০৭:৪৭ পি.এম
শেরপুরে গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন শিশুকে কোলে তুলে নেন, যিনি মমতাময়ী মায়ের মতো।
গণশুনানীতে অংশগ্রহণকারী মা হারা ছোট্ট আব্দুল্লাহকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং তার জন্য পোশাক ক্রয় করা হয়। জেলা প্রশাসক জানান, মাতৃহারা আব্দুল্লাহর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য জেলা প্রশাসনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন গণশুনানি পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন: দুদকের মামলায় মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, পরিবার বলছে ‘মৃত্যু নিয়ে তামাশা’
গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সেবাপ্রার্থীরা চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষা, বাসস্থান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের আবেদন ও অভিযোগ উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমস্যার ধরন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সহায়তা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
গণশুনানিতে মোট ১৮০ জন সেবাপ্রার্থীর মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫১ জনকে আর্থিক সাহায্য, ২ জনকে হুইলচেয়ার, ৫ জনকে ওষুধ, এবং একজন শিশুকে পরিধানের বস্ত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সহায়তার জন্য ১টি, ঘরের জন্য ৪টি, ভিজিডি কার্ডের জন্য ৩টি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সহায়তা-সংক্রান্ত ১টি, ঢেউটিনের জন্য ০৪ টি এবং ভূমিসহ অন্যান্য বিষয়ে ৫টি আবেদন ও অভিযোগ জমা পড়ে। উত্থাপিত সমস্যাগুলোর যথাযথ সমাধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেবাপ্রার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ এবং উপযোগিতা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, "জনসাধারণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া, নাগরিক সমস্যা সরাসরি শোনা এবং দ্রুত প্রতিকারের উদ্যোগ গ্রহণে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের এ ধরনের গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে জেলা পরিষদের পক্ষে ৫৩ টি পূজা মণ্ডপে চেক বিতরণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন