বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ পি.এম
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট দাবানলে পেরুতে জুন মাস থেকে বর্তমানে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় কয়েকশ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
জাতীয় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (সিওইএন) জানায়, মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই কৃষক। দাবানল নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আহত হন এবং পরে তাদের মৃত্যু ঘটে।
লিমা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুসকো অঞ্চল। চলতি মাসের শুরুতে ইনকা সভ্যতার নিদর্শন মাচু পিচুর নিকটবর্তী এলাকায় একটি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।
জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পেরুতে মোট ৪৫৭টি দাবানলের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
লিমার সায়েন্টিফিক ইউনিভার্সিটি অব দ্য সাউথের জীববিজ্ঞানী ড্যানিয়েল ভালে বলেন, এল নিনোর কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং শুষ্ক আবহাওয়ার সৃষ্টি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এল নিনোর প্রভাবে পুরো পেরুর ওপর প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক বাতাসের বিশাল স্তর তৈরি হয়েছে।’
ফসল ফলানোর জন্য জমি পরিষ্কার করতে কৃষকেরা প্রায়শই ঝোপঝাড়ে আগুন দেন। এসব আগুন থেকেই অনেক সময় দাবানলের সূত্রপাত ঘটে। দাবানলে এক হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি পুড়ে গেছে এবং প্রায় ১০০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া ১২ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক উদ্ভিদও আগুনে পুড়ে গেছে।
সিওইএন জানায়, বুধবার আন্দিজ পর্বতমালা এবং পেরুর আমাজন অঞ্চলে সাতটি দাবানল জ্বলছিল।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের মধ্য ও পূর্ব অংশের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বায়ুচাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে।
চলতি বছরের ‘সুপার’ এল নিনো ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকাসহ কয়েকটি অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। খরার কারণে সেখানে প্রাণীও মারা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যা জেলা ছাত্রদল সাংবাদিকদের জানিয়েছে।
বুধবার নাটোর জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আসিফ ইকবালের নতুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নাটোর জেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের কারণে বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও, নাটোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ ইসলাম সুজন এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন।
এর আগে সামাজিক মাধ্যমে শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনের মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তবে ওই ভিডিওর সত্যতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনো মন্তব্য বা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকবিরোধী অভিযানের সময় অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় সমালোচিত হন সদ্য পদত্যাগী প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি। এই ঘটনার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পাঠান। ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন জানান, সেখানে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী কখন এবং কোথায় তাকে ডেকেছিলেন, সেই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন ইশরাক হোসেন। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে দুপুরে সময় দিয়েছিলেন। আমরা একান্তে দীর্ঘক্ষণ ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এরপর ক্যাবিনেট মিটিংয়ের সময় হয়ে যাওয়ায় তিনি উঠে সেখানে চলে যান। আমি আর তার সঙ্গে যাইনি। ক্যাবিনেটের পাশের একটি কক্ষে বসে ছিলাম, যাতে মিটিং শেষ হলে আমরা আবার আলোচনা চালিয়ে যেতে পারি। কারণ, আমাদের কথোপকথন তখনও শেষ হয়নি। পরে প্রধানমন্ত্রী আমাকে আবার ক্যাবিনেটে ডেকে নিয়ে যান এবং আমার নির্ধারিত আসনে বসতে বলেন। আমি সেখানে বসে ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অংশ নিই এবং আমরা মিটিংটি সম্পন্ন করি। মিটিং শেষ হওয়ার পর আমরা আবার তার অফিসে যাই এবং সেখানে কথা বলি। আলোচনা শেষে পরবর্তী সময়ে কীভাবে কাজ করব, সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিই।’
পদত্যাগের সিদ্ধান্তে দলের প্রতি তার কোনো ক্ষোভ আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দল কখনোই চাইবে না যে তাদের মন্ত্রিসভার কোনো এক সদস্য পদত্যাগ করুক। তিন-চারটি দৈনিক পত্রিকা পরিকল্পিতভাবে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। তারা যে কোনো উপায়ে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে আমার নেতা, প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়।’
বিরোধী দলের নেতাদের যোগাযোগের বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আমাকে সরাসরি ফোন করে বলেছেন, আমরা আপনার সঙ্গে আছি। আপনার যে কোনো কর্মকাণ্ডে আমরা পাশে থাকব। এটি এখন একটি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে এবং সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। তারা আরও বলেছেন, আপনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে আমরাও আপনার সঙ্গে থাকতে চাই। এ ধরনের কথা অনেকে বলেছেন।’
আগামী নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমার যেসব মূল নেতাকর্মী ২০২০ সাল থেকে আমার সঙ্গে কাজ করছেন, তারা সব সময় আমাকে ওই জায়গাটিতে দেখতে চেয়েছেন এবং এখনো চান।’
প্রসঙ্গত, গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনের পাশের একটি মাঠের কোণায় পলিথিনের ছাউনির ঘরে ১৭ অক্টোবর মাদকবিরোধী অভিযান চালান ইশরাক হোসেন ও তার সহযোগীরা। ওই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, ইশরাক হোসেন অস্ত্র হাতে মাদকাসক্ত ও বিক্রেতাদের তাড়া করছেন।
পরে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে তার পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি ওই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। ইশরাক বলেন, শনিবার ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে ইশরাক হোসেনের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণ করতে পারে, এমন আশঙ্কার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। এমতাবস্থায় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তায় আমি এবং আমার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি।
কিন্তু ঘটনাটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশনা দেন বলে খবর প্রকাশ হয়। তবে তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে ইশরাক দাবি করেছিলেন, এ ধরনের সংবাদ সর্বৈব মিথ্যা।
তবে সোমবার সকালে ইশরাক জানান যে, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শপথ নেওয়ার মাত্র ৯ মাসের মাথায় সেদিনই তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা ছাড়লেন ইশরাক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে সংঘটিত গণআন্দোলনের ইতিহাস সংকলনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শাপলা স্মৃতি সংসদ ও জামিয়াতুত তারবিয়াহ। এই উদ্দেশ্যে, দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে ইতিহাস সংকলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাদ আসর জামিয়াতুত তারবিয়াহয় অনুষ্ঠিত এক যৌথ বৈঠকে এ সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়। বৈঠকে ২০১৩ সালের গণআন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ গণআন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং তথ্য-উপাত্ত ও প্রামাণ্য দলিলপত্রের ভিত্তিতে ঘটনাপ্রবাহ লিপিবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শাপলা স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান ও জামিয়াতুত তারবিয়াহর মহাপরিচালক আল্লামা মামুনুল হক, ইতিহাস বিভাগের মুশরিফ মাওলানা মনযুর আহমাদ, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ মাসনুন, দৈনিক আমার দেশের সাহিত্য সম্পাদক মুহিম মাহফুজ, মাওলানা আরিফ বিল্লাহ, শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহীম জামিল, সহ-মিডিয়া সম্পাদক ফাতীহ মুহাম্মাদ সুলাইমান এবং দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সাদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন মন্তব্য করেছেন, বিএনপি ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। তিনি বলেন, "ভারতের কোলে বসে দেশ ধ্বংস করা বিএনপির আরেক নাম এখন আওয়ামী লীগ।" সম্প্রতি বিএনপি সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, ভারতের প্রতি আওয়ামী লীগের অসমাপ্ত দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক বিএনপি সরকার।
বৃহস্পতিবার পল্টনে মরহুম শফিউল আলম প্রধান মিলনায়তনে জাগপার প্রয়াত সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ইকবাল হোসেন অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য বিএনপির সঙ্গে ভারতীয় সরকারের গোপন চুক্তি অনুযায়ী সারা দেশে আওয়ামী লীগের ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাতে আওয়ামী লীগের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বিএনপি সরকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মতো এড়িয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, "ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব মানেই বিএনপি-আওয়ামী লীগের গোলামি।" নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পাশেই নতুন সেনাঘাঁটি নির্মাণ করছে। তিনি জানান, ভারত বাংলাদেশকে নেতাশূন্য ও সেনাশূন্য করতে আবারও পুরোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে দেশবাসীকে হুঁশিয়ার থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জাগপার সাধারণ সম্পাদক বলেন, বৈষম্য ও অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সরকার এখনো বৈষম্য ও অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পথে হাঁটতে শুরু করেছে। অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় নিজেদের খোঁড়া গর্তে নিজেদেরই পড়তে হবে।
জাগপা ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলা, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, পঞ্চগড় জেলা জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, রংপুর মহানগর সভাপতি মাছুম বিল্লাহ ও যুব জাগপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ