মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১১:০৯ পি.এম
সরকারি হাসপাতালে চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রমাণ মেলায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. জহির রায়হানের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় মামলা করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বসুন্ধরা ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকানা থাকার অভিযোগের সত্যতা মেলায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। তবে ডা. মো. জহির রায়হান ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দাবি, ভুল করে তার নাম এসেছে বিভাগীয় মামলায়।
গত ০৮ জুলাই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপনে তাকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা উপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এছাড়াও একই প্রজ্ঞাপনে ডা. জহির রায়হান ব্যক্তিগত শুনানি চান কি না, তা লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এমনকি ডা. জহির রায়হানের প্রাইভেট ক্লিনিকের শেয়ার থাকার অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ মেলায়, এটিকে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করেছে স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
এদিকে, বসুন্ধরা ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার মো. মইদুল হক জানান, বিভাগীয় মামলাটি ভুল করে হয়েছে। খসড়া টা ভুল করে চলে এসেছিল। পরে তা সংশোধন করা হয়েছে। সপ্তাহের প্রত্যেক মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে ডা. জহির রায়হান বসুন্ধরা ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা প্রদান করেন বলেও জানান তিনি।
এবিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. জহির রায়হান বলেন, ওই ক্লিনিকে আমার কোন মালিকানা নেই। বিভাগীয় মামলার বিষয়টি আমিও দেখেছি, এটির লিখিত জবাব দিতে হবে। ভুলক্রমে আমার নাম চলে এসেছে। কিন্তু কিভাবে আমার নাম আসলো বুঝতে পারছি না। বিভাগীয় মামলার বিষয়ে আমার সাথে কেউ যোগাযোগ করেনি, আমি এটি ওয়েবসাইটেই দেখেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ৫৫ বরেণ্য এবং তরুণ শিল্পীর তুলিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প শুরু হয়েছে। এই আর্টক্যাম্প চলবে ১৭ জুলাই পর্যন্ত।
আজ জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় চিত্রশিল্প একাডেমির চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে দেশের বরেণ্য, প্রথিতযশা ও তরুণ শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছেন।
প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, “বিগত সময়ে যে অনিয়ম-অবিচার হয়েছে তা যেন আর না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।” এই প্রেক্ষাপটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি, চেতনা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে ৩ দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “এই আর্টক্যাম্পে যে সকল শিল্পীরা অংশ নিচ্ছেন তাদের তুলির ছোঁয়ায় ভেসে উঠবে সেই জুলাইয়ের স্মৃতিগুলো।”
বিশেষ অতিথি হিসাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “আজ ১৫ জুলাই। ১৫ জুলাই থেকেই গণঅভ্যুত্থানের মূল মুভমেন্ট শুরু হয়েছিল। ১৪ তারিখ দিবাগত রাত ১২টার পর আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে ছাত্রীরা বেরিয়ে এসেছিলেন। ১৫ তারিখ সেই আন্দোলন আরো তীব্র হতে থাকে, সেদিন অনেক ছাত্রী আহত হয়েছিল। সেই আন্দোলন থেকেই তৎকালীন সরকারের পতন হয়।”
ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, “তৎকালীন সরকার বাংলাদেশে যে কাজগুলো করেছে, সেটা মানুষের মধ্যে জাগিয়ে রাখার একটি অংশ হচ্ছে এই আর্টক্যাম্প। যেখানে শিল্পীরা ছবি আঁকবেন এই জুলাইকে কেন্দ্র করে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাইয়ের নানা দিক আছে, ঘটনা আছে, স্পিরিট আছে - বিভিন্নভাবে আমরা এটাকে তুলে ধরতে চাই। যত রকম আর্ট ফর্ম রয়েছে সেগুলোর মাধ্যমে আমরা জুলাইকে ধারণ করতে চাই, জুলাইকে ছড়িয়ে দিতে চাই, জুলাইকে জাগিয়ে রাখতে চাই।”
এছাড়া তিনি বলেন, “শিল্পকলা একাডেমি এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে, শিল্পের মাধ্যমে যে বার্তা দিতে চায়, সেই বার্তাও যেন মানুষ বুঝতে পারে। মানুষ আসুক দেখুক, বিশেষ করে নবীন যারা আঁকতে চায় তারা যেন বড় বড় শিল্পীদের আঁকা দেখে যেতে পারে।”
শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ স্বাগত বক্তব্যে বলেছেন, “জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য শিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং শিল্পী ও অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার।
এই ৩ দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প ১৫ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্যাম্পে দেশের ৫৫ জন দেশবরেণ্য, প্রথিতযশা ও তরুণ শিল্পী অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবির আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এই পদত্যাগের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য এবং শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থকও দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনের সাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আওয়ামী লীগের সব ধরণের পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতির ঘোষণা করেন।
একই সঙ্গে উপস্থিত হয়ে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার আমির হোসেন, মো. পায়েল বেপারী, মো. রুহুল হাওলাদার, মো. মিল্টন মিয়া, মো. রফিকুল হাওলাদার, মো. রিন্টু, মো. জসিম, মো. হুমায়ুন কাজী এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসা. হাওয়া বেগম। এসময় তাদের সঙ্গে সমর্থন জানান শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা।
আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়ে অমিত হোসেন কবির বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। আওয়ামী লীগের সঙ্গে এখন থেকে কোনো পদে আর নেই।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নেই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি, তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালোবেসে দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। তাই আজ থেকে আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ৯ জন মেম্বারও আজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
আজ বুধবার দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে দ্য আর্থ সোসাইটি আয়োজিত গ্রিন ভয়েস প্রকল্পের আওতায় উচ্চ পর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয়। এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ, যুব সমাজ এবং বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এক বছরে আড়াই লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বনায়ন ও পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহীকে কেবল নামেই ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ নয়, বরং সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন এবং পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক বিভাজকগুলোতে বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং সড়কবাতির উন্নয়নসহ নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তবে, এসব উদ্যোগ সফল করতে জনসচেতনতা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করলে রাজশাহী আরো বেশি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে পরিণত হবে। পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।
জলবায়ু নীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ নিয়ে নীতিনির্ধারক ও যুব নেতাদের মধ্যকার এই বিভাগীয় সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি প্রণয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী ও তরুণদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে গ্রিন ভয়েস প্রকল্পের অর্জন, অভিজ্ঞতা এবং নীতিগত সুপারিশ তুলে ধরার পাশাপাশি জলবায়ু নীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে দ্য আর্থ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেনসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য অধিদফতর নিবন্ধনকৃত গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
এ ক্ষেত্রে তা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রচলিত বিধি-বিধানের আওতায় আনতে সরকার বাধ্য হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার এক তথ্য বিবরণীতে এ আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, যে কোনো সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, পেশাদারী দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং ফ্যাক্ট চেক করা গণমাধ্যমের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য।
তথ্য বিবরণীতে আরও বলা হয়, দেশের সকল গণমাধ্যমকে (সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতার, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, আইপি টিভি) তাদের স্বাক্ষরিত ডিক্লারেশন ও নিবন্ধনের নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে, সরকারি নিবন্ধন ও ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত কিছু গণমাধ্যম ভুল তথ্য, অপতথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টসহ অসত্য খবর পরিবেশন করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ইতোমধ্যে অসত্য সংবাদ প্রকাশের জন্য কিছু গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।
তথ্য অধিদফতর মনে করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনির্ভরযোগ্য উৎসকে সংবাদের সূত্র হিসেবে ব্যবহার করার কারণে অনেক গণমাধ্যম বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে।
ফলে অপতথ্য ও বিকৃত কনটেন্ট মূলধারার গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এ কারণেই যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে ফ্যাক্ট চেক করা বৈধ গণমাধ্যমের জন্য অপরিহার্য ও অবশ্য পালনীয় বলে। তাই বেনামী, ভুয়া কিংবা অনিবন্ধিত কোনো মাধ্যমকে সংবাদের উৎস হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সকল বৈধ গণমাধ্যমকে তথ্য অধিদফতর সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ