০১:২২ এম
পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের একটি বিএসএফ ক্যাম্পে, একটি বিএসএফ সদস্যের গুলিতে দুই জওয়ান নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন জওয়ান গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ইন্ডিয়া টুডে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, হেফাজতে থাকা এক বিএসএফ কনস্টেবল একটি সার্ভিস রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এর ফলে ঘটনাস্থলেই দুই জওয়ানের প্রাণহানি ঘটে এবং অপর একজন আহত হন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্যকে আটক করা হয়েছে এবং তিনি কেন গুলি চালিয়েছেন, তা তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল ৪ জনের
প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি বাহিনীর অভ্যন্তরীণ একটি ঘটনা। বিএসএফের পক্ষ থেকে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
’ ৩৯ বছর বয়সী মেসি এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ৮ গোল করেছেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে জয়ের পথে সহযোগিতা করেছেন। তবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে, স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণভাগের সামনে মেসি অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে পরিশেষে ১-০ ব্যবধানে আর্জেন্টিনা হেরে যায়। ম্যাচ শেষে আবেগঘন মুহূর্তে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি মেসি। তার সেই মুহূর্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনা তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মাঝেই গত ৩০ জুন মেসি ও আন্তোনেল্লা তাদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। ২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির সংসারে রয়েছে তিন সন্তান- থিয়াগো, মাতেও ও সিরো। বিশ্বকাপজুড়েই তিন সন্তানকে নিয়ে গ্যালারিতে বসে আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচে মেসিকে সমর্থন করেছেন আন্তোনেলা। মেসি ও আন্তোনেল্লার পরিচয় শৈশবে ঘটে, আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। আন্তোনেল্লার চাচাতো ভাই এবং মেসির বন্ধু লুকাস স্কালিয়ার মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়তে বার্সেলোনায় চলে যাওয়ায় তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, তবে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি। ২০০৫ সালে, আন্তোনেল্লার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী উরসুলা নটজ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে, সমবেদনা জানাতে রোজারিওতে থাকা আন্তোনেল্লার পাশে দাঁড়ান মেসি। সেই সময় থেকেই তাদের সম্পর্ক নতুন মোড় নেয়। কয়েক বছর পর তারা প্রকাশ্যে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানান এবং পরে একসঙ্গে সংসার শুরু করেন। যদিও বিশ্বকাপের ট্রফি হাতছাড়া হয়েছে, তবুও আন্তোনেল্লার বার্তা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মাঠের সাফল্য এবং ব্যর্থতার বাইরে মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তার পরিবার। কোটি সমর্থকের মতোই তার স্ত্রীও বিশ্বাস করেন, একটি ম্যাচ বা একটি ফাইনালের ফলাফল লিওনেল মেসির কিংবদন্তি মর্যাদাকে একটুও কমাতে পারে না। তার কাছে মেসি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন- সবসময়ই সেরা।