রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৬ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ পলিথিনবিরোধী প্রচারণা
জেলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি প্রচারণা শুরু করেছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) পৌর এলাকার জগৎ বাজারে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমে জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ ও পরিবেশকেন্দ্রিক বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক লিফলেট বিতরণকালে ব্যবসায়ীদের পলিথিনের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি ব্যবসায়ীদের পলিথিন কেনা, বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধে সহযোগিতা কামনা করেন।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘পলিথিনের নির্বিচার ব্যবহার পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করলে এবং ব্যবসায়ীরা পলিথিন কেনা, বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ করলে এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।’
তিনি পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও কাগজের তৈরি ব্যাগ ব্যবহারের জন্যও আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ বলেছেন, আমরা গ্যাস সঙ্কটের স্থায়ী সমাধান করতে চাই। গ্যাসের জন্য সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর না হয়ে, নিজস্ব উৎস থেকেও গ্যাস সংগ্রহ করতে চাই। যাতে ভবিষ্যতে আর সমস্যা না হয়।
আজ রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ইআরএফ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, আজকে গ্যাসের, বিদ্যুতের কিংবা তেলের যে সঙ্কট, এই তিনটাই তো ভাই-বোনের মতো। একটা অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমাদের বিদ্যুৎ চাইতে গেলে আবার গ্যাস লাগবে। গ্যাস যেখান থেকে কেনা হতো সেখানে তারা এখন বিক্রি করতে পারছে না। যুদ্ধের কারণে তারাও এখন সমস্যায় আছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন যে আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এসেছি, আমরা কোন অজুহাত দেখাতে চাই না। আমরা দুইটা জিনিস করতে চাই— গ্যাসের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর না হয়ে নিজস্ব উৎস থেকেও গ্যাস সংগ্রহ করতে চাই। যাতে ভবিষ্যতে আর সমস্যা না হয়। একই সাথে এটার একটা স্থায়ী সমাধানও করতে চাই।
প্রেস সচিব বলেন, ২০২২ সালের আগস্ট মাসে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধের সময় এই বাংলাদেশেও কিন্তু অফিসের সময়ের পরিবর্তন করা হয়েছিল। সপ্তাহের কয়েক দিন স্কুলও বন্ধ রাখা হয়েছিলো। একটা সরকার ২০০৯ সাল থেকে একটানা এতদিন ক্ষমতা থাকার পরেও যখন যুদ্ধ লাগলো তখন জ্বালানি সঙ্কটের কারণে তাকে যদি অফিসের সময় পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে এই সরকারটা আসছে মাত্র ছয় মাস ।
তিনি বলেন, বিগত সময়ের সকল দায় ছয় মাসের সরকারকে আপনি দিতে পারেন না। কোন একটা জিনিসে স্থায়ী সমাধানের জন্য দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
এ সময় আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ আরও বলেন, সরকার চায় তরুণরা তিন থেকে চারটি ভাষা শিখুক, যাতে তারা বাংলাদেশে অবস্থান করেও বিশ্বের যেকোনো স্থানের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পায়।
এ ক্ষেত্রে ইআরএফকে তার সদস্যদের জন্য ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম আয়োজনের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের তথ্য মুহূর্তেই আদান-প্রদান সম্ভব হচ্ছে। একসময় অকল্পনীয় ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা’ ধারণা এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। তাই তরুণদের পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণের জন্য একাধিক ভাষা শেখাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এ ধরনের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইআরএফের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, দি ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুল হক জাহিদ বলেন, দৈনন্দিন রিপোর্টিংয়ের কাজে ইংরেজিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবে চীনা, জাপানি ও ফরাসিসহ অন্যান্য ভাষায় প্রাথমিক জ্ঞান বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়ক হতে পারে।
হেডম্যান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমাম হোসেন বলেন, আনন্দদায়ক উপায়ে শেখানো হলে ভাষা শিক্ষা সবচেয়ে কার্যকর হয়।
তিনি বিভিন্ন ভাষা শেখার সুযোগ তৈরির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি দেশসেবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা বলেন, সদস্যদের বিভিন্ন ভাষা চর্চার সুযোগ তৈরি করতে ইআরএফ দীর্ঘদিন ধরে একটি ভাষা ক্লাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে আসছিল। ভাষাগত দক্ষতা দৈনন্দিন রিপোর্টিংয়ের কাজ সহজ করে এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও অন্যান্য বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা করে। একাধিক বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ তৈরিতে প্রয়োজনে দূতাবাসগুলোর সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়েও ইআরএফ কাজ করছে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও জানান, রাজনীতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে সরাসরি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা হবে
তিনি উল্লেখ করেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করা হবে এবং শিক্ষকরা ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তাই পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে, যা পরীক্ষার আগে অথবা পরে হবে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জামায়াতের দাবির প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইসির পর্যবেক্ষণ হলো- শিক্ষকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে অন্তরায় হতে পারে। এতে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি বডি-ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে এবং ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, একসঙ্গে সব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন। তবে ব্যয় সংকোচনের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের রাজৈরে আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর বসতবাড়িতে ঢুকে একটি প্রাইভেটকারে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার পূর্ব স্বরমঙ্গল কাঠেরপোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সাঈদ আনসারীর ভাই আসাদ আনসারী রাতে বাড়ির সামনে নিজের মালিকানাধীন প্রাইভেটকারটি পার্ক করে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি বাড়ির দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ঘরের সামনে রাখা টয়োটা করোলা ব্র্যান্ডের প্রাইভেটকারে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
আগুনে গাড়িটি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকলে একপর্যায়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের মতো শব্দ হয়। এতে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুনে গাড়িটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। দুর্বৃত্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজৈর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) কুতুবউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। শনাক্ত করা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেতানিয়াহু হামাসের ভয়ে দুই ঘণ্টা নিজ বাড়িতে ছিলেন?
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে ভয়াবহ হামলার খবর পাওয়ার পর, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার কায়সারিয়ার বাসভবন থেকে তেল আবিবের সামরিক সদর দপ্তর কিরিয়ায় পৌঁছাতে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা সময় নিয়েছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান হার্জি হালেভি কিংবা শিন বেতের প্রধান রোনেন বার—কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।
এক প্রতিবেদনে চ্যানেল ১২ উল্লেখ করেছে, নেতানিয়াহুকে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে তার সামরিক সচিব হামাসের হামলার বিষয়ে অবহিত করেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গাড়িবহর প্রস্তুত করতে সময় লাগায় তিনি সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বাসা থেকে বের হন এবং সকাল ৮টায় কিরিয়ায় পৌঁছান। যদিও শিন বেতের নথিতে তার পৌঁছানোর সময় সকাল ৮টা ২২ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, চ্যানেল ১২ দাবি করেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অপ্রকাশিত নথিতে তার প্রকৃত পৌঁছানোর সময় সকাল ৯টা এবং একটি ‘বিশ্বস্ত সূত্র’ অনুযায়ী তা সকাল সাড়ে ৯টা।
অর্থাৎ, হামাসের হাজারো যোদ্ধা ইসরায়েলি সীমান্তবর্তী এলাকায় তাণ্ডব চালানোর সময়ও নেতানিয়াহু কায়সারিয়ার বাসভবনেই ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে নেতানিয়াহু দাবি করেন, হামলার আগে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে সতর্ক করেননি। তিনি বলেন, যদি তাকে রাতে জাগিয়ে সম্ভাব্য হামলার তথ্য জানানো হতো, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইডিএফ ও বিমানবাহিনীকে প্রস্তুত করতেন।
তবে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামাস বড় ধরনের স্থল হামলা চালাতে যাচ্ছে—এমন মূল্যায়ন তাদের ছিল না।
যদিও হামলার প্রায় তিন ঘণ্টা আগে সন্দেহজনক হামাস তৎপরতা নিয়ে একটি গোয়েন্দা স্মারক নেতানিয়াহুর গোয়েন্দা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রথম পরিস্থিতি মূল্যায়ন সভা করেন। এরপর তিনি পূর্ণাঙ্গ আইডিএফ মোতায়েন এবং সীমান্ত ‘সম্পূর্ণভাবে সিল’ করার নির্দেশ দেন। তবে আইডিএফের নিজস্ব তদন্তে দেখা গেছে, সকাল ৮টার দিকেই সামরিক বাহিনী যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ও রিজার্ভ সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল।
হামাসের হামলার বিষয়ে একটি রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও নেতানিয়াহু তা প্রত্যাখ্যান করে আসছেন।
বিরোধী দল ও ৭ অক্টোবরের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতিনিধিরা এ নিয়ে তার সমালোচনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ