শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৩ পি.এম
মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ দূতাবাস কায়রো দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করেছে।
দূতাবাসের উদ্যোগে পূর্বনির্ধারিত এই কনস্যুলার ক্যাম্প শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। আলেকজান্দ্রিয়ার গোল্ডেন স্টারস টেক্সটাইল-এ আয়োজিত এই ক্যাম্পটি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলবে।
দূতাবাস জানায়, মিশরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ফলে আলেকজান্দ্রিয়া ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা কায়রোতে দূতাবাসে যাতায়াত না করেই নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
ক্যাম্পে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, ই-পাসপোর্ট বিতরণ, ট্রাভেল পারমিট, দূতাবাসের পত্র এবং বিভিন্ন ডকুমেন্ট সত্যায়নসহ প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন কনস্যুলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করছেন দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আজ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
দূতাবাসের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা। তারা মন্তব্য করেছেন, কায়রো থেকে দূরবর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য এই ধরনের কনস্যুলার ক্যাম্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে কায়রো যাতায়াতের সময় ও খরচ সাশ্রয় হচ্ছে, পাশাপাশি কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রবাসীদের সঙ্গে দূতাবাসের যোগাযোগ আরও জোরদার এবং সেবাকে সহজ ও জনবান্ধব করতে বাংলাদেশ দূতাবাস, গত মাস থেকে রাজধানী কায়রোর বাইরে এমন কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করে আসছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মিশরের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশিদের কাছে কনস্যুলার সেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে বলেন, "প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা সহজীকরণ এবং তাদের সঙ্গে দূতাবাসের যোগাযোগ আরও জোরদার ও কার্যকর করাই এই ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।"
তিনি আরও বলেন, "প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকেই তাদের নানাবিধ সমস্যার কথা জানা এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা এই ক্যাম্পের লক্ষ্য।"
আলেকজান্দ্রিয়ায় এবারের কনস্যুলার ক্যাম্পে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। প্রবাসীদের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও মিশরের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীর স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সকলকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা ডেঙ্গুতে আর কোনো মৃত্যু চাই না।" মেয়র আরও বলেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে পারলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। তাই নাগরিকদের নিজেদের আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে এবং তিন দিনে একদিন জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে।
আজ নগরের পতেঙ্গা থানাধীন কমিশনার ঘাটা, দক্ষিণপাড়া ও বাটারফ্লাই রোড এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও নাগরিক সচেতনতামূলক অভিযান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র আরও বলেন, আমাদের বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচে এবং নির্মাণাধীন ভবনে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। বর্তমানে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকছে। এ ধরনের জমে থাকা পানিতে অল্প সময়ের মধ্যেই এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।
তিনি আরো বলেন, যদি চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোথাও ঠিকমতো ওষুধ ছিটাচ্ছেন না বা কোনো ধরনের গাফিলতি করছেন- এমন অভিযোগ থাকে, তাহলে নাগরিকদের তা জানাতে হবে। ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করা যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উল্লেখ করেন, "যতক্ষণ পর্যন্ত দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার নেই।" তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন। তাদের দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আমরা বিব্রতবোধ করি। আইন অনুযায়ী, তাদের কোনো সভা-সমাবেশ করা বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। জনগণের রায়েই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
তিনি আরও জানান, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার দলীয় মনোনয়ন বা জাতীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না।
এর আগে, শিবগঞ্জ মোকামতলা উপজেলায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা অন্বেষণ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং শিবগঞ্জ গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য দুটি স্কুল বাস বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী পূর্ব সুন্দরবনের নারিকেলবাড়ীয়ায় শুক্রবার ভোরে বনরক্ষীরা একটি ট্রলারসহ ৪ বস্তা হরিণ ধরার মালা ফাঁদ জব্দ করেছেন। এ ঘটনার সময় শিকারীরা ট্রলার থেকে লাফিয়ে পড়ে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যায়।
বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নিয়মিত টহলের সময় বঙ্গোপসাগরের নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় একটি ট্রলার দেখতে পান এবং সেটিকে থামাতে নির্দেশ দেন। বনরক্ষীদের উপস্থিতি দেখে ট্রলারে থাকা ৬/৭ জন শিকারী সাগরে লাফিয়ে পড়ে এবং বনের মধ্যে পালিয়ে যায়।
এ সময় ট্রলারটি সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায়। বনরক্ষীরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অর্ধ ডুবন্ত ট্রলারটিকে টেনে শেলারচরে নিয়ে আসেন। ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে তারা ৪ টি বস্তায় বিপুল পরিমাণ হরিণ শিকারের মালা ফাঁদ উদ্ধার করেন। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার কারণে ককশীট ভর্তি বরফসহ শিকারীদের অন্যান্য সরঞ্জাম সাগরে ভেসে যায় বলে বনরক্ষীরা জানিয়েছেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ শরীফুল ইসলাম জানান, আজ ভোরে সুন্দরবনে হরিণ শিকারীদের একটি অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাত পরিচয়ের শিকারী চক্র ককশীট ভর্তি বরফসহ মালা ফাঁদ নিয়ে হরিণ ধরার উদ্দেশ্যে সাগর পথে সুন্দরবনের নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় গিয়েছিল। এসিএফ জানিয়েছেন, বনরক্ষীরা সাগরে অর্ধ ডুবন্ত অবস্থায় ট্রলারটিকে উদ্ধার করেছেন।
প্রসঙ্গত, মালা ফাঁদ (Mala Trap) হলো সুন্দরবনের বাঘ শিকারিদের ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও নিষ্ঠুর ফাঁদ। চোরা শিকারিরা মূলত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার শিকার করার জন্য এই ফাঁদ তৈরি করে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনজনকে আটক করেছে, যাদের কাছে স্বর্ণালংকার ছিল।
আটক হওয়া তিনজন হলেন মো. নাসির মোল্লা (৪০), সোহাগ শেখ (২৪) এবং মো. হাছান মিয়া (২৩)।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গতকাল দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশের ফুটপাত থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকের সময় তাদের শরীর তল্লাশি করে ৮৬১.৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারের ক্যারেট ২১ ও ২২। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৬০ টাকা।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে আজ বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ