ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা ধসে আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা


বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা ধসে আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা হঠাৎ করে ধসে পড়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

 

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের গাংধরকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে একটি টেবিল ভেঙে যায়। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ৩ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, গ্রেপ্তার ২

বিদ্যালয়ের দোতলা ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ার কারণে ২৯১ শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন জানান, রাত বা সকালে কোনো এক সময় অফিস কক্ষের ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে। সকালে কক্ষের দরজা খুলে তিনি বিষয়টি আবিষ্কার করেন। পরে দেখা যায়, ধসে পড়া পলেস্তারার অংশের কারণে একটি টেবিল ভেঙে গেছে।

প্রধান শিক্ষক উল্লেখ করেন, এর আগে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শ্রেণিকক্ষে হালকা পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৯১ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান।

অভিভাবক হাবিব উল্লাহ, আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটছে। এই অবস্থায় প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর ফলে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, দুইজন গ্রেপ্তার

ঘটনার খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে ছাদ ও বিভিন্ন কক্ষের অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন খান এবং সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শীতেশ চন্দ্র পাল।

মো. মোশাররফ হোসেন খান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের ভবনের বর্তমান অবস্থা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

স্থানীয়দের মতে, কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগে থেকেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার সিলেটের কিছু এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেছেন, বই শুধু জ্ঞান দেয় না, চিন্তার শক্তিও দেয়। ইতিহাস জানতে এবং ভবিষ্যতের পথ চিনতে বই পড়ার বিকল্প নেই। 

তিনি বলেন, ‘ইতিহাস না জানলে বর্তমানকে বোঝা যায় না, আর বর্তমান না বুঝলে ভবিষ্যতের পথ তৈরি করা যায় না। তাই আমাদের পড়তে হবে, জানতে হবে এবং ভাবতে হবে।’

আজ সোমবার রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬-এর পঞ্চম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বইমেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। পাঠাগার জ্ঞানচর্চার জায়গা, পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার জায়গা এবং নতুন প্রজন্মকে বইয়ের সঙ্গে যুক্ত করার অন্যতম মাধ্যম।

তিনি বলেন, আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছি। 

বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম তিনি। তাঁর রাজনীতি, রাষ্ট্রচিন্তা ও দেশ গঠনের ভাবনা জানতে হলে তাঁর লেখা বই পড়তে হবে।"

তিনি জানান, ‘একটি জাতির জন্ম’ ও ‘আমার রাজনীতির রূপরেখা’সহ বিভিন্ন গ্রন্থ একটি বিশেষ সময়কে জানতে এবং জিয়াউর রহমানের জীবন, চিন্তা ও বাংলাদেশ হয়ে ওঠার ইতিহাস বুঝতে সহায়তা করে।

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, একটি বই অতীতের দরজা খুলে দেয়, বর্তমানকে বুঝতে শেখায় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে শেখায়। এ সময় তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম’ বইটি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও সংগ্রাম সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়। যারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস জানতে চান, তাদের এ ধরনের বই পড়া উচিত।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানাই।’ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আফরোজা খানম বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা, জ্ঞান, দক্ষতা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধসম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না; নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে, বুঝতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে এবং পৃথিবীকে জানার চেষ্টা করতে হবে। আর জ্ঞান অর্জনের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হলো বই।

নিজের বাবার লেখা বইয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাবার এই বইটি যখন পড়ি, তখন মনে হয় বাবা আমার পাশে আছেন। মনে হয়, চারপাশ থেকে বাবা আমাকে দেখছেন।’

অনুষ্ঠানে বাবার লেখা বই থেকে একটি অংশ পাঠ করে শোনান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর মেজর জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খুবই সাধারণ জীবনযাপন করতেন, বিলাসিতা পছন্দ করতেন না এবং সাধারণ মানুষের উন্নতির কথা ভাবতেন। এ সময় তিনি জিয়াউর রহমানের সততা ও সাদাসিধে জীবনযাপনের বিভিন্ন স্মৃতিও তুলে ধরেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে একটি পরিবারের তিনজন মানুষ ভিন্ন তিনটি সময়ে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দেশকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন।

তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের জন্য ১০০টি বই উপহার দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জ্ঞানার্জন ও মননশীলতা বিকাশে বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি, মাহামুদা হাবিবা এমপি, অধ্যাপক ড. হারুন আল রশিদ ও সাঈদ মাহমুদ জুয়েল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কনটেইনারে পণ্য নেই, কাগজে সাড়ে ৫ কোটি টাকার রপ্তানি দেখানো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


কনটেইনারে পণ্য নেই, কাগজে সাড়ে ৫ কোটি টাকার রপ্তানি দেখানো

কনটেইনারে কোনো পণ্য নেই, অথচ কাগজপত্রে দেখানো হয়েছে ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকার পণ্য রপ্তানি। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর পাঁচটি সন্দেহজনক রপ্তানি চালান আটক করেছে।এসব চালানে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ১৭৫ কেজি বা প্রায় ১২১ টন পণ্য রপ্তানি দেখানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সংশ্লিষ্ট পণ্য কনটেইনার ডিপোতে প্রবেশ করেনি।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ তৎপরতার মাধ্যমে ভ্যালমন্ট ফ্যাশনস লিমিটেডের এসব চালান আটক হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানি-সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের সময় প্রতিষ্ঠানটির পাঁচটি চালান গোয়েন্দাদের নজরে আসে।

 

প্রাথমিক বিশ্লেষণে রপ্তানির গন্তব্য, পণ্যের ধরন এবং ঘোষিত মোট ওজনের মধ্যে অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়। এরপর চালানগুলো আটক করে অধিকতর যাচাই শুরু করা হয়।

দাখিল করা রপ্তানি বিলের তথ্য অনুযায়ী, পণ্যগুলো ইসাক ব্রাদার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের একটি অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো থেকে রপ্তানি হওয়ার কথা ছিল। কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সরেজমিন ওই ডিপোতে গিয়ে ঘোষিত পণ্য দেখানোর নির্দেশ দেন।

 

কিন্তু ডিপো কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য খালাস ও পরিবহনকারী কোনো পণ্যই দেখাতে পারেননি। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রপ্তানির জন্য ঘোষিত পণ্যগুলো ডিপোতে প্রবেশই করেনি। অথচ পণ্য ডিপোতে না ঢুকলেও কিভাবে এসব চালানের কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো, তার কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

পাঁচটি চালানে মোট ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৪ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।অর্থাৎ, প্রায় ১২১ টন পণ্যের বাস্তব অস্তিত্ব না থাকলেও কাগজপত্রে ওই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি দেখানো হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির গত এক বছরে আমদানি করা কাঁচামালের পরিমাণের তুলনায় ঘোষিত রপ্তানি পণ্যের পরিমাণও অস্বাভাবিকভাবে বেশি বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। সাধারণত আমদানি করা কাঁচামালের পরিমাণ ও তা দিয়ে উৎপাদিত রপ্তানি পণ্যের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সামঞ্জস্য থাকার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পণ্যের বাস্তব অস্তিত্ব ছাড়াই রপ্তানি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান, পণ্য খালাস ও পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান, ডিপো কর্তৃপক্ষ এবং কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা তদন্ত করা হচ্ছে।

পণ্য ডিপোতে প্রবেশ না করেই কিভাবে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, এখন সেটিই তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত কাস্টমস আইনসহ অন্যান্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ ১১ বছর পর সিনেমায় ফিরছেন বিপাশা বসু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


দীর্ঘ ১১ বছর পর সিনেমায় ফিরছেন বিপাশা বসু

বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও সিনেমায় ফিরছেন। তিনি পরিচালক হানসাল মেহতার নতুন ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ‘বারাবাঁকি’র মাধ্যমে পর্দায় প্রত্যাবর্তন করছেন।

 

অভিনেত্রী ইতোমধ্যে মুম্বাইয়ে সিরিজটির শুটিং শুরু করেছেন। এটি বিপাশার জন্য হানসাল মেহতার সঙ্গে প্রথম কাজও।

‘বারাবাঁকি’ সিরিজটি ১৯৮৪ সালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে। এই সিরিজটি অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা অলোক লালের লেখা বই ‘দ্য বারাবাঁকি নারকোস : বাস্টিং ইন্ডিয়াজ মোস্ট নোটোরিয়াস ড্রাগ কার্টেল’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে।

 

গল্পটি উত্তর প্রদেশের বারাবাঁকি জেলায় সক্রিয় একটি শক্তিশালী আফিম পাচার চক্রের বিরুদ্ধে অলোক লালের নেতৃত্বে পরিচালিত বাস্তব অভিযানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এগোবে।

সিরিজটিতে বিপাশার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সানি কৌশল ও ‘হোমবাউন্ড’খ্যাত বিশাল জেঠওয়া। তবে নির্মাতারা তাদের চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করেননি।

‘মিড-ডে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাস থেকেই মুম্বাইয়ে ‘বারাবাঁকি’র শুটিং করছেন বিপাশা।

 

সিরিজটিকে একজন আইপিএস কর্মকর্তা ও তার দলের শক্তিশালী মাদক চক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক টানটান, বাস্তব অভিজ্ঞতানির্ভর গল্প হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

এদিকে বিপাশার চরিত্রটি নিয়ে নির্মাতারা এখনো রহস্য রেখেছেন। তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গল্পের মূল চরিত্রের সঙ্গে তার চরিত্রের গভীর যোগ রয়েছে।

হানসাল মেহতা প্রস্তাব দেওয়ার পর দ্রুতই এই প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিপাশা। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই হানসাল তার পছন্দের পরিচালকদের তালিকায় ছিলেন।

শুধু চরিত্রেই নয়, লুকেও চমক দিতে চলেছেন অভিনেত্রী। এর আগে পর্দায় যেসব অবতারে দেখা গেছে তাকে, ‘বারাবাঁকি’তে তিনি একেবারে ভিন্ন সাজ ও চেহারায় হাজির হবেন। গল্পে অলোক লালের অভিযানের পেছনে কাজ করা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের নানা দিকও তুলে ধরা হবে।

এদিকে বিপাশা বসুর ক্যারিয়ারে ‘রাজ’, ‘জিসম’, ‘ধুম ২’, ‘নো এন্ট্রি’, ‘আজনবি’ ও ‘ওমকারা’র মতো সিনেমা উল্লেখযোগ্য। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যালোন’ ছিল তার সর্বশেষ পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। এরপর তাকে আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি। তবে ২০২০ সালে ‘ডেঞ্জারাস’ দিয়ে ওটিটিতে অভিষেক হয় তার।

২০২২ সালে কন্যা দেবীর জন্মের পর থেকে মূলত পরিবারকেই বেশি সময় দিয়েছেন বিপাশা। দীর্ঘ সময় পর এবার ‘বারাবাঁকি’র মাধ্যমে পর্দায় ফিরছেন তিনি। তাই নতুন এই সিরিজে তার চরিত্র ও অভিনয়ের পাশাপাশি ভিন্ন লুকেও দর্শকদের জন্য থাকছে বাড়তি চমক।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান অধিনায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল আইসিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


পাকিস্তান অধিনায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল আইসিসি

 

এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে আইসিসি। ফাতিমা প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২.৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন।এই কারণে, পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। এটি ছিল তার ২৪ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় অপরাধ, ফলে এই সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই। ফাতিমা এর আগে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন তার পূর্ববর্তী ডিমেরিট পয়েন্টটি অর্জন করেছিলেন।

 

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা করেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।

লেভেল ১ বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি হিসেবে একটি আনুষ্ঠানিক তিরস্কার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে একজন খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা এবং এক বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়ে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%