ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সকল বয়সীদের মাঠে যাবার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য বর্তমান সরকারের: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


সকল বয়সীদের মাঠে যাবার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য বর্তমান সরকারের: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : “খেলাধুলা সবার জন্য, খেলাধুলা কোন বয়স মানেনা। শিশু থেকে শুরু করে ৬০ উর্ধ্ব সবাই যাতে মাঠে যেতে পারে সেই উদ্দেশ্যে সকলকে একটি নিরাপদ পরিবেশ দেয়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।” যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনায় প্রতিটি ইউনিয়নে আমরা একটি খেলার মাঠ তৈরী করতে চাই। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ২৭টি জেলা থেকে ৪০৩টি মাঠের তথ্য পেয়েছি। আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এক হাজার মাঠ তৈরী করে, সেই মাঠে তরুণ-যুবক-৬০ উর্ধ্ব সকলের জন্য একটি পরিবেশ তৈরী করে দেয়া। যাতে সবাই খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটাতে পারে।”

আজ এখানে টেবিল টেনিস উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই নতুন কুঁড়ির দ্বিতীয় আসরে আমরা এবার টেবিল টেনিস অন্তর্ভুক্ত করেছি। ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে টেবিল টেনিস দল গঠন করা হবে। প্রায় ৫০৩টি উপজেলায় নতুন কুঁড়ি দ্বিতীয় আসর শুরু হচ্ছে। নভেম্বরে খুলনা থেকে একযোগে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন।

আরও পড়ুন: প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই তাসকিনের ৩ শিকার, বিপদে জিম্বাবুয়ে

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব ভূঁইয়া, প্রধান তথ্য কর্মকতা সৈয়দ আবদাল আহমেদ ও বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শুধু ফুটবল-ক্রিকেট নয়, টেবিলে টেনিসের মত ভলিবল, বাস্কেটবল, এ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, মার্শাল আর্ট সবগুলো খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূলে সর্বোচ্চ জায়গায় ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র ফুটবল-ক্রিকেটকে ফোকাস করে নয়, অন্যান্য খেলাতেও আমাদের ভাল করার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত ইভেন্টে আমাদের সম্ভাবনা রয়েছে।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চেষ্টা করছে খেলাধুলাকে কিভাবে পেশা হিসেবে কাজে লাগানো যায়। সে লক্ষ্যে আমরা ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি। নতুন কুর্ঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম আসর শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় আসর শুরুর অপেক্ষায়। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসকে আমরা বাৎসরিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছি। যাতে প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে আমরা এই আসর শুরু করতে পারি এবং এই খেলাটিকে সাত-আট মাস ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে চাই। ৪৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করে এই আসর আয়োজিত হবে। পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে অন্যান্য সময় যাতে আমরা শিশুদের মাঠে রাখতে পারি। এতে করে আমাদের যে মূল লক্ষ্য সুস্থ্য জাতি গড়ে তোলা, ডিভাইসের হাত থেকে কিছুটা সময় সন্তানদের দূরে রাখা, মাদকমুক্ত সমাজ- এসবই সম্ভব হবে।

আগামী শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলা নামক একটি নতুন পাঠ্যপুস্তক সংযোজন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী অবহিত করেন। তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যৌথভাবে এই পাঠ্যবই তৈরীর জন্য সহযোগিতা করেছে। এর মাধ্যমে চতুর্থ শ্রেণী থেকে পরবর্তী প্রজন্মকে নতুন একটি উদ্যোমে গড়ে তুলতে চাই। এরপর ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমে পরবর্তী শ্রেণীগুলোতে এই পাঠ্যবই অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন: চোটের কারণে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে চেলসি অধিনায়ক রিস জেমস

প্রতিটি উপজেলায় একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। শুধুমাত্র উপজেলা পর্যায়ে নয়, জেলা পর্যায়ে স্পোর্টস ভিলেজ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে যে অর্থনৈতিক মন্দা তাতে আপাতত সেই অবকাঠামোগুলো কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে স্পোর্টস ভিলেজের মাধ্যমে স্পোর্টসের নতুন একটি উদ্যোম তৈরী হবে। এছাড়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এ্যাথলেটদের জন্যও একটি প্যারা স্পোর্টস ভিলেজ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চতুর্থ শ্রেণী থেকে যেহেতু ক্রীড়াকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বছরব্যাপী যাতে শিক্ষা ক্যারিকুলামের সাথে ক্রীড়াকে অন্তর্ভুক্ত করা যায় তাহলে শিশুরা সবসময়ই খেলাধুলার মধ্যে থাকতে পারবে। স্কুল এমন একটি স্থান যেখানে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাকে যদি বাধ্যতামূলক করা হয় তাহলে সামাজিকভাবে একটি গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা ইতোমধ্যেই কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। প্রতিটি ইভেন্টে বিষয়ভিত্তিক কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে যদি প্রাথমিকভাবে ১০জন করে ক্রীড়া শিক্ষক নেয়া হয় তবে বিশাল একটি কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে। সাথে সাথে বিভিন্ন ক্রীড়ায় একটি পরিবর্তনও আসবে বলে আমরা আশাবাদী।”

বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের শিশুদের মাঠমুখী করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। যা ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান হয়েছে। দীর্ঘদিন আমরা একটি দাবি জানিয়ে আসছিলাম, ক্রীড়াবিমুখ শিশুদের যেন আবারও মাঠমুখী করতে পারি। সেই দাবি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “খেলাধুলা শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দেয়। জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই বিষয়টি আমরা বরাবরই উপেক্ষা করে আসছি। শিশুর বিকাশের মূল ভিত্তি খেলাধুলা। কিন্তু এখন মাঠে খুব একটা শিশুদের দেখা যায়না। পড়াশুনার চাপে তাদের সেই সময়ও নেই। তার উপর প্রযুক্তি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে মাঠ বিমুখ করে তুলেছে।”

আরও পড়ুন: বিসিবির কোচ মোসাদ্দেক হোসেন হৃদরোগে মারা গেলেন

বাসস প্রধান আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি খেলার মাঠ তৈরীর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটা একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে আমাদের শিশুদের একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গড়ে তুলতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে নতুন নির্মাণের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


ডাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে নতুন নির্মাণের দাবি

মাদারীপুর, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পশ্চিম শশিকর ওয়াপদারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে।

দীর্ঘকাল ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় থাকা এই জরাজীর্ণ ভবনের ৩৬টি পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও পলেস্তারা খসে পড়েছে, আবার কোথাও রড বেরিয়ে এসেছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্রতিদিন পাঠদান হচ্ছে। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। শিক্ষক ও অভিভাবকরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের শিশুদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম ভরসা। বিদ্যালয়টির প্রায় তিন কিলোমিটারের মধ্যে আর কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। ফলে ঝুঁকির বিষয়টি জানা সত্ত্বেও অভিভাবকদের সন্তানদের পড়াশোনার স্বার্থে এখানে পাঠাতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন পিলারে ফাটল রয়েছে। দেয়াল ও পলেস্তারা ক্ষয়ে গেছে। কিছু স্থানে রড বেরিয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলে ছাদ ও দেয়াল চুইয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ভিজে যায় এবং আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের সংকটও রয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব প্রতিকূলতার মধ্যেই পাঠদান চলছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করার সময় ভবন নিয়ে তাদের ভয় কাজ করে। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। তারা দ্রুত বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানায়।

অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও পলেস্তারা খসে পড়ার দৃশ্য তাদের আতঙ্কিত করে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটির পরিবর্তে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পূরবী সরকার বাসস’কে বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা দীর্ঘদিনের। ভবনের বিভিন্ন পিলারে ফাটল থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যালয়ের ভবনটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষকরাও তাদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। কিন্তু জরাজীর্ণ ভবন ও শ্রেণিকক্ষের সংকট স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে।

ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ বাসস’কে বলেন, বিদ্যালয় ভবনের বর্তমান অবস্থা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পিড়ারবাড়ী, নইয়ারবাড়ী, উত্তর শশিকর ও পশ্চিম শশিকর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বিদ্যালয়ের নিজস্ব ৩৩ শতাংশ জমিও রয়েছে।

এলাকাবাসী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবনটির কারিগরি পরীক্ষা করা হবে এবং ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাও পাখি বলো তারে’র গায়িকা কৃষ্ণকলি ডেঙ্গু আক্রান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


যাও পাখি বলো তারে’র গায়িকা কৃষ্ণকলি ডেঙ্গু আক্রান্ত

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কৃষ্ণকলি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চার দিন ধরে জ্বরে ভোগার পর গত বৃহস্পতিবার তাঁর শরীরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিষয়টি তাঁর মেয়ে অমৃতাঞ্জলি শ্রেষ্ঠশ্বরী জানিয়েছেন।

মায়ের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে অমৃতাঞ্জলি জানান, আপাতত বাসাতেই রয়েছেন কৃষ্ণকলি। শনিবার তাঁর আরও একটি পরীক্ষা করার কথা রয়েছে। পরীক্ষায় রক্তের প্লাটিলেটের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মায়ের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ অ্যালবামের মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন কৃষ্ণকলি। তবে গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ সিনেমার ‘যাও পাখি বলো তারে’ গানটি তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। শ্রোতাদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা পাওয়া এই গানের জন্য চন্দনা মজুমদারের সঙ্গে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে কৃষ্ণকলি উপহার দিয়েছেন একাধিক অ্যালবাম ও মৌলিক গান। ‘সূর্যে বাঁধি বাসা’ ছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে ‘আলোর পিঠে আঁধার’ ও ‘বুনোফুল’। তিনি এখনো নিয়মিত নতুন গান প্রকাশ করছেন। তাঁর অসুস্থতার খবরে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনে নভেম্বরের আইনসভা নির্বাচন স্থগিত, নতুন তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


ফিলিস্তিনে নভেম্বরের আইনসভা নির্বাচন স্থগিত, নতুন তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৭

ফিলিস্তিনে চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইনসভা নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তিনি ২৮ নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ও আইনসভা নির্বাচনের জন্য।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত এবং ফিলিস্তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শক্তির সঙ্গে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন স্থগিত করার কারণ হিসেবে ইসরায়েলের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে সৃষ্ট বাধার উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে ফিলিস্তিনি পক্ষগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে বলেও ওয়াফার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেপিএমকে উৎপাদনে ফেরাতে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: বিসিআইসি চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


কেপিএমকে উৎপাদনে ফেরাতে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: বিসিআইসি চেয়ারম্যান

রাঙ্গামাটি, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড-কেপিএমসহ দেশের সব রুগ্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা।

তিনি উল্লেখ করেন, এসব প্রতিষ্ঠান সচল করার জন্য বিদেশি বিনিয়োগ, বিএমআর (ব্যালান্সিং, মডার্নাইজেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন), সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতি অনুসরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিসিআইসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘কেপিএম একসময় লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশ সুনামের সাথে কাজ করেছিল। আমরা কেপিএমকে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কাপ্তাই কেপিএমের গেস্ট হাউসে কারখানার বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদ উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কেপিএমের উৎপাদন বিভাগের প্রধান মঈদুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহাব্যবস্থাপক (এমটিএস) আবুল কাসেম রনি, মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. মুজিবুর রহমান, কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল, কেপিএম সিবিএর সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবু সরোয়ারসহ কারখানার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।

মতবিনিময় সভায় কেপিএমের সার্বিক কার্যক্রম, বর্তমান পরিস্থিতি এবং কারখানাটিকে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর আগে কেপিএমের গেস্ট হাউসে পৌঁছালে বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও সিবিএ নেতারা।

এ সময় কারখানার নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে গেস্ট হাউসের পাশে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

মতবিনিময় শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিসিআইসি চেয়ারম্যান কেপিএম কারখানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কারখানার বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%