মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৫ পি.এম
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ এবং ভূমি দখলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না।
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার উল্লেখ করেন, অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। স্থানীয় জনগণের সহায়তায় অপরাধের কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় ঢাকা মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা পর্যালোচনা করা হয়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি থানা এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্থানীয় নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক অপরাধ কমানোর নির্দেশনা দেন তিনি।
সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার বিস্তারিত পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।
অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, সব যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপির সব থানার অফিসার ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে এই পরিদর্শনে যান।
এ সময় সিটি করপোরেশনের অব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্রের উদাসীনতার কারণে অগ্নিকাণ্ডে মানুষ সর্বস্ব হারাচ্ছে উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, "এসব অগ্নিকাণ্ডের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে সিটি করপোরেশন।" তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড মেনে চলছে কি না, তা যথাযথভাবে তদারকি করছে না। অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ড ঘটলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাপণের জন্য ফায়ার সার্ভিস স্টেশনগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই এবং ফায়ার ফাইটারদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। এর ফলে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, "এ ছাড়া প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নত যন্ত্রপাতি না থাকায় এবং প্রশিক্ষণ ও জনবলের অভাবে ফায়ার ফাইটারদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে।" সাদিক কায়েম জানান, অনেক ফায়ার ফাইটার অগ্নি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন, আবার অনেকেই হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন।
সাদিক কায়েম বলেন, সোমবার রাতে চকবাজারে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের সময় চারজন ফায়ার ফাইটার আহত হন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রযুক্তিগত উন্নত যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের অভাবে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ফায়ার ফাইটাররা আহত ও নিহত হচ্ছেন। তিনি এটি অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নত যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত ফায়ার ফাইটার গড়ে তোলার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান।
তিনি উপস্থিত নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, "আগামীতে যদি নগরবাসী আমাদের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব দেয়, তবে ঢাকাকে পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলে অগ্নিদুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করাসহ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।"
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ, জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, চকবাজার-বংশাল জোনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যক্ষ এস এম আহসান উল্লাহ, চকবাজার দক্ষিণ থানা আমির আনিছুর রহমান, পূর্ব থানা আমির রফিকুল ইসলাম সিকদারসহ চকবাজার থানা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও ব্যবসায়ীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওস্থ জিয়া উদ্যানে স্বাধীনতার মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং গণতন্ত্রের মা মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
এতে কেন্দ্রীয় যুবদল ও মহানগর উত্তর এবং ঢাকা দক্ষিণ যুবদল উক্ত কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে।
একই দিন বেলা ১২টায় জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় রক্তদান কর্মসূচি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হবে।
এছাড়া, দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে আলোচনা সভা, র্যালি, সমাবেশ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিট কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৮ অক্টোবর বুধবার উপজেলা, থানা, পৌর ও অধস্তন ইউনিটসমূহ তাদের সুবিধাজনক সময়ে নিজ নিজ ইউনিটে আলোচনা সভা, র্যালি, সমাবেশ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশনানুযায়ী এ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এফএম রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বিবিসি। সম্প্রচার বন্ধের ফলে সৃষ্ট সংকটের সমাধানের জন্য আফগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
বিবিসির এক মুখপাত্রের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানের লাখ লাখ মানুষ নির্ভরশীল নির্ভুল সংবাদ ও তথ্যের জন্য বিবিসির ওপর। সম্প্রচার স্থগিতের বিষয়টি সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, তালেবান সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র খোবিব গফরান জানিয়েছেন, বিবিসির সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে বারবার নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে।
তবে, কোন নীতিমালা বা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আফগানিস্তানে বিবিসির রেডিও সম্প্রচার কবে পুনরায় চালু হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। সংকট সমাধানে দুই পক্ষের আলোচনার ফলাফলের ওপরই সম্প্রচার পুনরায় শুরুর বিষয়টি নির্ভর করছে।
সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফএম-৯০ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের (লাইভ মিসাইল) নিক্ষেপ মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই মহড়া মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কক্সবাজারের নিদানিয়ায় অবস্থিত কক্সবাজার এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
এ মহড়ার আয়োজন করে বিমান বাহিনীর ৩০১ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (স্যাম) ইউনিট। মহড়া পরিদর্শন করেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। তিনি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সরেজমিনে মহড়ার কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বিমান বাহিনী প্রধান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রশংসা করেন। তিনি ভবিষ্যতে পেশাদারিত্ব বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
বিমান বাহিনী প্রধান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে আধুনিক যুদ্ধবিমান ও উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জাম সংযোজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
মহড়া পরিদর্শনকালে বিমান বাহিনীর সহকারী প্রধান (রক্ষণাবেক্ষণ), বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের এয়ার অধিনায়ক, ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের কর্মকর্তাসহ বিমান সদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ