সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৯ পি.এম
ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম ভূমি অফিসে সাধারণ সেবাগ্রহীতার বেশে গিয়ে সাধারণ মানুষ কীভাবে সেবা পাচ্ছেন এবং সেবার ক্ষেত্রে কোনো ভোগান্তি বা অনিয়ম রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে জানার চেষ্টা করেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তিনি পরিচয় গোপন রেখে বোরকা পরে উত্তরখান ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। সেখানে সাধারণ নাগরিকের মতো ভূমিসেবা গ্রহণের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। জেলা প্রশাসক তাদের কাছে সরাসরি জানতে চান, ভূমিসেবা নিতে গিয়ে কি কোনো ধরনের হয়রানি, ভোগান্তি, অতিরিক্ত অর্থ দাবি কিংবা অন্য কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এ সময় ডিসি ফরিদা খানম ভূমি অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, সেবার পরিবেশ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণও পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সাধারণ সেবাগ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে ভূমি অফিসের সেবার বাস্তব চিত্র বোঝার চেষ্টা করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন, যেন সাধারণ মানুষকে দ্রুত, সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করা হয়।
ফরিদা খানম বলেন, "আমি নিয়মিত আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি অফিসগুলো পরিদর্শন করি। তবে আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের সময় অনেক ক্ষেত্রে সেবার প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি জানা সম্ভব হয় না। সাধারণ মানুষ ভূমিসেবা নিতে গিয়ে বাস্তবে কী ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেটি সরেজমিনে জানতেই আমি সাধারণ সেবাগ্রহীতার পরিচয়ে এখানে এসেছি।"
তিনি আরও বলেন, "ভূমিসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং সেবাগ্রহীতারা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এ ধরনের সরেজমিন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সেবার বাস্তব চিত্র জানা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।"
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের জন্য ভূমিসেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে ভূমি অফিসগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সেবার প্রকৃত চিত্র জানতে আকস্মিক ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এডিস মশার প্রজননস্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ১২ দিনের বর্ষাকালীন এডিস মশার লার্ভা জরিপ শুরু করেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নগর ভবনে এ জরিপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
জানা গেছে, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ জরিপ আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডের প্রতিটি থেকে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়িতে এ জরিপ পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব, প্রজননস্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হবে।
ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৭২ জন মাঠকর্মী জরিপে অংশ নিচ্ছেন। তথ্য সংগ্রহের জন্য ‘কোবো টুলবক্স’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হচ্ছে। জরিপ শেষে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্রেটু ইনডেক্স (BI), হাউস ইনডেক্স (HI), কনটেইনার ইনডেক্স (CI) ও পিউপা ইনডেক্স (PI) নির্ধারণ করা হবে।
জরিপের ফল অনুযায়ী, ব্রেটু ইনডেক্স (BI) ২০ বা তার বেশি হলে এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ, ১০ থেকে ১৯ হলে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১০-এর নিচে হলে সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
জরিপে চিহ্নিত হটস্পটগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে, বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, "ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এডিস মশার প্রজননস্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা জরুরি। এবারের জরিপের মাধ্যমে ডিএসসিসি এলাকার বর্তমান পরিস্থিতির একটি নির্ভুল চিত্র পাওয়া যাবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
তিনি আরও বলেন, "প্রাক্-বর্ষা জরিপে বাসাবাড়ি ও আঙিনায় জমে থাকা পানিকে এডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র হিসেবে পাওয়া গেছে। তাই ছাদ, বারান্দা, নির্মাণাধীন ভবন ও আশপাশের স্থান পরিষ্কার রেখে পানি জমতে না দেওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
এর আগে ডিএসসিসির পরিচালিত বর্ষাপূর্ব জরিপে ৬৩টি ওয়ার্ডে লার্ভার ঘনত্ব নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ওই জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছিল ডিএসসিসি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, সচিব মো. মশিউর রহমান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমানসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মুম্বাইয়ে শিবাজী পার্কে সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ার কারণে নতুন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)।
দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনের বিষয়টি ঘোষণা করেন। ঘোষণার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২ অক্টোবর ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত মুম্বাইয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ অনুষ্ঠিত হবে তরুণদের এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ২ অক্টোবর শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিল সিজেপি। তবে মুম্বাই হাইকোর্টের ২০১৩ সালের এক আদেশের ভিত্তিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মুম্বাই পুলিশ জানায়, শিবাজী পার্ক কেবল ক্রীড়া সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা যাবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, এই কর্মসূচির কারণে আবাসিক এলাকায় ‘শব্দদূষণ’ সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি আশেপাশের এলাকায় বড় হাসপাতাল থাকার কারণে প্রতিবাদ থেকে সৃষ্ট যানজট রোগী পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
মুম্বাই পুলিশের এমন অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্দের গত জানুয়ারিতে একই স্থানে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার ভিডিও শেয়ার করে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রশ্ন তোলেন, শিন্দে কীভাবে সেখানে অনুষ্ঠানের অনুমতি পেয়েছিলেন?
এদিকে, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা যায়, ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেন্সিভ রিভিশন (এসআইআর) সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্তে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার। এই প্রতিবেদনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায় ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি।
সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী এসআইআর সম্পর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত তাদের না জানিয়েই নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানান।
গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, শনিবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে। দীপ তখন এই ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘চলুন, এই গান্ধী জয়ন্তীতে আমরা গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার করি।’
তিনি আরও জানান, আন্দোলনটি মুম্বাই থেকে শুরু হয়ে পরবর্তীতে ভারতের অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলায় ‘প্রতিযোগিতা আইন ২০১২ ও এর প্রয়োগের বিষয়ে স্টেকহোল্ডাদের দায়িত্ব এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ ইসতিদার আলম ও সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ যুবায়ের, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ.এম.মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী শামছুন নাহার স্বপ্না প্রমুখ।
সভায় আলোচনা করা হয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখা এবং সিন্ডিকেট প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে।
এ অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের তালিকায় অবশেষে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জাহিদ হাসানের নাম প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার সকালে পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় তার নাম দেখা যায়।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাহিদ হাসানের ‘ভেরিফিকেশনে’ বাদ পড়ার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছিল। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলায় সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৮৩ জনের মধ্যে জাহিদের (২৮) মেধাক্রম ছিল ৫৪তম। তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটাতেও আবেদন করেছিলেন।
নিয়োগপত্র না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন জাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। সে সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ‘ভেরিফিকেশনে’ তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
আজ সকালে নিয়োগপত্রের তথ্য জানার জন্য পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন জাহিদ। পথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে নিয়োগের তালিকায় নিজের নাম দেখতে পান। পরে তিনি পরিবারের সদস্য ও গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জাহিদ বলেন, ‘কী ভালো লাগছে, ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। আমার চেয়ে বাবা-মা, বড় বোন বেশি খুশি হয়েছেন। আমি পড়াশোনা শেষে ঢাকায় ছিলাম। এই চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ঢাকা থেকে বাড়িতে চলে আসি। আমার আব্বু-আম্মুর ইচ্ছা ছিল যেন বাড়িতে থেকেই কোনো সরকারি চাকরি করি। এখন আমি পরিবারের সঙ্গেই থাকতে পারব। খুবই ভালো লাগছে।’
এ বিষয়ে প্রশাসন থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে জাহিদ জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ যোগাযোগ করেননি। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম ফোন করে তার খোঁজখবর নিয়েছেন।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২৪৪ জন প্রার্থীর মধ্যে দুই ধাপে মোট ২৪২ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারছি না। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেটা ভালো মনে করেছেন, সেভাবে কাজ করেছেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ