রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৫ এম
রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে ভারী বর্ষণের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে রামপুরাসহ বিভিন্ন স্থানে দমকা বাতাসের সঙ্গে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। এ সময় বজ্রপাতও ঘটে এবং বাতাসের তীব্রতা কমলেও বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকে।
বৃষ্টির কারণে মুগদা, খিলগাঁও, সবুজবাগ, গোড়ান, মানিকনগর, তালতলা, মতিঝিল, মালিবাগ, আরামবাগ, গুলিস্তান ও পল্টনসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নগরবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে।
খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগ, মুগদা ও গোড়ানের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। মানিকনগরের ব্যবসায়িক এলাকার অনেক দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হন। আরামবাগ মোড় থেকে ফকিরাপুল ও কাকরাইল সড়কের বিভিন্ন অংশে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়। মালিবাগে প্রধান সড়ক ও ফুটপাত ছাপিয়ে বিভিন্ন দোকানে পানি ঢুকে পড়ে।
জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা ও গণপরিবহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হন।
মতিঝিলের রিকশাচালক মোতালেব হোসেন বলেন, "পানি এত বেশি যে প্যাডেল মারা যায় না। আবার কোথাও সড়কে গর্ত রয়েছে কি না, সেটিও বোঝা যায় না।"
গোড়ান এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ বলেন, "এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও রিকশা পাইনি। পেলেও স্বাভাবিক ভাড়ার দ্বিগুণের বেশি চাওয়া হয়েছে।"
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নালা-নর্দমা ও পাইপলাইনে জমে থাকা ময়লা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি ঘটে।
গোড়ান রোডের বাসিন্দা তানজিল হোসেন বলেন, "ছোটবেলা থেকেই এ এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখে আসছি। বড় বড় পাইপ বসানো হলেও সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। প্লাস্টিক, পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য পাইপে জমে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করছে।"
আরেক বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, "নতুন ড্রেন নির্মাণ করেই অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্ব শেষ করা হয়। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এবং খোলা ডাস্টবিনের বর্জ্য পাইপলাইনে জমে থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।"
স্থানীয়রা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ জোর প্রদেশের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে ১১ জন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এ তথ্য জানায় দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবরটি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত সেনাদের মরদেহ নিয়ে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জোর শহরে একটি শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। বিস্ফোরণের একদিন পর এই শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, দেইর আজ জোরের পশ্চিমাঞ্চলীয় আইয়াশ শহরের সিরিয়ান আরব আর্মির একটি অবস্থানের ভেতরে অস্ত্রের গুদামে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
প্রাদেশিক সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে আরও ৯ সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। তবে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
সিরিয়ার কোনো সামরিক স্থাপনায় এটি দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় বিস্ফোরণের ঘটনা।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আল ইখবারিয়ার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, শনিবার দেইর আজ জোর শহরের ন্যাশনাল হাসপাতালের বাইরে শোকাহত মানুষজন জড়ো হয়েছেন। সেখানে সিরিয়ার পতাকায় মোড়ানো নিহত সেনাদের মরদেহ শোকযাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়।
আল ইখবারিয়া জানায়, ওই স্থাপনায় ভারী গোলাবারুদ পরিবহণের সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশের সারমাদায় অস্থায়ী অস্ত্র ও যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ সংরক্ষণাগারে বিস্ফোরণের ফলে ১৪ সেনা নিহত হন। ওই ঘটনায় ১০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক আহত হন।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ওই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। সংরক্ষণাগারটিতে গৃহযুদ্ধের সময় পড়ে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করে রাখা হয়েছিল, যা পরে নিয়ম অনুযায়ী অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
এছাড়া ১ সেপ্টেম্বর ইদলিবের বিনিশে গোলাবারুদ বহনকারী একটি গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যাতে পাঁচজন নিহত ও কয়েকজন আহত হন বলে জানিয়েছে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
এক দশকের বেশি সময় ধরে চলমান গৃহযুদ্ধের ফলে সিরিয়ায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলাকালীন দেশটিতে এ ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন রাফিনিয়া, যিনি বার্সেলোনার হয়ে খেলছেন। শনিবার সেভিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচে ফিরে আসে বার্সেলোনা। এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে দলকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে তার গোলসংখ্যা বর্তমানে ১২টি।
স্প্যানিশ পরিসংখ্যানবিদ মিস্টারচিপের তথ্য অনুযায়ী, লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে অন্তত ১২ গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা মাত্র সাতজন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই কীর্তি গড়েছেন মাত্র একজন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১৩ গোল করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই মৌসুমে তিনি ৩৫ ম্যাচে মোট ৪৮ গোল করেছিলেন। তবে এটি সর্বোচ্চ রেকর্ড নয়। সেই রেকর্ড রিয়াল ওভিয়েদোর এস্তেবান এচেভাররিয়ার দখলে, যিনি ১৯৪৩-৪৪ মৌসুমে ১৪ গোল করেছিলেন।
রোনালদোর তিন বছর পর লিওনেল মেসি বার্সেলোনার হয়ে লা লিগার প্রথম সাত ম্যাচে ১১ গোল করেছিলেন। বর্তমানে রাফিনিয়া সেই সংখ্যাও অতিক্রম করেছেন।
গতকাল রাফিনিয়া তার প্রথম গোলটি করেছেন ডান পায়ে। আন্দ্রেস ক্রিশ্চিয়ানসেনের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে তিনি এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল জড়ান জালে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লামিন ইয়ামালের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে এগিয়ে দেন বার্সাকে। এরপর ৬৯ মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো বলে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, বাম পায়ের আলতো চিপে বার্সার জয় নিশ্চিত করেন রাফিনিয়া।
একটি গোল ডান পায়ে, একটি হেডে, এবং একটি বাম পায়ে— ফুটবলের ভাষায় এর নাম ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’; রাফিনিয়া গত রাতে সে কীর্তিটাই গড়েছেন। কাজটি কতটা দুরূহ, তার আন্দাজ মেলে একটি তথ্যে। বার্সেলোনায় ১৭ বছর খেলেও এই কীর্তি নেই লিওনেল মেসির, রাফিনিয়া সে নজিরটাই গড়ে দিলেন!
রাফিনিয়া আরও বহুভাবে মেসিকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এই মৌসুমে কোচ হানসি ফ্লিক তাকে ফলস নাইন ভূমিকায় খেলাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় এই ভূমিকায় খেলে তিনি দারুণ সফল, ৭ ম্যাচে ১২ গোল এবং ৩ অ্যাসিস্টই তার প্রমাণ!
গেল মৌসুমটা চোট ও অসুস্থতার কারণে ভালো কাটেনি তার। বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গিয়েছিলেন এই কারণে। যে কারণে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও জায়গা পাননি তিনি।
নিজেকে নতুন করে প্রমাণের তাগিদও হয়তো কাজ করছে রাফিনিয়ার মধ্যে। আর মাঠে ঠিক সেটাই করে দেখাচ্ছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়ার প্রধান পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে দেশটির পারমাণবিক পরীক্ষার পর ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৭ সালে সর্বশেষ পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পরও কয়েক বছর ধরে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সময়ের সঙ্গে এসব ভূমিকম্পের সংখ্যা ও মাত্রা দুটিই বাড়ছে।
নতুন এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। খবর এনডিটিভির
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার ছয়টি ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর স্থান মাউন্ট মানতাপ ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় ২ হাজার বছর ধরে উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পের ঘটনা ছিল না। তবে বিজ্ঞানীরা ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওই এলাকার ভূকম্পনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে ১ হাজার ৩৯৯টি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছেন।
পারমাণবিক বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্প সাধারণত পরীক্ষার কয়েক বছর পরও এভাবে বাড়তে থাকে না। সে কারণে গবেষণার ফলাফলকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
ওই এলাকায় প্রথম ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় ২০১৩ সালে, উত্তর কোরিয়ার তৃতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার পর। তবে পরবর্তী কয়েক বছরে ভূমিকম্পের সংখ্যা ছিল খুবই কম।
পরিস্থিতি বদলে যায় ২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার ষষ্ঠ ও সবচেয়ে বড় পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পর। গবেষণার লেখকেরা জানান, ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভূমিকম্পের প্রবণতা খুবই কম ছিল। কিন্তু ওই বছরের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিস্ফোরণের পর ভূমিকম্পের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
২০১৭ সালের পারমাণবিক পরীক্ষার সময় ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ওই বিস্ফোরণের ফলে একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার পাশাপাশি পাহাড়ের চূড়ার আকৃতিও প্রায় ৩ মিটার পরিবর্তিত হয়ে থাকতে পারে।
তবে পরবর্তী সময়ে যে ভূমিকম্পগুলো রেকর্ড হয়েছে, সেগুলোর মাত্রা খুব বেশি ছিল না। পুসান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কিম জানান, বেশির ভাগ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। এগুলো অগভীর গভীরতায় ঘটেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা শুরুর আগে ওই এলাকায় ভূমিকম্পের প্রবণতা খুবই কম ছিল। গবেষক কিম বলেন, চীন ও কোরিয়ায় ২ হাজার বছরের বেশি সময়ের ঐতিহাসিক রেকর্ড রয়েছে। ওই এলাকায় ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র একটি ভূমিকম্পের তথ্য পাওয়া গেছে।
গবেষকদের ধারণা, ভূমিকম্পের এই বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিতে পারে যে ২০১৭ সালের পারমাণবিক বিস্ফোরণের পর মাউন্ট মানতাপের নিচের ভূস্তর আগের অবস্থায় ফিরে যায়নি।
কিমের মতে, ওই পরীক্ষার পর অন্তত দুটি পুরোনো ভূগর্ভস্থ চ্যুতি সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে। বিস্ফোরণের ফলে পাহাড়ের ভেতরে থাকা পুরোনো সুপ্ত ফাটলগুলো আবার সক্রিয় হয়েছে। পাশাপাশি বিস্ফোরণের কারণে তৈরি নতুন ফাটলগুলোতে পানি জমেছে। এতে ভূগর্ভে পানির চাপ বেড়ে পাথরের স্তরগুলো একে অপরের ওপর সরে যাচ্ছে এবং এর ফলেই একের পর এক ছোট ভূমিকম্প ঘটছে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে মেঘনা সেতুর ওপর মহাসড়কের মাঝপথে একটি বড় বাস বিকল হয়ে চাকা লক হয়ে যাওয়ার পর এই যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি বাস ভোরে মেঘনা সেতুর ওপর পৌঁছালে হঠাৎ করে বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় বাসটির চাকা লক হয়ে মহাসড়কের মাঝখানে আটকে যায়, যার ফলে ঢাকা অভিমুখী লেনে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ধীরে ধীরে যানজট মেঘনা সেতু এলাকা ছাড়িয়ে প্রায় ১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে যায়।
যানজটে আটকে পড়া বাসচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, "ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে যানজটে পড়েছি। ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে। কী কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, তা জানি না।"
ট্রাকচালক নাছির উদ্দীন জানান, "আনারপুরা এলাকার জেএমআই পাম্প থেকে যানজটে পড়েছি। সেখান থেকে ভাটেরচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আসতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগেছে।"
ভবেরচর হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "ভোর পৌনে ৬টার দিকে একটি বড় বাস মেঘনা সেতুর ওপর মহাসড়কের মাঝখানে বিকল হয়ে চাকা লক হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। রেকার দিয়ে বাসটি সরানোর চেষ্টা চলছে। যানজট নিরসনে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।"
পুলিশ জানিয়েছে, বিকল বাসটি দ্রুত সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে দীর্ঘ যানজটের কারণে মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ