সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫২ এম
সৌদি আরবের মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী যুবক নজরুল ইসলামের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে নজরুলের বাড়িতে যান তিনি। এ সময় নিহতের মা-বাবার খোঁজখবর নেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়া স্বজনদের সান্ত্বনা দেন।
সাক্ষাৎকালে নজরুলের মা-বাবা জানান, পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা আনতে ধারদেনা করে ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে মক্কার একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতেন নজরুল। কিন্তু সেখানে যাওয়ার মাত্র ছয় মাসের মাথায় কথিত নারীঘটিত অনৈতিক অভিযোগ এনে তাকে আটক করা হয়। পরিবারকে কোনো কিছু না জানিয়ে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে হঠাৎ করে গত ১৪ অক্টোবর (বুধবার) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে সন্তানের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান মা রহিমা বেগম ও বাবা আব্দুল বাছির।
নিহতের বাবা আব্দুল বাছির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলে কী অপরাধ করেছে, পরিবার হিসেবে তা স্পষ্টভাবে আমাদের জানানো হয়নি। অপরাধ করলে তাকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে এ দেশের আইনে বিচার করা যেত। এমনকি মৃত্যুদণ্ডের পরও সরকারিভাবে আমাদের কোনো তথ্য জানানো হয়নি। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে নজরুলের আপন ফুফু আবেদা বেগম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আমরা শুধু ছেলের মরদেহটি শেষবারের মতো দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চাই।’
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। রাষ্ট্রীয় খরচে নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে কথা বলা হবে।’ একই সঙ্গে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন বিরামপুর গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান নজরুল ইসলাম (২২)। সেখানে যাওয়ার ছয় মাসের মাথায় মক্কার একটি মসজিদের কাছে সুইটি আক্তার নামের এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। প্রায় তিন বছর তিন মাস কারাবন্দী থাকার পর গত ১৪ অক্টোবর নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে মো. আরিফ মিয়া নামের একজন ব্যক্তিকে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে আটক করেছে এসআরবি ও জেলা প্রশাসনের যৌথ দল।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর ট্রাফিক পয়েন্টের মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই অভিযানটি সম্পন্ন হয়।
সূত্র জানায়, আটক হওয়া আরিফ মিয়া দীর্ঘ সময় ধরে ‘ডা. মীর মাহবুব রহমান’ নাম ব্যবহার করে হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছিলেন। অভিযানের সময় তিনি নিজের ডাক্তারি সনদ কিংবা চিকিৎসার বৈধতার জন্য কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেননি।
অভিযানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল নাদরুন বিন আকন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এবং ভুয়া চিকিৎসকদের কার্যক্রম বন্ধের লক্ষ্যে প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া অভিযানের সময় এসআরবির ক্যাপ্টেন মোশাররফসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ফকির জহিরুল ইসলাম (৪৮)কে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় তিন দিন পর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নিহতের ভাগনে ইসমাঈল হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিজভীকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা সবাই আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং খালিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এর আগে গত বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে সোনারগাঁয়ের শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় ফকির জহিরুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত জহিরুল আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান বেপারীর ছেলে। তিনি আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। সোনারগাঁয়ের শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ বাজারে তার একটি ওষুধের ফার্মেসি রয়েছে।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ফকির জহিরুল ইসলাম। এরপর থেকেই আসামিরা তাকে বিভিন্ন সময়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই জেরে বুধবার রাতে চরকিশোরগঞ্জ বাজারে নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা রিজভীর নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ‘যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে। জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আধুনিক গবেষণাগার কিংবা বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ছাড়াই দীর্ঘ ২১ বছরের নিরলস গবেষণার মাধ্যমে সেন্টু কুমার হাজং নামের এক প্রান্তিক কৃষক নিজের এক চিলতে জমিতে একের পর এক ২৫ জাতের নতুন ধান উদ্ভাবন করে সকলকে অবাক করেছেন।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের চাটকিয়া গ্রামের এই কৃষক মাত্র ১২ কাঠা জমিকে উন্মুক্ত গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহার করে এই সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে বড় কোনো সরকারি স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় তার মধ্যে কিছুটা হতাশা রয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় জেলা প্রশাসন তার উদ্ভাবনী প্লট পরিদর্শন করে সার্বিক সহযোগিতা ও স্বীকৃতির উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেছে।
কৃষক পরিবারে বেড়ে ওঠা সেন্টু এসএসসি পাসের পর আর্থিক সংকটের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। তবে কৃষিতে নতুন কিছু করার অদম্য আগ্রহ থেকে ২০০৫ সালে তিনি একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। শুরুতে মাত্র ২ কাঠা জমিতে গবেষণার কাজ শুরু করেন তিনি।
বর্তমানে তার ১২ কাঠা জমিতে প্রায় ৪৪০টি পরীক্ষামূলক প্লট রয়েছে। মূলত প্রাকৃতিক সংকরায়ণ বা ব্রিডিং পদ্ধতিতে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে। একটি নতুন জাত পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ও মাঠপর্যায়ে যাচাই করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগে। দীর্ঘ এই পরিশ্রমের ফলে একে একে উদ্ভাবন করেছেন সেন্টু-১ থেকে সেন্টু-২৫ নামের নতুন ধানের জাত। এসব ধানের ফলন সাধারণ জাতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
সেন্টুর উদ্ভাবিত ধানের ফলন ভালো হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বীজের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নালিতাবাড়ীর কৃষক সুমন্ত বর্মণ জানান, আগে সাধারণ বীজ দিয়ে আবাদ করে যে ফলন পাওয়া যেত, সেন্টুর উদ্ভাবিত জাত চাষ করে তার চেয়ে অনেক বেশি ধান মিলছে।
ঝিনাইগাতীর কৃষক ওসমান গণি বলেন, শুধু শেরপুরেই নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও কৃষকেরা তার কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করছেন। সেন্টু হাজংয়ের প্রথম সফল জাত ‘সেন্টু শাইল’ এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী বগি, হালই, গোলাপী, মালঞ্চি, বিরই, চাপাল ও খাসিয়াবিন্নির মতো দেশি জাত সংরক্ষণেও তিনি কাজ করছেন।
সম্প্রতি সেন্টু হাজংয়ের এই গবেষণার মাঠ পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি সেন্টু হাজংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘সেন্টু কুমার হাজং আমাদের শেরপুরের গর্ব। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা ছাড়া দেশের কৃষকদের স্বার্থে তিনি যা করেছেন তা এক অনন্য নজির। সরকারি স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠাব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ের ধারালো বটির কোপে সেতারা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। পুলিশ অভিযুক্ত রানু আক্তার (৪২) কে আটক করেছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ডেউলিয়া গ্রামের হোসেন মিয়ার বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রাত ১০টার দিকে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত সেতারা বেগম ওই এলাকার হোসেন মিয়ার স্ত্রী এবং অভিযুক্ত রানু আক্তার তাদের মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রানু আক্তার কিছুদিন ধরে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। সম্প্রতি স্বামীর বাড়িতে স্বামীকে মারধর করার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে মানসিক চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া হচ্ছিল। রোববার রাতে হঠাৎ রানু পরিবারের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে মা সেতারা বেগমকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
এই হামলায় ঘটনাস্থলেই সেতারা বেগমের মৃত্যু ঘটে। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং ভেতর থেকে দরজা আটকে রাখেন।
খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে বটিসহ রানুকে আটক করা হয়।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতা সরোয়ার পারভেজ প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানান, রানু তার স্বামীর সংসারে ভালোই ছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে নারীর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে বটিসহ আটক করা হয়েছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন কি না, তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ