রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫০ পি.এম
নেতানিয়াহু হামাসের ভয়ে দুই ঘণ্টা নিজ বাড়িতে ছিলেন?
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে ভয়াবহ হামলার খবর পাওয়ার পর, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার কায়সারিয়ার বাসভবন থেকে তেল আবিবের সামরিক সদর দপ্তর কিরিয়ায় পৌঁছাতে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা সময় নিয়েছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান হার্জি হালেভি কিংবা শিন বেতের প্রধান রোনেন বার—কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।
এক প্রতিবেদনে চ্যানেল ১২ উল্লেখ করেছে, নেতানিয়াহুকে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে তার সামরিক সচিব হামাসের হামলার বিষয়ে অবহিত করেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গাড়িবহর প্রস্তুত করতে সময় লাগায় তিনি সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বাসা থেকে বের হন এবং সকাল ৮টায় কিরিয়ায় পৌঁছান। যদিও শিন বেতের নথিতে তার পৌঁছানোর সময় সকাল ৮টা ২২ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, চ্যানেল ১২ দাবি করেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অপ্রকাশিত নথিতে তার প্রকৃত পৌঁছানোর সময় সকাল ৯টা এবং একটি ‘বিশ্বস্ত সূত্র’ অনুযায়ী তা সকাল সাড়ে ৯টা।
অর্থাৎ, হামাসের হাজারো যোদ্ধা ইসরায়েলি সীমান্তবর্তী এলাকায় তাণ্ডব চালানোর সময়ও নেতানিয়াহু কায়সারিয়ার বাসভবনেই ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে নেতানিয়াহু দাবি করেন, হামলার আগে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে সতর্ক করেননি। তিনি বলেন, যদি তাকে রাতে জাগিয়ে সম্ভাব্য হামলার তথ্য জানানো হতো, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইডিএফ ও বিমানবাহিনীকে প্রস্তুত করতেন।
তবে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামাস বড় ধরনের স্থল হামলা চালাতে যাচ্ছে—এমন মূল্যায়ন তাদের ছিল না।
যদিও হামলার প্রায় তিন ঘণ্টা আগে সন্দেহজনক হামাস তৎপরতা নিয়ে একটি গোয়েন্দা স্মারক নেতানিয়াহুর গোয়েন্দা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রথম পরিস্থিতি মূল্যায়ন সভা করেন। এরপর তিনি পূর্ণাঙ্গ আইডিএফ মোতায়েন এবং সীমান্ত ‘সম্পূর্ণভাবে সিল’ করার নির্দেশ দেন। তবে আইডিএফের নিজস্ব তদন্তে দেখা গেছে, সকাল ৮টার দিকেই সামরিক বাহিনী যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ও রিজার্ভ সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল।
হামাসের হামলার বিষয়ে একটি রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও নেতানিয়াহু তা প্রত্যাখ্যান করে আসছেন।
বিরোধী দল ও ৭ অক্টোবরের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতিনিধিরা এ নিয়ে তার সমালোচনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে পরিবেশ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘মনিটরিং অ্যান্ড ইনফোর্সমেন্ট উইংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও মান উন্নয়ন এবং দূষণ’ প্রকল্পের আওতায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান।
এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক নুর আলম, মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইং এর প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ আহমেদ কবীর, পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের রিসার্চ অফিসার রুনায়েত আমিন রেজা, কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মীর্জা মোঃ নাসির উদ্দীন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ আ ন ম গোলাম মোহাইমেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহঃ হুমায়ুন কবির, ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উপপরিচালক আবদুর রাজ্জাক রনি, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, ফ্রেন্ডশিপের আঞ্চলিক সমন্বয়ক আব্দুস সালাম, নিরাপদ খাদ্য অফিসার রাকিবুল হাসান নিশাত সহ ইটভাটা, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিল্প উদ্যোক্তা ও পরিবেশকর্মীরা।
সভায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ, নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরিবেশবিষয়ক আইন ও বিধিবিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশের মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার দায়িত্ব নয়; এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শুরু করে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধু আইন দিয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশের মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
সভায় পরিবেশ সংরক্ষণে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং ও ইনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
সভায় পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী সারা দেশে সাড়ে ৫ কোটির বেশি বৃক্ষ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষার জন্য বৃক্ষ রোপণের পাশাপাশি সকলকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
রবিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে উষ্ণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। ইতোমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দেশে ৩ কোটির বেশি চারা রোপণ করা হয়েছে। আগামী শীত মৌসুমে উপকূলীয় এলাকায় আরও ২ কোটি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বরং এর যথাযথ পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রতিটি পরিবারকে সন্তানের জন্মের পর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।
প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাতলা পলিথিন এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পরিবেশ, মাটি ও জলাশয়ের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এই দূষণ মোকাবিলায় ‘রিফিউজ’ বা পলিথিন বর্জনের নীতি যুক্ত করে বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম পিপিএম। উদ্বোধন করেন রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান।
এ সময় গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া, গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জেসমিন সুলতানা, থানার ওসি নকীব আকরামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিনা সুদে কৃষিঋণ বিতরণের জন্য আপাতত সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, "দেশের কৃষকদের সুদবিহীন কোনো ঋণ বিতরণের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই।" রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, কৃষকদের মাঝে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংক আমানতদারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত আমানত গ্রাহকদের মধ্যে ঋণ হিসেবে বিতরণ করে থাকে। তিনি বলেন, "সংগৃহীত আমানতের ওপর ব্যাংক কর্তৃক আমানতদারীদের সুদ প্রদান করতে হয় বিধায় প্রচলিত নিয়মে ব্যাংকের পক্ষে গ্রাহকদের সুদহীন ঋণ বিতরণ করা সম্ভব হয় না।"
পরে, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান এবং পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আছগারের একটি করে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বিনা জামানতে ১ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ বিতরণের কোনো পরিকল্পনাও আপাতত নেই। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। তিনি জানান, এখনো কৃষকদের সহজে ঋণ দিতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে ৩২ জন গবেষক পিএইচডি ও এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ১৬ জন গবেষক পিএইচডি এবং ১৬ জন এমফিল ডিগ্রি লাভ করেছেন। এছাড়া, একটি গবেষককে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।গত ৩১ আগস্ট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের একটি সভায় এসব ডিগ্রি অনুমোদন করা হয়।
পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্ত গবেষকদের মধ্যে রয়েছেন— বাংলা বিভাগের জাহিদ হাসান সরকার ও সানজীদা মাসুদ, আরবি বিভাগের মাসরুরুল হক ও মো. ইসমাঈল হোসেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের তানজিয়া সিদ্দিকা, গণিত বিভাগের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম্স বিভাগের আবু সাদাত মুহাম্মদ আশিফ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম।
এছাড়া পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের ফারহানা হক, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের আমেনা খাতুন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিপুল কৃষ্ণ দাস, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের নীলিমা বর্মন, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের মো. গোলাম কিবরিয়া, শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের দেবাশীষ পাল এবং পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মোহাম্মদ রিজওয়ানুল আহসান পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
অন্যদিকে, এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন ইংরেজি বিভাগের সুমাইয়া আলম, আরবি বিভাগের মুহাম্মদ বদরুদ্দীন সাদী, নূরুল্লাহ ও মোহাম্মদ সাজেদ, উর্দু বিভাগের মোছা. আলপনা আকতার, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মো. আবদুল্লাহ আল মুবাশ্বির, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাথী খাতুন, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের রোমানা রহমান এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দেওয়ান আফরিদা হামিদ।
এমফিল ডিগ্রিপ্রাপ্ত অন্য গবেষকরা হলেন— কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগের মো. জাহিদ হোসাইন খান, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের এইচডি. রাজু আহমেদ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুহাম্মদ কবির হোছাইন ও আবদুল মান্নান, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবিকুন্নাহার ও খন্দকার নাহিদ হাসানো।এছাড়া, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধীনে মুহাম্মদ তামজিদ আল আরাফাতকে ডিবিএ ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ