ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে পড়ল বাংলাদেশ


ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে পড়ল বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলো তাওহীদ হৃদয়ের দল। বাংলাদেশ যদি আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারত, তাহলে ফাইনালে খেলার সুযোগ পেত। কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি।

২৭.১ ওভারে আফগানিস্তানের ব্যাটাররা ১২১ রান সংগ্রহ করতেই বাংলাদেশের বিদায়ের নিশ্চিত হয়। আগামী ২৩ অক্টোবর ফাইনালে আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ের।

শারজায় আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ মাত্র ১৬০ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন, যিনি ৭০ রান সংগ্রহ করেন। আফগানিস্তানের রশিদ খান চারটি উইকেট দখল করেন।

আরও পড়ুন: ক্রিকেটার হৃদয় জীবনযুদ্ধে হার মানলেন, ঢাকায় চিকিৎসার পথে মৃত্যু

ফাইনালে যাওয়ার জন্য আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখার লক্ষ্য নিয়ে বোলিং শুরু করে বাংলাদেশ। শুরুতে তাসকিন আহমেদ রহমানউল্লাহ গুরবাজকে বোল্ড করে কিছুটা আশার আলো দেখান। তবে আফগানিস্তানের ব্যাটাররা দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে সেই সুযোগ আর দেননি। শেষ পর্যন্ত ২৭.১ ওভারে আফগানিস্তানের রান ১২১ ছুঁতেই বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করিয়ে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ এম


অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করিয়ে চালকের আসনে দক্ষিণ আফ্রিকা

মার্কো ইয়ানসেনের বিধ্বংসী বোলিংয়ের ফলে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৮৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করাতে সক্ষম হয়েছে। এই ফলাফলের মাধ্যমে প্রোটিয়াদের তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সমতা ফেরানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটিও ভালো হয়নি। রাবাদা এবং সাইমন হারমারের ঘূর্ণিতে সফরকারী দলের ব্যাটসম্যানরা সমস্যায় পড়তে থাকে। তবে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান সংগ্রহ করেছে। ট্রাভিস হেড ৮৭ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন এবং অতিথি দলটি এখনও ১৭০ রানে পিছিয়ে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার রাবাদা ও হারমার ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা দাপট দেখাতে থাকে। আনরিখ নরকিয়া কুঁচকির চোটে মাঠ ছাড়ার পর মার্কো ইয়ানসেন বল হাতে ত্রাস সৃষ্টি করেন। তিনি টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট শিকার করে মাত্র ৯৯ রানে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেন। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ সর্বনিম্ন অলআউট এবং ২০২৩ সালের পর টেস্টে ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার প্রথম ঘটনা।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে একমাত্র প্রতিরোধ গড়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ (২৮)। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বাদশ এবং রিক পন্টিং ও অ্যালান বোর্ডের পর তৃতীয় অস্ট্রেলীয় হিসেবে ১১,০০০ টেস্ট রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। তবে পিঠের ইনজুরির কারণে তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে চারে নেমে ব্যাট করতে পারেননি। এই টেস্টে একাধিক খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়েছেন। নরকিয়ার সঙ্গে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ভুগছিলেন জশ হ্যাজলউড।

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪২৫ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। দলের হয়ে বড় অবদান রাখেন মার্কো ইয়ানসেন, কাগিসো রাবাদা এবং উইয়ান মুল্ডার। ৩২৬ রানের বিশাল লিড নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ফলো-অন করায় প্রোটিয়ারা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ৪২৫/৯ (ডি.)।

অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস : ৯৯/১০ (স্মিথ ২৮, ইয়ানসেন ৫/৩৩, মুল্ডার ২/১৪ ও রাবাদা ২/৩৩)।

অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস (ফলো-অন): ১৫৬/৪ রান (হেড ৮৭*, রাবাদা ২/৩০, হারমার ২/৪৭)।

* চতুর্থ দিন শেষে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ এম


নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি

তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির পেছনে রয়েছে একটি নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি, যা পুরো অঞ্চলে প্রভাব ফেলছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রশিদ আল-মোহান্নাদি এই মত প্রকাশ করেছেন।

বুধবার আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক নীতিগবেষণা কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট আল-মোহান্নাদি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে যুক্ত দেশগুলো যে সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে, সেগুলোর প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগের যৌক্তিকতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেসব দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে, তারা সাধারণত প্রতিরক্ষা শিল্প না থাকা দেশগুলোর তুলনায় সামরিক সক্ষমতা অর্জনে কম খরচ করে। এ কারণে, এই চুক্তির অর্থনৈতিক দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ।

আল-মোহান্নাদির মতে, ‘এটি প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনার একটি ভালো উদ্যোগ।’

তিনি আরও যোগ করেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মতো পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে না তাকিয়ে নিজেদের অঞ্চলের মধ্যেই সামরিক চাহিদা পূরণের সুযোগ তৈরি করাও এই উদ্যোগের কৌশলগত গুরুত্বকে তুলে ধরে।

এমএমআর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় বিএনপির এমপি চাঁদের নাম, বিতর্কের সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় বিএনপির এমপি চাঁদের নাম, বিতর্কের সৃষ্টি

সরকারি প্রণোদনা পাওয়ার তালিকায় সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবেও পরিচিত। আখচাষিদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি প্রণোদনার অর্থ গ্রহণের তালিকার প্রথম ১৫ জনের মধ্যে তার নাম থাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

আবু সাঈদ চাঁদের কৃষক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন না উঠলেও, একজন আর্থিকভাবে সচ্ছল জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তিনি দাবি করেছেন, তার পরিবার বংশপরম্পরায় আখ চাষ ও সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। তিনি একজন নিবন্ধিত আখচাষি হিসেবে এ সহায়তা নিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আখচাষিদের মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবে সরকারি সহায়তার অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

রাজশাহী অঞ্চলের ১৫টি সুগার মিল জোনের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে চেক গ্রহণকারীদের তালিকার প্রথম ১৫ জনের মধ্যে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়ে আবু সাঈদ চাঁদ বলেছেন, সংসদ সদস্য হলেও তিনি একজন নিবন্ধিত আখচাষি। "আমি একজন কৃষক। আমার বাবাও কৃষক ছিলেন। কৃষক হিসেবে অন্য চাষিদের মতো আমিও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আখচাষির প্রণোদনার চেক নিয়েছি।"

চাঁদের দাবি, বাপ-দাদার আমল থেকেই তাদের পরিবার আখ চাষের সঙ্গে যুক্ত। তিনি নিজেও বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন এবং রাজশাহী সুগার মিলে শত শত গাড়ি আখ সরবরাহ করেছেন। তিনি ভবিষ্যতেও আখ সরবরাহ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন।

চাঁদ বলেন, "আখ চাষ, আখ সরবরাহ ও কৃষকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা পৃথক বিষয়।" সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করে প্রকৃত প্রেক্ষাপট তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, আখ সরবরাহের বিষয়ে রাজশাহী সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে।

সচ্ছল জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদের আখচাষি পরিচয় নিয়ে সমর্থনমূলক বক্তব্য এসেছে, তবে প্রণোদনা গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদের কৃষক পরিচয়ের পক্ষে বক্তব্য এসেছে, কিন্তু একজন সংসদ সদস্য হিসেবে তার প্রণোদনা গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

ফেসবুক ব্যবহারকারী আনিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "চাঁদের কৃষিকাজ তার মূল পেশা—এটি সত্য হলেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিতর্ক এড়াতে তার প্রণোদনা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করা উচিত ছিল।"

মনিরুল ইসলাম নামের আরেক ব্যবহারকারী মনে করেন, চাঁদ কৃষক হলেও তার আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দেয়। তার মতে, ওই অর্থ যদি কোনো দরিদ্র কৃষক পেতেন, তাহলে বেশি উপকৃত হতে পারতেন।

অন্যদিকে, ইশতিয়াক হাসান রাসেল নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী চাঁদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে লেখেন, "চাঁদ যে আখ চাষ করেন, তা তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন।"

পলাশ নামের আরেক ব্যবহারকারীও চাঁদের কৃষক পরিচয়ের পক্ষে মত দেন। তিনি দাবি করেন, চাঁদ কৃষক পরিবারের সন্তান এবং তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত।

যোগ্যতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন

আখচাষিদের জন্য সরকারি প্রণোদনার তালিকায় একজন সংসদ সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিতর্কটি মূলত দুটি প্রশ্নকে সামনে এনেছে। প্রথমত, তিনি প্রণোদনা পাওয়ার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করেছেন কি না। দ্বিতীয়ত, যোগ্যতা পূরণ করলেও একজন জনপ্রতিনিধির আর্থিক সামর্থ্য ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এ ধরনের সহায়তা গ্রহণ করা কতটা যুক্তিসংগত।

সরকারি প্রণোদনা বিতরণে স্বচ্ছতা ও জনআস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত উপকারভোগীদের যোগ্যতা, সহায়তা পাওয়ার শর্ত এবং তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা। এতে একজন জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে, তেমনি প্রকৃত ক্ষুদ্র ও অসচ্ছল আখচাষিরা সহায়তা পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোজতবা খামেনি বাবার পথ বেছে নিয়েছেন, সরকার উৎখাতই একমাত্র উপায়: নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ এম


মোজতবা খামেনি বাবার পথ বেছে নিয়েছেন, সরকার উৎখাতই একমাত্র উপায়: নেতানিয়াহু

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মোজতবা খামেনিকে হুমকি প্রদান করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ইরান সরকারের উৎখাত করলেই দেশটির ‘হুমকি’ দূর করা সম্ভব হবে।

বুধবার ইসরাইলি বাহিনীর একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু এই বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইরানের শাসকগোষ্ঠী এখনো তাদের শিক্ষা নেয়নি।’ তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে ‘বর্তমান স্বৈরাচারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং মন্তব্য করেন যে, মোজতবা খামেনি ‘তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘তিনি (মোজতবা খামেনি) গ্রেনেডের সেফটি পিন খুলে ফেলেছেন।’ এরপর তিনি দাবি করেন যে, ইরানের এই ‘হুমকি’ দূর করার একমাত্র উপায় হলো দেশটির সরকারকে উৎখাত করা।

এমএমআর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%