শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
মিরসরাই ইকোনমিক জোনের বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এলাকা থেকে চুরি হওয়া ২৫ মিটার জায়ান্ট ইলেকট্রিক কেবল চুরির মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন ইকোনমিক জোনের নির্মাণাধীন ‘ইনভেস্টর ক্লাব’ থেকে হাইড্রোলিক স্ট্যাটিক পাইল ড্রাইভার মেশিনে ব্যবহৃত ২৫ মিটার (ফাইভ ফেস ১২০ আরএম) ইলেকট্রিক কেবল চুরি হয়।
সংবাদ পেয়েই জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে থানা পুলিশ ও চরশরৎ ক্যাম্প পুলিশের একটি চৌকস দল ইকোনমিক জোনের আশপাশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। পুলিশের তাড়া খেয়ে চোরচক্রের সদস্যরা কেবলটি ইকোনমিক জোনের জঙ্গল দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে জঙ্গলাকীর্ণ পথ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চোরাই কেবলটি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত কেবলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ টাকা।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চোরচক্রকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় যানজট কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করেছে। এর পাশাপাশি, সড়কে কাজ শুরু করার আগে ট্রাফিক বিভাগের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের সময়সীমা অতিক্রম হলে জরিমানা আরোপের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অবৈধ চার্জিং পয়েন্টের তালিকা প্রস্তুত করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং ঢাকা মহানগরীর যেসব এলাকায় বৈদ্যুতিক লাইন থেকে হুকের মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ নিয়ে চার্জিং করা হচ্ছে, সেসব স্থানে ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে, যানজট কমানোর লক্ষ্যে রাস্তা খননে ট্রাফিক বিভাগের অনুমোদন নেওয়া এবং রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও, বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে অবৈধভাবে পরিচালিত বিভিন্ন কারখানা ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক সময় উন্নয়ন সংস্থাগুলো কাজ শুরু করার মাত্র দুই-তিন দিন আগে ট্রাফিক বিভাগকে জানায়। আবার কখনো অনুমতি ছাড়াই খননকাজ শুরু করা হয়, যা বিশেষ করে শাখা ও সার্ভিস সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থার কাছ থেকে রাস্তা খননের অনুমতি নেওয়ার আগে ট্রাফিক বিভাগের মতামত গ্রহণ করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, কাজের সময়সূচি ও ট্রাফিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে হবে। কাজ শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মাণস্থল পরিদর্শন করতে হবে। প্রধান সড়কে কাজ শুরুর আগে ডিটিসিএর অনুমোদন নিয়ে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগকে অবহিত করতে হবে।
যানজট কমানোর জন্য কর্মদিবসে রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নির্মাণকাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুক্র ও শনিবার অধিক জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টা কাজ চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা ও জরিমানা আরোপ করা হবে। ভবিষ্যতে ঠিকাদার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ডিএমপির প্রতিবেদনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
যান চলাচলে প্রভাব ফেলে এমন প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প শুরুর আগে ট্রাফিক প্রভাব মূল্যায়ন (টিআইএ) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রকল্প এলাকার করিডর ছাড়াও পুরো ঢাকা সড়ক নেটওয়ার্কের ওপর প্রকল্পের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে হবে। একাধিক বিকল্প ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি ও তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে কার্যকর পরিকল্পনা নির্বাচন করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও ডাইভারশন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এরপর ডিটিসিএর অনুমোদন নিতে হবে।
নির্মাণস্থলে যানজট ও দুর্ঘটনা কমানোর জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক প্রশিক্ষিত ট্রাফিক সিগন্যালম্যান রাখতে হবে। উভয় পাশে অন্তত ৫-৬ ফুট উচ্চতার কংক্রিট বা স্টিলের ব্যারিয়ার স্থাপন করতে হবে। চলাচলযোগ্য লেন বা ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী, বালু কিংবা যন্ত্রপাতি রাখা যাবে না। সাইটে পানির ট্যাংক, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের জরুরি নম্বরসংবলিত সাইনবোর্ড রাখতে হবে। কাজ শুরুর আগে মাইকিং বা প্রচারণার মাধ্যমে এলাকাবাসীকে জানাতে হবে।
পর্যাপ্ত নির্মাণসামগ্রী ছাড়া রাস্তা খনন করে দীর্ঘদিন কাজ ফেলে রাখা যাবে না। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্মাণকাজের কারণে বিকল্প সড়কে তৈরি হওয়া ছোট গর্ত দ্রুত সংস্কার করতে হবে। ঢাকা বিমানবন্দর ফ্লাইওভারসংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে থাকা মাটি ও নির্মাণসামগ্রী দ্রুত সরিয়ে সড়ক চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা বন্ধ থাকার কারণ চিহ্নিত করে জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।
উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও জনদুর্ভোগ নিয়ে প্রতি মাসে যৌথ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), ডিএমপির সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সংস্থা ও ঠিকাদারদের নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ যানজট ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে স্কুল-কলেজসংলগ্ন সড়ক ও হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানো এবং শব্দদূষণ আইন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর উন্নয়নকাজে সমন্বয় বাড়ানোর জন্য ডিটিসিএকে আহ্বায়ক করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পৃথক অভিযানে গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এবং বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—আবু সাঈদ তালুকদার দুলাল (৬৫) ও মো. কামাল হোসেন লিটন (৪২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের কালামাঝি গ্রামে অভিযান চালিয়ে মৃত করিম তালুকদারের ছেলে আবু সাঈদ তালুকদার দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
অন্যদিকে, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মধুপুর থানা-পুলিশ উপজেলার মালাউড়ী গ্রামে অভিযান চালিয়ে মৃত মহি উদ্দিনের ছেলে মো. কামাল হোসেন লিটনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি মধুপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত।
মধুপুর থানা-পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্যের যোগদান প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে তারা এই বিক্ষোভ শুরু করেন।
এর আগে, গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় চুয়েট শিক্ষক সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয় জুম প্ল্যাটফর্মে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ওই রাত থেকে পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাওয়া হবে।
চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আহসানউল্লাহ বলেন, ‘অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে আমরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাচ্ছি। তবে হল ও জরুরি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমগুলো চালু থাকবে।’
আন্দোলনের মধ্যে শুক্রবার নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের যোগদান প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ভিসি হিসেবে কাকে চাই, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’—এমন স্লোগান দেন। দুপুর ২টার দিকে মিছিলটি টিএসসি থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যের যোগদানকে কেন্দ্র করে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে দেয়াল লিখনের ঘোষণা দেন।
চুয়েটে তৃতীয় দিনের মতো চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। মিছিলে অংশ নেওয়া তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আকরাম হোসেন সুজন বলেন, ‘গতকাল আমরা জেনেছি, উপাচার্য পদে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম যোগদানপত্র পাঠিয়েছেন। এর প্রতিবাদেই আজ আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছি। আমরা কোনোভাবেই অধ্যাপক শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে চাই না।’
এর আগে বৃহস্পতিবার অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম চুয়েট ক্যাম্পাসে উপস্থিত না হয়ে রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত যোগদানপত্র পাঠান। ওই পত্রে তিনি চুয়েটের উপাচার্য পদে যোগদানের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামেন।
গত চার দিন ধরে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পুনর্বহালের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ