মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৬ পি.এম
যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক শহর ম্যানচেস্টারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে চূড়ান্ত করেছে দেশটির সরকার। ২০২৭ সালের ২৭ ও ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই হাই-প্রোফাইল সম্মেলন, যা ম্যানচেস্টার সেন্ট্রাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম, যিনি ম্যানচেস্টার শহরকে তার সাবেক 'রাজনৈতিক দুর্গ' হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন, যা তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই সম্মেলনের মূল আকর্ষণ হবে বিশ্বনেতাদের উপস্থিতি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জি২০-এর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবে। বিশ্বের ১৯টি বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) নিয়ে গঠিত এই জোটটি বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক ক্ষমতার ৮৫ শতাংশেরও বেশি প্রতিনিধিত্ব করে।
জি২০ সম্মেলনে সব সদস্য রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। এতে অংশগ্রহণ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইসহ অন্যান্য বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হবে, যদিও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে তার কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন বিদ্যমান।
ঐতিহাসিক স্থান ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব
ম্যানচেস্টারের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সাবেক রেলওয়ে স্টেশন 'ম্যানচেস্টার সেন্ট্রাল'-এ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনটি শহরের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় জানান, ম্যানচেস্টার একটি অনন্য ইতিহাস ও পরিচয়ে সমৃদ্ধ শহর। তিনি দাসপ্রথা বিরোধী আন্দোলনে শহরের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও আত্মমর্যাদার কথা আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
তিনি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় জনস্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন। প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ এবং দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার নির্দেশও তিনি দেন।
আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-তে অন্তর্ভুক্ত, অনুমোদিত (সবুজ পাতায়) ও প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পসমূহের অনুমোদন ও পর্যালোচনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও কার্যকর রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধিত পানি নদীতে নির্গমনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, "সরকারের পরিকল্পনা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে থাকতে হবে।" তিনি ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই ধরনের প্রকল্পকে ক্লাস্টারভিত্তিকভাবে সমন্বিত করার মাধ্যমে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি ও ওভারল্যাপ কমানোর সম্ভাবনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। এতে সরকারি সম্পদের অপচয় কমবে এবং প্রকল্পের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে সম্পূরক প্রকল্প গ্রহণ করা যেতে পারে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ করে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করার কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরিধি পুননির্ধারণ, রি-স্কোপিং ও মার্জারের মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান কবির আহামদ, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান মো. বাবুল মিঞা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমান, ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি বাধা, সংসদ সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং দমন-পীড়নের তীব্র অভিযোগ সত্ত্বেও আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে নির্ধারিত প্রতিবাদ পদযাত্রা (মার্চ) কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তানের বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির শীর্ষ নেতারা পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, তাদের আন্দোলন দমন করতে কোনো ভয়ভীতি দেখানো সম্ভব হবে না।
সোমবার পেশোয়ারে খাইবার পাখতুনখোয়ার (কেপি) মুখ্যমন্ত্রী হাউস থেকে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দলের অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ব্যরিস্টার গোহর আলী খান ও কেপির মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি।
সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি বলেন, "পিটিআই তার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সাংবিধানিক অধিকার পূর্ণ শক্তিতে প্রয়োগ করবে। সরকারের ভয়ভীতি দেখানোর কৌশল আমাদের মনোবল ভাঙতে পারবে না।" তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোনদের গ্রেপ্তার, প্রাদেশিক কেবিনেট মন্ত্রী শকিল খানের গাড়িতে গুলি বর্ষণ এবং শ্রমমন্ত্রী ফজল শাকুর খানকে সাদা পোশাকধারীদের তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা আন্দোলন নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র। তিনি হুশিয়ারি দেন যে, এসব দমন-পীড়ন পিটিআই-এর আন্দোলনকে আরও জোরদার করবে।
পিটিআই-এর অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ব্যরিস্টার গোহর আলী খান সরকারের এই বৈরী আচরণের তীব্র সমালোচনা করে জানান, সম্প্রতি দলের অন্তত ১,৫০০ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবন এবং পার্লামেন্ট লজেস এলাকা থেকে ৫ জন সংসদ সদস্য (এমএনএ), একজন সাবেক সিনেটর এবং প্রাদেশিক আইনপ্রণেতাদের (এমপিএ) অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "বিগত চার বছরে আমরা বিচার পাওয়ার আশায় ২৫ বার হাইকোর্ট এবং ১৯ বার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছি, কিন্তু আদালতের কোনো আদেশই সরকার তোয়াক্কা করেনি। ইমরান খানের স্বাস্থ্যের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পর্যন্ত অমান্য করা হয়েছে।"
একই দিনে পাকিস্তানের অন্যান্য বিরোধী দল ও জোট 'তেহরিক-ই-তাহাফুজ আইনে পাকিস্তান' (টিটিএপি) পার্লামেন্ট ভবন এলাকা থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা অবিলম্বে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া এবং সাধারণ জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে রাজধানীর সড়ক থেকে কনটেইনারের ব্যারিকেড সরানোর দাবি জানিয়েছে।
অন্যদিক, সম্ভাব্য এই মার্চকে ঘিরে ইসলামাবাদ জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্তমান সরকার। অ্যান্টি-টেররিজম কোর্ট (এটিসি) ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারকৃত একাধিক পিটিআই কর্মীকে রিমান্ড ও পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। তবে পিটিআই নেতৃত্ব জানিয়েছে, আন্দোলন সংক্রান্ত বাকি চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা ২৫ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে। সূত্র: ডন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তৌসিফ মাহবুব ও শার্লিন ফারজানা অভিনয়ের মাধ্যমে ছোট পর্দায় নিজেদের জন্য একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন। তাদের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায়নি কখনো। তবে এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। জনপ্রিয় এই দুই অভিনয়শিল্পী প্রথমবারের মতো ওয়েব ফিল্মে জুটি বাঁধছেন। নতুন এই ওয়েব ফিল্মটির নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং এটি নির্মাণ করবেন ভিকি জাহেদ।
ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ভিকি জাহেদের পরিচিত নির্মাণ শৈলীতে সাসপেন্স-থ্রিলার গল্পে তৈরি হবে এই ওয়েব ফিল্মটি। ফলে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, যে প্রথমবারের মতো তৌসিফ ও শার্লিনের জুটি কেমন রসায়ন নিয়ে হাজির হবে।
বর্তমানে ভিকি জাহেদ নিজের সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। কাজটি শেষ করার পর তিনি নতুন ওয়েব ফিল্মটির শুটিং শুরু করবেন। এরপর একই অভিনেতাকে নিয়ে ‘চক্র ৩’-এর কাজ শুরু করবেন। সিনেমাটি আগামী ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে নতুন বছরের শুরুতে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে মুক্তি পেতে পারে তৌসিফ ও শার্লিন অভিনীত নাম চূড়ান্ত না হওয়া ওয়েব ফিল্মটি।
এদিকে, তৌসিফ মাহবুব বর্তমানে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে নতুন একটি নাটকের কাজ শেষ করেছেন। নাটকটি রাখির পরিচালনায় এবং এতে তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন কেয়া পায়েল। এছাড়া, সম্প্রতি তারা নতুন একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংও সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, অভিনয়ে বিরতি কাটিয়ে ফিরেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন শার্লিন ফারজানা। তিনি জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে ‘নীলপরী’ নাটকে ফিরছেন। এর পাশাপাশি, গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘সেপারেশন’ সিনেমাতেও যুক্ত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিমান বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করবে কিনা, তা নিয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জিন-মার্ক সেরে-চারলেট বলেছেন, ফ্রান্স মোটেও চিন্তিত নয়। তিনি বাংলাদেশে উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে সকলের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন।
মঙ্গলবার, জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) কর্তৃক আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আরো পড়ুন
সোনারগাঁয়ে কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবক আটক।
বাংলাদেশের এয়ারবাস কেনার বিষয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জানান, কয়েক বছর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তাদের বহর বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করে। এরপর এয়ারবাসের সঙ্গে কারিগরি জরিপ ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এয়ারবাস কেনা বিমানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বড় বড় এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে এয়ারবাস ও বোয়িং—দুই ধরনের উড়োজাহাজ রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে বহরে বৈচিত্র্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুন
অবশেষে গ্রেপ্তার ‘সন্দ্বীপের দানব’ মাহফুজুর রহমান।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ঢাকা থেকে কোনো বিরতি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে—এমন উড়োজাহাজের মধ্যে এয়ারবাস এ৩৫০ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কারিগরি ও যৌক্তিক দিক থেকে বিমান এয়ারবাসকে বেছে নিয়েছে। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই।
তিনি বলেন, এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের আলোচনা এখনও চলছে এবং তা ভালোভাবে এগোচ্ছে। তবে আলোচনার কারিগরি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চান না তিনি।
আরো পড়ুন
বিয়ের গুঞ্জনে মুখ খুললেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ অভিনেত্রী।
বয়িংয়ের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমান যথাযথ সময়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই করবে কিনা, তা নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত নই। আমি এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ওপর জোর দিচ্ছি এবং বর্তমান কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা এই বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি বর্তমান সরকারের জন্য একটি ভালো পরীক্ষা এবং ফ্রান্স আত্মবিশ্বাসী যে সরকার বিষয়টি বুঝবে। এ নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই।’
এয়ারবাসের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য চুক্তিকে শুধু উড়োজাহাজ কেনার বিষয় হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স—এমন মন্তব্য করে জিন-মার্ক সেরে-চারলেট বলেন, এর মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি আরও শক্তিশালী হতে পারে।
আরো পড়ুন
বামার লাইসেন্স বাতিলের প্রজ্ঞাপন স্থগিত।
বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অংশীদারি রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির একটি বড় অংশ ইউরোপের বাজারে যায়। তাই এয়ারবাসের সঙ্গে অংশীদারিকে ফ্রান্স দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার অংশ হিসেবে দেখতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও উচ্চ-প্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করছে। এয়ারবাসের ক্ষেত্রেও তারা শুধু উড়োজাহাজ বিক্রি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি গড়ে তুলতে চায়।
অনুষ্ঠানে ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ