ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবি প্রাচ্যকলা বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু, পুরস্কৃত ১৬ শিক্ষার্থী


ঢাবি প্রাচ্যকলা বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু, পুরস্কৃত ১৬ শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে প্রাচ্যকলা বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) অনুষদের ওসমান জামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১৬ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়েছে।প্রাচ্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র ত্রিবেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ছেলে প্রকৌশলী ময়নুল আবেদিন। প্রদর্শনীর কিউরেটর কান্তিদেব অধিকারী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।

 

শিক্ষার্থীদের সেরা শিল্পকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। নিরীক্ষাধর্মী শিল্পকর্মের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করেন পল্লবী বিশ্বাস ও রাহেলী রুবাইয়াৎ এবং বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন সজীব দত্ত ও বসুন্ধরা সরকার। জলরংয়ে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পান প্রগতি চাকমা ও শুভজিৎ পাল। পেনসিল মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভ করেন সোহাগ রায় ও অমিয় পাল।

আরও পড়ুন: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

 

এছাড়া প্রদর্শনীতে বিভিন্ন স্মৃতি পুরস্কারও প্রদান করা হয়। শিল্পী শফিকুল আমীন স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন জাহিন রাঈদা মাইশা ও সুষমা সাদাফ মিথী। শিল্পী রশিদ চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার পান বাপ্পী পাল ও নকীব জাহাঙ্গীর। শিল্পী আমিনুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন ইশতিয়াজ হোসেন ও সুনয় চাকমা এবং শিল্পী শওকাতুজ্জামান স্মৃতি পুরস্কার পান মো. জাকারিয়া ইসলাম ও অংকিতা মিত্র।

 

আরও পড়ুন: চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে উদ্ধারকারীদের কাজ সহজ করেছে ড্রোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


নেপালে উদ্ধারকারীদের কাজ সহজ করেছে ড্রোন

গত সপ্তাহে নেপালে ভয়াবহ বন্যার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ছিল নুয়াকোটের দেবীঘাট। সোমবার, দেবীঘাটের আকাশে একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখা যায়। আকাশে উড়ে চলেছে একটি মনুষ্যবিহীন ড্রোন, যার নিচে ঝুলছে একটি মৃতদেহ।

উদ্ধারকারীদের জন্য পৌঁছানো অসম্ভব এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে মৃতদেহ সরিয়ে আনতে এই বিশেষ ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে, দেবীঘাট-৩ থেকে দেবীঘাট-৫ পর্যন্ত ড্রোনের মাধ্যমে মোট সাতটি মৃতদেহ আকাশপথে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়।

এক দশক আগে, নেপালে ড্রোন প্রযুক্তি মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগে আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের জরিপ কাজে ব্যবহৃত হতো। আজকের এই ব্যতিক্রমী ব্যবহার সত্যিই বিস্ময়কর। ২০১৫ সালে নেপালে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের সময় হাজার হাজার মানুষ মারা যায় এবং কাঠমান্ডু উপত্যকাসহ বিভিন্ন এলাকা বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। সেই সময় জীবিতদের সন্ধান, ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন এবং ত্রাণ কাজে সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রথম ড্রোন নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং নেপালি যুবকদের আগ্রহের কারণে আজ দেশটিতে নিজস্ব ড্রোন দক্ষতার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে, নেপালে ড্রোনের ব্যবহার আকাশপথ থেকে ছবি তোলা বা মানচিত্র তৈরির গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক জটিল ও বাস্তবমুখী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। চলতি বসন্তে, এভারেস্ট বেস ক্যাম্প থেকে খুম্বু আইসফলের ক্যাম্প-১ এ ভারী মালামাল মাত্র ৬ থেকে ৭ মিনিটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ড্রোনের মাধ্যমে, যা আগে মানুষের হেঁটে পাড়ি দিতে প্রায় সাত ঘণ্টা সময় লাগত। ড্রোনগুলো বিপজ্জনক স্থানগুলোতে জরুরি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ওষুধ, দড়ি এবং মই পৌঁছে দিয়েছে। এর ফলে শেরপাদের প্রতিনিয়ত পর্বতের সবচেয়ে বিপজ্জনক পথগুলোতে যাতায়াতের ঝুঁকি অনেকটাই কমে এসেছে। খুম্বু আইসফল এলাকা চলন্ত বরফখণ্ড, গভীর গিরিখাত এবং হিমবাহ ধসের জন্য অত্যন্ত কুখ্যাত; যেখানে একটি ভুল পদক্ষেপের অর্থ হতে পারে টন টন বরফের নিচে জীবন্ত কবর পাওয়া।

পার্বত্য অঞ্চলে মালামাল বহনের পাশাপাশি, ড্রোন দিয়ে সচল গিরিখাত স্ক্যান এবং বরফের দেয়ালের ৩ডি ম্যাপিং করা হয়েছে, যাতে শেরপা গাইডরা বিপজ্জনক এলাকায় প্রবেশের আগে ঝুঁকিগুলো শনাক্ত করতে পারেন। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পর্বতারোহীরা তুষারধস বা বরফ ধসে পড়ার ঝুঁকি আগে থেকেই মূল্যায়ন করতে সক্ষম হচ্ছেন।

পাহাড় চূড়ার পর, এখন লোকালয়ে নদী অববাহিকার প্লাবিত ও ধসপ্রবণ এলাকাগুলোতেও ড্রোন তার কার্যকারিতা প্রমাণ করছে। দেবীঘাট-৩ গ্রামে বন্যাকবলিত মানুষ গত রবিবার ত্রাণ উদ্ধারের সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করেন।

গ্রামের ওপর হঠাৎ বেজে ওঠে একটি লাউডস্পিকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত একটি ড্রোন গ্রামের আকাশে উড়ে উড়ে প্রথমে একজন বাসিন্দাকে অনুসরণ করে এবং পরে কিছু মানুষের সামনে এসে স্থির হয়। এরপর ড্রোনটিতে যুক্ত স্পিকার চালু হয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করে।

‘এয়ারলিফট টেকনোলজি’র পরিচালক এবং ড্রোন পাইলট মিলন পান্ডে বলেন, "গ্রামবাসীদের হাতের ইশারায় দেওয়া উত্তরের ওপর ভিত্তি করে আমরা মূল্যায়ন করি তাদের কী প্রয়োজন এবং সেই অনুযায়ী ড্রোনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করি।"

ড্রোনটি গ্রামবাসীদের কোনো প্ল্যাকার্ড বা কাদার ওপর ফোন নম্বর অথবা ঠিকানা লিখে রাখারও নির্দেশ দেয়, যেন অপারেটররা সংকেত পেয়ে আটকে পড়া মানুষের কাছে নিখুঁতভাবে সহায়তা পাঠাতে পারেন। নদী বা পাহাড়ি ঢলে রাস্তা ও সেতু ধ্বংস হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপরীতে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। মিলন পান্ডে জানান, তারা মাত্র তিন দিনে বন্যাকবলিত এলাকায় অন্তত ১.৫ টন খাদ্যসহ জরুরি জিনিসপত্র পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন। এমনকি সোমবার দেবীঘাটের একটি চারতলা স্কুলের ছাদে ড্রোন থেকে জরুরি মালামাল নামিয়ে দেওয়া হয়, যা পরে স্থানীয় ওয়ার্ড চেয়ারম্যান সংগ্রহ করে গ্রামবাসীদের মাঝে বণ্টন করেন।

ড্রোন অপারেটররা অবশ্য স্বীকার করেছেন যে, পেলোড ধারণক্ষমতা, নির্দিষ্ট দূরত্বের সীমা এবং প্রতিকূল আবহাওয়া ড্রোনের শতভাগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখনো কিছুটা সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। তবে যেখানে ঐতিহ্যবাহী যানবাহন বা হেলিকপ্টার পৌঁছাতে পারে না, সেখানে ড্রোনের ভূমিকা অসাধারণ। এটি হেলিকপ্টারের তুলনায় বহুগুণ সাশ্রয়ী পরিবহণ মাধ্যম।

আর সেই দেবীঘাটেই সোমবারে ড্রোন সম্পন্ন করেছে তার সবচেয়ে ব্যতিক্রমী কাজ; মৃতদেহ বহন করা। নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে অগম্য স্থান থেকে সাতটি লাশ উদ্ধার সম্পর্কে মিলন পান্ডে বলেন, "যেসব জায়গায় মানুষের হেঁটে যাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল, সেখান থেকে আমরা আকাশপথে মৃতদেহগুলো স্থানান্তর করেছি।"

‘হামি নেপাল’-এর নেতৃত্বে আট সদস্যের এই যৌথ ড্রোন দলে কাজ করছেন গরুড়এক্স, নেপাল পুলিশ, নেপাল সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র পুলিশ বলের সদস্যরা। দলটিতে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘ডিজেজেআই ফ্লাইকার্ট ১০০’ ভারী শিল্প পণ্যবাহী ড্রোন। এটি সর্বোচ্চ ৮৫ কেজি ওজন বহনে সক্ষম এবং চার কিলোমিটার পরিসীমা পর্যন্ত চলতে পারে।

এছাড়া নদীর তীর এবং জলসীমায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজতে ব্যবহার করা হচ্ছে থার্মাল ড্রোন। এই ড্রোনগুলো তাপমাত্রার তারতম্য শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত মানুষের অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে পারে, যার ফলে বিপজ্জনক স্থান থেকেও জীবিতদের উদ্ধার করা সহজ হচ্ছে।

শুধু খোলা আকাশে বা নদীর বুকেই নয়, এই প্রযুক্তির ব্যবহার পৌঁছে গেছে মাটির নিচেও। আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে, যেখানে বন্যার পর বহু শ্রমিক আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেখানে ড্রোন নামানো হয়েছিল। ড্রোন অপারেটর আদর্শ ভূসাল বলেন, "আমরা প্রকল্পের প্ল্যাটফর্ম-১ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলাম এবং দেখেছি পুরো সুড়ঙ্গ পানি ও পাথরে ভরে গেছে। ভেতরে ড্রোন নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে প্রথম অভিযানে সুড়ঙ্গের ভেতরে জীবনের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি।"

ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ নেপালের মতে, ত্রিশূলী ও ভোটে কোশী নদীর বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করা প্রায় ৯০০ জন শ্রমিক বন্যার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের অবস্থান হিমালয়ের সংবেদনশীল অঞ্চলে হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বন্যা, ভূমিধস এবং হিমবাহজনিত দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান নেপালের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাংক মনে করে, নেপালের তৈরি এই ড্রোনের নিজস্ব প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোতেও রপ্তানি করা সম্ভব, যেমনটি সম্প্রতি ভুটানে একটি ঝুঁকি মূল্যায়নে নেপালি ড্রোন সংস্থা পরিষেবা দিয়ে সম্পন্ন করেছে।

এভারেস্টের চূড়া থেকে শুরু করে প্লাবিত উপত্যকা পর্যন্ত, ড্রোন আজ নেপালের দুর্গম ও বিপজ্জনক স্থানগুলোতে মানুষের বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছানো, তুষারধসের পথ ম্যাপিং, জীবিতদের সন্ধান, সুড়ঙ্গ পরিদর্শন কিংবা মৃতদেহ বহন; সব ক্ষেত্রেই প্রযুক্তিটি অনন্য ভূমিকা রাখছে।

মিলন পান্ডে যোগ করেন, "বারংবার ভূকম্পন, বন্যা ও পাহাড়ি দুর্যোগের মুখে পড়া একটি দেশের জন্য এই দেশীয় ড্রোন প্রযুক্তির উত্থান একটি বিশাল বড় পরিবর্তন। যেখানে মানুষের যাওয়া অসম্ভব, সেখানে এই ড্রোন চোখ, মালামাল এবং উদ্ধারক্ষমতা একসূত্রে গেঁথে দিচ্ছে।"

কাঠমান্ডুতে যন্ত্রাংশ আমদানি করে ড্রোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান ‘এয়ারলিফট টেকনোলজি’র এই পরিচালক মনে করেন, "এই জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিতে এখন কেবল প্রয়োজন একটি উপযুক্ত ও সুনির্দিষ্ট সরকারি নীতি।"

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সারা বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসছে’, গণছাঁটাইয়ের ব্যাখ্যায় আকিব জাভেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


‘সারা বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসছে’, গণছাঁটাইয়ের ব্যাখ্যায় আকিব জাভেদ

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক আকিব জাভেদ মন্তব্য করেছেন, "সারা বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসছে"। তিনি এই কথা বলেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দুই টেস্টে দলের বাজে পারফরম্যান্সের পর।

দলের খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য অধিনায়ক বাবর আজম এবং কোচদের ভুল সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন আকিব জাভেদ। তিনি বলেন, সিরিজের মাঝপথে সাতজন খেলোয়াড় এবং কোচদের বাদ দেওয়ার মাধ্যমে নজিরবিহীন গণছাঁটাইয়ের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি, যেখানে পাকিস্তানের ক্রিকেট দল তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। খবর

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে বাস খাদে, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে বাস খাদে, আহত ১০

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সানুহার বন্দরে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাসটি অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনায় পতিত হয়। বুধবার দুপুরে সানুহার-ধামুরা সড়কে এই ঘটনা ঘটে। এতে বাসের ১০ জন যাত্রী আহত হন। তবে পুলিশ জানায়, তাঁদের মধ্যে কারও অবস্থা গুরুতর নয়।

উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, বরিশাল নগরী থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি উজিরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সানুহার-ধামুরা সড়কটি সরু এবং খানাখন্দে ভরা হওয়ায় সেখানে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বাসটি সানুহার বন্দরের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং রাস্তার পাশের খাদে পড়ে উল্টে যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর জানা যায়, আহত যাত্রীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা করেন, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। বাসটি এখনও রাস্তার পাশের খাদে পড়ে রয়েছে।

ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় যদি কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কওমি হেফাজত দিশেহারা, ফায়দা লুটছে জামায়াত-লামাযহাবীরা: মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


কওমি হেফাজত দিশেহারা, ফায়দা লুটছে জামায়াত-লামাযহাবীরা: মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী

বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে ও পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জামায়াত ও লামাযহাবী গোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে বেশি লাভবান হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কওমি অঙ্গনে বিভাজন ও ভাঙনের পাশাপাশি জামায়াত ও লামাযহাবী মতাদর্শে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর ফলে কওমি অঙ্গন সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী বলেন, “অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে এবার বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে-পরে সবচেয়ে বেশি গেইনার জামায়াত আর লামাযহাবীরা। আর কওমি অঙ্গনে ভাঙনসহ যে হারে জামায়াত ও লামাযহাবীতে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মধ্যে আছে কওমিরা। বেঁচে গেলো চরমোনাই ও সুন্নীরা।”

তবে নিজের এই বাস্তব ধারণা ভুল প্রমাণিত হোক—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

মামুনুল হককে জামায়াত জোটে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের মতো একটা ফিগারকে জামায়াত জোটে নেওয়া চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। সাথে ওসামার মতো বাকপটুকে নিয়ে জামায়াতের যে সুচিন্তিত মিশন বাস্তবায়ন হচ্ছে, তা এখন কওমি অঙ্গন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।”

এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধর্মীয় অঙ্গনের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পদ-পদবি দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে দেশের সুন্নী দরবার, পীর-মাশায়েখ ও খানকাগুলোর মধ্যে আগের তুলনায় ঐক্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী। তাঁর ভাষ্য, আমলের ক্ষেত্রে কিছু অসঙ্গতি ও মাসলাকগত মতপার্থক্য থাকলেও দেশের অধিকাংশ সুন্নী দরবার ও পীর-মাশায়েখ প্রচলিত রাজনীতিকে তুলনামূলক কম গুরুত্ব দিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন।

তিনি বলেন, উগ্রবাদ ও দ্বিচারিতার মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রশ্নে সুন্নী অঙ্গনের মানুষ নিজেদের শান্তিপ্রিয় হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।

সর্বশেষে তিনি বলেন, আল্লাহর দ্বীনের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সকল দল-মতের ইসলামপন্থীরা ঐক্যবদ্ধ হলে দেশের মুসলমান, আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখদের রাষ্ট্র পরিচালনায় আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।

মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমীর এসব বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%