কর্তৃক কোরিয়ান এয়ার লাইন্স ফ্লাইট ০০৭ গুলি করে ভূপাতিত করা হয়, এতে কংগ্রেস সদস্য লরেন্স ম্যাকডোনাল্ড সহ ২৬৯ জন আরোহী নিহত হন।
১৯৮৫ সালে ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়।
১৯৯১ সালে উজবেকিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৯২ সালে জাকার্তায় দশম জোটনিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০০৪ সালে রাশিয়ায় বেলসান স্কুলে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের অপহরণ করে।
২০০৮ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী আনবার প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ ইরাকি সশস্ত্র বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।
জন্ম:
১১৪৫ - ইবনে জুবায়ের, ছিলেন আল আন্দালুসের একজন ভূগোলবিদ, পর্যটক ও কবি।
১৮৫৩ - আলেক্সেই ব্রুসিলভ, একজন রুশ জেনারেল এবং রণকৌশলবিদ।
১৮৫৬ - সের্গেই নিকোলায়েভিচ উইনোগ্রাডস্কি রুশ অণুজীব বিজ্ঞানী।
১৮৭৫ - এডগার রাইস বারোজ, একজন মার্কিন লেখক।
১৮৭৭ - ফ্রানসিস উইলিয়াম অ্যাস্টন, একজন ইংরেজ রসায়নবিজ্ঞানী ও পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
১৮৯৬ - অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মগুরু এবং ইসকন তথা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ, হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য।
১৮৯৭ - পরিমল গোস্বামী বাঙালি সাহিত্যিকে।
১৯০৮ - আমির ইলাহি, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।
১৯১১ - দেবেশ দাশ, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।
১৯১৮ - মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
১৯২০ - রিচার্ড ফার্নসওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেতা ও স্টান্ট।
১৯২৩ - হাবিব তানভীর, প্রখ্যাত ভারতীয় উর্দু, হিন্দি নাট্যকার, নাট্যকার পরিচালক, কবি ও অভিনেতা।
১৯২৪ - শৈলেন মান্না, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন খ্যাতিমান ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৩৩ - বিষ্ণু বসু, ভারতীয় বাঙালি নাট্যকার, নাট্য সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার।
১৯৩৫ - ড.সরোজ ঘোষ, পদ্ম পুরস্কারে সম্মানিত ভারতে বিজ্ঞান সংগ্রহশালা এবং বিজ্ঞান কেন্দ্র আন্দোলনের জনক।
১৯৩৫ - মুস্তফা মনোয়ার, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
১৯৩৯ - লিলি টমলিন, মার্কিন অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেত্রী, লেখিকা, গায়িকা ও প্রযোজক।
১৯৪০ - আনি এরনো, একজন ফরাসি লেখিকা ও সাহিত্যের অধ্যাপিকা।
১৯৪৫ - আব্দরাব্বুহ মানসুর হাদি, একজন ইয়েমেনি রাজনীতিবিদ ও ইয়েমেন সেনাবাহিনীর প্রাক্তন ফিল্ড মার্শাল।
১৯৪৭ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক মিহির সেনগুপ্ত।
১৯৬২ - রুড গুলিট, ডাচ ফুটবলার ও ম্যানেজার।
১৯৬২ - কফিল আহমেদ, বাংলাদেশী কবি, গায়ক এবং চিত্রশিল্পী।
১৯৬৫ - নচিকেতা চক্রবর্তী, ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
১৯৭১ - হাকান শুকুর, তুর্কি ফুটবলার যিনি স্ট্রাইকার অবস্থানে খেলেন।
১৯৯০ - টম ব্লান্ডেল, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।
১৯৯২ - ক্রিস্তিয়ানো বিরাগি, একজন ইতালীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৯৬ - জেনডেয়া, একজন মার্কিন অভিনেত্রী, গায়িকা এবং নৃত্য শিল্পী।
১৯৯৭ - জংকুক, কোরিয়ান গায়ক।
মৃত্যু:
৮৭০ - ইমাম বুখারী, একজন আলেম ও বিখ্যাত হাদিসবেত্তা।
১১৫৯ - পোপ চতুর্থ আদ্রিয়ান
১৫৫৭ - জ্যাকস কার্টিয়ার, ফরাসি অভিযাত্রী। তাকে কানাডার অন্যতম আবিস্কারক মনে করা হয়।
১৫৭৪ - গুরু অমর দাস তৃতীয়, শিখধর্মের দশ গুরুর তৃতীয় গুরু।
১৫৮১ - গুরু অমর দাস চতুর্থ, ছিলেন শিখধর্মের দশ শিখ গুরুর চতুর্থ গুরু।
১৬৪৪ - ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুই।
১৬৪৮ - মারাঁ মের্সেন, ফরাসি একজন ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ।
১৬৮৭ - হেনরি মুর, ইংরেজ দার্শনিক।
১৭১৫ - চতুর্দশ লুই, ফ্রান্সের রাজা।
১৮৭৩ - অগাস্টাস হেনরি টাল্ক, গ্রন্থাগার এবং তথ্য বিজ্ঞানের সাথে জড়িত একজন শিক্ষাবিদ।
১৮৮৭ - ওয়াজেদ আলি শাহ, আওধের নবাব।
১৯০৪ - আলফ্রেড রিচার্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।
১৯৩০ - জীবন ঘোষাল, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।
১৯৭০ - ফ্রঁসোয়া মোরিয়াক, একজন ফরাসি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, কবি, সাহিত্য সমালোচক ও সাংবাদিক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
১৯৭৫ - প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠ শিল্পী সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তী।
১৯৮১ - অ্যান হার্ডিং, মার্কিন মঞ্চ, চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।
১৯৮২ - হার্সেল কুরি মার্কিন গণিতবিদ।
১৯৮৮ - লুইস ওয়াল্টার আলভারেজ, একজন স্পেনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
২০০৪ - মুফতি আহমেদ কুফতার, সিরিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি।
২০১৫ - ডিন জোন্স, একজন মার্কিন অভিনেতা।
ছুটি ও অন্যান্য:
জ্ঞান দিবস (রাশিয়া)।
বিদ্রোহ দিবস (লিবিয়া)।
শিক্ষক দিবস (সিংগাপুর)।
স্বাধীনতা দিবস (উজবেকিস্তান)।
সংবিধান দিবস (স্লোভাকিয়া)।
ইস্টার্ন অর্থোডক্স চার্চে এই দিনে বছর শুরু হয়।
পুলিশ দিবস (ভারত)।
জাতীয় ক্ষমা দিবস (বাংলাদেশ)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও করবে এমন সব ধরনের উদ্যোগকে শান্তিপূর্ণভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাত সমাধানের জন্য, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলেন মোদি।
মোদি বলেন, "আমাদের অন্তহীন যুদ্ধ থেকে যুদ্ধের অবসানের দিকে যেতে হবে। মানবতার প্রত্যাশা হলো, এই যুদ্ধ যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক।"
তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হয়। সর্বশেষ বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট তাকে পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে জানিয়েছিলেন। মোদি বলেন, "সংকট সমাধানে ভারত সব ধরনের শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিকে সমর্থন করে।"
মোদি আরও বলেন, "সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রয়োজন, কারণ এটি শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য নয়, পুরো মানবতার স্বার্থে জরুরি।"
মোদির এবারের বক্তব্য কয়েক বছর আগে দেওয়া তার বহুল আলোচিত "এটি যুদ্ধের সময় নয়" মন্তব্যের কথাই আবার মনে করিয়ে দিয়েছে। ২০২২ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মোদি বলেছিলেন, "এটি যুদ্ধের সময় নয়। এখন সময় একসঙ্গে কাজ করার এবং মানবতার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা চ্যালেঞ্জগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার।"
তিনি তখন কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দিয়েছিলেন। ভারত ধারাবাহিকভাবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও পুতিন—দুজনের সঙ্গেই আলোচনায় সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছে।
মোদি বলেন, ভারত এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির পক্ষে। তার ভাষায়, "প্রতিদিন যুদ্ধ চলা মানেই মানবতাকে আরও পিছিয়ে দেওয়া। তাই আমাদের সংঘাত বন্ধ করার জন্য কাজ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, ভারত হলো মহাত্মা গান্ধী ও গৌতম বুদ্ধের দেশ। দুজনেরই মূল বার্তা ছিল শান্তি।
মোদির বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত বিশ্বাস করে যুদ্ধ নয়, বরং আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা উচিত।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলার মারাত্মক প্রাদুর্ভাব আরও বিস্তার লাভ করেছে। সর্বশেষ সরকারি পরিসংখ্যান সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রকাশিত হয়, যেখানে এই তথ্য উঠে এসেছে।
দেশটিতে ইবোলায় আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ৬ হাজার ৪১ জনে পৌঁছেছে। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৯১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৬৬ জন। সম্প্রতি ভাইরাসটির প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২৯ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৯৪৫ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮৬২ জন। এর পরের দুইদিনের মধ্যে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়ে গেছে।
চলতি বছরের মে মাসে ইবোলার বর্তমান প্রাদুর্ভাব আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে সংক্রমণ দেশের ছয়টি প্রদেশের প্রায় ৬০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতুরি, উত্তর কিভু ও হাউত-উয়েলে এই প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বুন্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাস। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো অনুমোদিত নির্দিষ্ট টিকা বা চিকিৎসা নেই। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রোগী শনাক্তকরণ, সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ এবং টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি, স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট এবং দুর্গম এলাকায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছাতে না পারার কারণে ইবোলা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ