০৬:৪৫ এম
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। গত বুধবার প্রকাশিত স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের এই বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।
গত বছর চুয়েটের চারজন শিক্ষক এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ছয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বছর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন শিক্ষক, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী সবার ওপরে রয়েছেন। তিনি ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ১ হাজার ৪১৮তম অবস্থানে আছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি। একই বিভাগের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনের ৮৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং তার বৈশ্বিক অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম। অধ্যাপক মো. মুক্তার হোসাইনের ৮১টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে তার অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম।
আরও পড়ুন: তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুই কমিশনারের সাক্ষাৎ
রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৩৪টি। অপরদিকে, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সামিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন, যার গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০টি।
এছাড়া, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৪৪টি।
শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষক নির্ধারণের ক্ষেত্রে গবেষণাপত্রের সংখ্যা ছাড়াও গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। মোট সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহলেখকের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত এইচএম-ইনডেক্স, একক লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণার সাইটেশন এবং প্রথম ও শেষ লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সাইটেশন—এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে গবেষকদের সি-স্কোর নির্ধারণ করা হয়।
স্কোপাস ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিশ্বের বিপুলসংখ্যক গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুটি মানদণ্ডের যেকোনো একটি পূরণকারী গবেষকদের শীর্ষ ২ শতাংশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর একটি হলো সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা। অন্যটি হলো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ ২ শতাংশে অবস্থান করা। এ মূল্যায়নে বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করে গবেষকদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।
আরও পড়ুন: আজ মন্ত্রিসভায় সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব আলোচনা হতে পারে
এ বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একাধিক গবেষকও এ বৈশ্বিক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার প্রভাব বিবেচনায় দেশের ৮৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন