১১:৫৯ এম
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেও একটি বাসচালক মৃত্যুবরণ করেছেন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজন যাত্রী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে প্রায় ৮টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাহুবল উপজেলার ডুবাঐ বাজার এলাকা পৌঁছালে আকিজ ভেঞ্চার কোম্পানির একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী লাকি পরিবহনের বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। হতাহতদের মধ্যে ইউনিক বাসের চালক, কিশোরগঞ্জের দড়ি চরিয়াকোনা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে তাজুল ইসলাম রুবেল (৫১) এবং ইউনিক বাসের যাত্রী সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাদ্দাম হোসেনের ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৫) অন্তর্ভুক্ত।
আরও পড়ুন: সরকারকে বিতর্কিত করতেই আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্য কি না, প্রশ্ন রিজভীর
এ ঘটনায় সংঘর্ষের তীব্রতা কারণে ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। অপরদিকে, লাকি পরিবহনের বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান।
দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার পুলিশ ও বাহুবল ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ইউনিক পরিবহনের বাসচালকের মরদেহ উদ্ধার করেন। এক দুর্ঘটনাকবলিত লাকি পরিবহনের বাস সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইউনিক পরিবহন ও লাকি পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ইউনিক পরিবহনের বাসচালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজন মারা গেছেন।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন