শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫৮ পি.এম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের দাসত্ব করে না।
তিনি উল্লেখ করেন, বিগত নির্বাচনে বিপুল ভোটে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজ প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো দলের দাসত্ব করে না। বরং, তারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারায় বিশ্বাসী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শাড়ি বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন বেলা সাড়ে ১১ টায় শিবগঞ্জের উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সনাতন ধর্মার্থীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেন। পরবর্তীতে বেলা ১২টার দিকে মোকামতলা বন্দর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে পৃথক আরেকটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ধর্মপ্রাণ নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন।
পূজা উপলক্ষে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব আনন্দমুখর করতে সরকার এবার নির্বাহী আদেশে ছুটি একদিন বৃদ্ধি করেছে। এ ছাড়া প্রতিটি মন্দিরে ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দসহ প্রধানমন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।
মীর শাহে আলম আরও জানান, আগামী ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশরীরে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শনে যাবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেবেন।
এসময় জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা মুসলমানদের বেহেশতের লোভ দেখায়, আর হিন্দুদের ঢাকের তালে উলুধনি দেয়। এমন দ্বি-মুখী অভিনয় তারা সবসময় করে। ইতোমধ্যেই এমন অভিনেতাদের জনগণ প্রত্যাখান করেছে।
এসময় তিনি মোকামতলা কেন্দ্রীয় পুজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুই উপজেলার ৬৫টি পুজামণ্ডপে নিজস্ব তহবিল থেকে অনুদান বিতরণ করেন তিনি।
শাড়ি বিতরণ পর্ব শেষে দুপুর ১২.৩০ টায় তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃক আয়োজিত 'প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট'-এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের উদ্দেশে সড়কপথে রওনা হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লাউতারো মার্তিনেজের চোট আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে এসেছে। তার অনুপস্থিতির সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় বিকল্প হিসেবে ব্রাজিলের ক্লাব পালমেইরাসে খেলা আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হোসে মানুয়েল লোপেজের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। আগামী নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিরতিতে লাউতারো না থাকলে, লোপেজের জন্য জাতীয় দলে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম এল লিবারেল এবং টিওয়াইসি স্পোর্টস জানায়, বাঁ ঊরুর পেশিতে আঘাতের কারণে লাউতারো মার্তিনেজকে প্রায় এক মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে। এর ফলে নভেম্বরে আর্জেন্টিনার হয়ে তার খেলার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে লোপেজের পাশাপাশি সান্তিয়াগো কাস্ত্রোর নামও বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।
পালমেইরাসের হয়ে ২৫ বছর বয়সী লোপেজ দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। চলতি বছরে ক্লাবটির হয়ে ৫৪ ম্যাচে তিনি ২৩ গোল করেছেন এবং সতীর্থদের দিয়ে ১১টি গোল করিয়েছেন।
গোল করার দক্ষতার পাশাপাশি শক্তি এবং আক্রমণে সতীর্থদের যুক্ত করার সামর্থ্যও লোপেজকে এগিয়ে রাখছে। লাউতারো মার্তিনেজের মতো নিচে নেমে খেলা এবং বল হোল্ড করার সক্ষমতা রয়েছে, তাই আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি তার ওপর আস্থা রাখতে পারেন।
সম্প্রতি আর্জেন্টিনার জার্সিতে লোপেজ তার সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন। বলিভিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে তিনি একটি গোল করেছিলেন।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী নাসিমা খানকে হারিয়ে পরিবার শোকস্তব্ধ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জানাজা শেষে আজিমপুর পুরনো কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে মায়ের শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণ করেছেন বড় ছেলে উপল। তিনি জানিয়েছেন, মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ হলেও ছোট ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে আজিমপুর পুরাতন কবরস্থান মসজিদে নাসিমা খানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পর দুপুর ২টার দিকে তাকে কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ সময় সেখানে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মাকে হারানোর শূন্যতা প্রকাশ করতে গিয়ে উপল বলেন, “আমার মায়ের মতো মা পৃথিবীতে কম আছে। আজ আমি যেখানে পৌঁছাইছি, আমার মা না থাকলে সেটা সম্ভব হতো না।”
মায়ের সঙ্গে শেষবার কথা বলার স্মৃতিও গণমাধ্যমের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। উপল জানান, মৃত্যুর এক দিন আগে ফোনে মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল তার। তখন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন নাসিমা খান। ভিডিও কলে ছেলেকে চিনতে পারলেও তার কথা বুঝতে পারছিলেন না অভিনেত্রী।
মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে পেরেছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে উপল জানান, ধর্মীয় রীতি মেনে দাফন করার ইচ্ছা ছিল নাসিমা খানের। বৃহস্পতিবার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। তবে তার আরেকটি আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই রয়ে গেছে। কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ ছোট ছেলেকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।
উপল বলেন, “মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল ধর্মীয় নিয়ম অনুসারে দাফন করা। সেটি তো হলোই। আরেকটি ইচ্ছা ছিল, আমার ছোট ভাই কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ। তাকে ফিরে পাওয়াই ছিল তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা, যেটা এখনো পূরণ হয়নি। আমি চেষ্টা করব, তাকে যেন ফিরে পাই।”
নাসিমা খানের দুই ছেলে। বড় ছেলে উপল পড়াশোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। বর্তমানে সেখানেই একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তিনি। আর ছোট ছেলে নাবিল নাসির কুশল মায়ের সঙ্গে আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল এলাকার বাড়িতে থাকতেন। গত ফেব্রুয়ারিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি তিনি।
এর আগে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন নাসিমা খান। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, কুশল সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। তবে এর আগে কখনো এভাবে নিখোঁজ হননি তিনি। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়ে সেসময় নাসিমা খান বলেছিলেন, “আমার ছেলের জন্য অন্তরটা পুড়ে যাচ্ছে। সে কোথায় আছে, কার কাছে আছে, কী খাচ্ছে? সে কি কারো কাছ থেকে চেয়ে খাচ্ছে? এগুলো ভেবে আমার হৃদয়টা ফেটে যাচ্ছে! কেউ আমার ছেলেটাকে খুঁজে এনে দাও!”
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম নাসিমা খান। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। পরে ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে তিনি পরিচিতি পান। ষাটের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে জনপ্রিয়তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। সর্বশেষ ২০১১ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘কুসুম কুসুম প্রেম’ সিনেমায় তাকে দেখা গিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের থানচি-আলীকদম সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায়, সংস্কারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সাল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, থানচি-আলীকদম সড়কের ২১ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে তিন্দু বাজারের সংযোগ সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, সড়কটি পুনরায় সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকবাহী যান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল ফয়সাল মন্তব্য করেন, ‘তিন্দু বাজারের সংযোগ সড়কটি এখনো পুরোপুরি মেরামত করা হয়নি। সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা থাকায় পর্যটকরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটকরা আলীকদম হয়ে থানচি তিন্দুতে আসায় তাদের সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আগাম তথ্য থাকে না। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে সমস্যায় পড়তে হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিড়াল শুধুমাত্র মানুষের প্রিয় পোষ্য নয়, বরং বহু বছর ধরে মানুষের আশপাশে বসবাসকারী একটি পরিচিত প্রাণীও। তবে সব বিড়ালের জীবন নিরাপদ আশ্রয়ে কাটে না। অনেক বিড়াল রাস্তাঘাটে খাবার, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার অভাবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়। বিড়ালের সুরক্ষা, কল্যাণ এবং তাদের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করতেই পালিত হয় বিশ্ব বিড়াল দিবস।
প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর বিশ্ব বিড়াল দিবস বা গ্লোবাল ক্যাট ডে পালিত হয়। ২০২৬ সালেও আজ এই দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো বিড়ালকে মানুষের বসবাসের পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
বিশ্ব বিড়াল দিবসের ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রাণীকল্যাণ সংস্থা অ্যালি ক্যাট অ্যালাইসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০০১ সালে সংস্থাটি ১৬ অক্টোবর ন্যাশনাল ফেরাল ক্যাট ডে চালু করে। মূলত মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা এবং খোলা পরিবেশে বসবাসরত বিড়ালদের সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই ছিল এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
সেই সময় পথবিড়াল এবং মানুষের আশপাশে বসবাসকারী বিড়ালদের প্রতি অবহেলা এবং তাদের হত্যার মতো ঘটনা প্রাণীকল্যাণকর্মীদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতিতে বিড়ালের জীবন রক্ষা, তাদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং বিকল্প পরিচর্যার ব্যবস্থা নিয়ে জনসচেতনতা তৈরির প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরবর্তীতে এই উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের সীমা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে। ২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবর প্রথমবারের মতো গ্লোবাল ক্যাট ডে উদযাপন করে অ্যালি ক্যাট অ্যালাইস। এর মাধ্যমে দিবসটির পরিধি আরও প্রসারিত হয়। পথবিড়ালসহ বিশ্বের সকল বিড়ালের সুরক্ষার বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।
বিশ্ব বিড়াল দিবসের মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিড়ালকে নিয়ে আনন্দ উদযাপন নয়। বরং তাদের জীবন রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিড়ালের প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণকে উৎসাহিত করা। পথবিড়াল অনেক সময় খাবারের অভাব, অসুস্থতা, দুর্ঘটনা এবং মানুষের নির্যাতনের শিকার হয়। তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসা ও পরিচর্যার সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। এই দিবসের মাধ্যমে এসব সমস্যা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করা হয়।
এছাড়া পথবিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মানবিক পদ্ধতি হিসেবে ট্র্যাপ-নিউটার-রিটার্ন (টিএনআর) কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতে বিড়ালকে নিরাপদে ধরে নির্বীজকরণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর আগের পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এর লক্ষ্য হলো বিড়ালের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তাদের জীবন রক্ষা করা।
বিশ্ব বিড়াল দিবস মনে করিয়ে দেয়, বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা শুধুমাত্র ঘরে পোষ্য হিসেবে রাখা প্রাণীটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। পথেঘাটে বসবাসকারী বিড়ালের প্রতিও মানবিক আচরণ অপরিহার্য। তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধ করা, অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং নিরাপদে বেঁচে থাকার পরিবেশ তৈরিতে এগিয়ে আসা এই দিবসের অন্যতম বার্তা।
অতএব, ১৬ অক্টোবর কেবল বিড়ালকে ভালোবাসার দিন নয়, বরং তাদের সুরক্ষা ও কল্যাণের দায়িত্ব নতুন করে উপলব্ধি করার দিন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের সঙ্গে বিড়ালের সহাবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রতিটি বিড়ালের জীবনকে গুরুত্ব দেওয়াই বিশ্ব বিড়াল দিবসের মূল তাৎপর্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ